‘গণি মিঞার মাঠ ও ওরা ক’জনা’ নামে একটা গল্প রিখেছিলাম গ্রামবাংলা সংখ্যায়। আজ খুঁজতে বসলাম- কেমন আছে সেই মাঠটি। কেমন আছে ঐ মাঠের খেলোয়াড়রা। গণি মিঞাই বা কেমন আছেন, তাঁর মাঠের খেলোয়াড়দের নিয়ে।

 

.....মাঠে খেলা হচ্ছে আজো। কেমন যেন ছাড়াছাড়া। সফল অসফল খেলোয়াড়রা যেমনই হোক, সেদিনও মাঠে নৈপূণ্য দেখাচ্ছিল! .....মাঠের পাশে গল্পগুজবের ঘরে হঠাৎ শোর উঠলো, বেশ কলরব চলল কিছুদিন। হয়তো কিছু যৌক্তিক, কিছুটা অযৌক্তিক হৈচৈ-এ খেলোয়াড়দের মনোযোগ ছুটে গেল। এদিকে আচমকা বৃষ্টিতে মাঠ কর্দমাক্ত। লক্ষ্য নিশানা হারিয়ে ফেললো ক’জনা। হতাশ হল নৈপূণ্যে মুগ্ধ দর্শকেরা।

 

কর্দমাক্ত মাঠে এলমেলো দৌড়াদৌড়িতে সুবেশী খেলোয়াড়দের পোশাক বিনষ্ট। গণি মিঞ্রা চোট পেলেন অন্তরে। তাঁর মাঠের জয়ন্তি সামনে। বিপর্যস্ত স্বপ্নে আলোড়িত হন তিনি! হতবুদ্ধি হন নতুন ক্রীড়া কম্পপ্লেক্স গড়ার পরিকল্পণা নিয়ে। খেলোয়াড় না থাকলে কিসের মাঠ, কিসের আয়োজন? ছোট্ট একট আঘাত দিলেন। গল্পগুজবের ঘরে লাগিয়ে দিলেন বিরাট এক তালা। তবে মাঠটি এখনো খোলা।

 

.....কাদা ধোয়ার জল নেই আশেপাশে। কারো কারো কান্নায় কর্দম কিছুটা সরলেও, এত ময়লা তাতে যাবে কি? মাঠের আবর্জনা সরাতে আরেকটা বৃষ্টি দরকার। ঝুম বৃষ্টি। সবাই অপেক্ষায়, এই মাঘ মাসে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামুক।

 

বৃষ্টি আসার আগ পর্যন্ত আসুন গণকান্নায় মাতি। আপনার আমার চোখের নোনা জলে দেখি কতটা শুদ্ধ হতে পারি।