তুমি নেই সেই শহরে আমার বাস যেখানে ক্ষুধার্ত হায়েনার চিৎকার শুনতে শুনতে আমার ঘুমের দেশে যাওয়া, যেখানে রক্তিম লাল সূর্যের তপ্ত রোদে কঙ্কালময় পথে আমার নিত্য হেঁটে চলা সেখানে মানুষ খেকো রাক্ষসেরা রক্তের ঘ্রাণ শুঁকতে শুঁকতে আমায় রোজই করে ধাওয়া।
আমি ভয়ার্ত হরিণের মতো এক ছুটতে ছুটতে পাড়ি দেই কঙ্কালময় গুল্মলতার সর্পিল সে পথ। যে পথে ছুটতে ছুটতে রক্তাক্ত হয় শরীর রক্তাক্ত হয় পদযুগল, ক্লান্তিভরে হাপিয়ে উঠি আধহাত সম জিহবা বেরিয়ে আসে আমার। চকিতেই চমকে উঠি- একি এটা আমার জিহবা নাকি? ভীষণ বিচ্ছিরি লাল, লকলকে জিভ আমার দেখে -আমিই আতংক বোধ করি। এমনই বিভীষিকাময়, ভয়ার্ত এক শহর তুমিহীনা সেইখানে একাকি আমার বাস। সেইখানে একাকি আমার বাস।
মদ নয় রক্তের গেলাসে গেলাসে চুমুক মারে শহরের প্রতিটি ক্যানিবাল; বিঘত লম্বা নখের লোমশ হাত ধেয়ে আসে সময় অসময়। আমি নিজেকে আটকাই এক ৩৬০০ স্কয়ার ফিটের লৌহ শিকলবেষ্টিত খাঁচায়। যেখানে মৃত্যুভয় ধেয়ে আসে মুহুর্মুহু করতালিতে নরখুলিতে যেখানে রাক্ষসী তিয়াসা মিটে। আমি নিজেই তখন জীবন্ত লাশ হয়ে ওঠি নিজেই তখন জীবন্ত লাশ! নিজেই তখন জীবন্ত লাশ!
তুমি নেই এমনি এক শহরে একাকি আমার বাস।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
যেখানে মৃত্যুভয় ধেয়ে আসে মুহুর্মুহু করতালিতে
নরখুলিতে যেখানে রাক্ষসী তিয়াসা মিটে।
আমি নিজেই তখন জীবন্ত লাশ হয়ে ওঠি ......//// কবিতার আকৃতি বেমানান লেগেছে....তবে কবিতা বেশ ভাল্লাগলো.....অনেক ধন্যবাদ পরাগকে.....
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।