সেই তখন থেকে একই ভাবে বসে রইল রুহী । কি করতে হবে কি বলতে হবে কিছুই ভেবে পেলো না । কি এক দু:সহ ব্যথা ওর মনটাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে । রাশি রাশি কষ্টের কুয়াশা যেন ওকে গ্রাস করতে চাইছে । এমন একটা কথাও খুঁজে পেলনা রুহী যা দিয়ে ও নিজকে একটু সান্ত্বনা
-
গল্প
মেঘ বৃষ্টি ঝড়বশির আহমেদ -
গল্প
ক্ষণিকের দেখাপ্রদীপছোটো শহর তমলুক, মেলা চলছিল- তমলুক জনস্বাস্থ্য কৃষি ও কুটির শিল্প মেলা। ছেলেটি তখন তমলুকের একটি কলেজে ফাস্ট-ইয়ার এ পড়ছিল, নাম দীপ। তমলুক এ হোস্টেল এ থাকতো। বাড়ি দিঘার কাছাকাছি। একদিন দীপ বন্ধুদের সঙ্গে ঐ মেলাতে
-
গল্প
ট্রেন চলে যায়জালাল উদ্দিন মুহম্মদরেলে সাধারণত এমন হয় না আজকাল । বাংলাদেশে ভিড় বলতেই চোখে ভাসে দরজার রড ধরে ঝুলছে মানুষের পর মানুষ । শুক্রবার বলে কিনা জানিনা , আজ এমনটি নেই । প্ল্যাটফর্মে অল্পকিছু লোক হন্তদন্ত হয়ে ছুটাছুটি করছে । ট্রেনের হুইসাল শুনা যাচ্ছে ।
-
গল্প
প্রশ্নঈশান আরেফিন১. রিশান মুগ্ধ চোখে তার সদ্য কেনা অ্যারোকারটি দেখছিল। সে অনেকদিন ধরে নিজের লাইফ ক্রেডিট জমিয়ে কষ্ট করে তার অতি পছন্দের অ্যারোকারটি কিনেছে। এটি কেনার জন্য তার প্রায় ৬ মাস মস্তিষ্কের আনন্দের অনুভুতি কেনার থেকে বিরত থাকতে হয়েছে,
-
গল্প
প্রিয়ার কালো চাহনিআমির হামজাসুনীলের উপর দিয়ে একটা ঝড় বয়ে গেছে। তপ্ত রোদেলা হাওয়ায় হঠাৎ কাল বৈশাখীর মত। সবকিছু চূর্ণ বিচূর্ণ হতে হতেও হল না। ঝড় আবেশে ঝরা খণ্ড রেখে গেল। মনির কথা বলছি। মনি সুনীলের স্ত্রী। হঠাৎ প্যারালাইসড। সব বন্ধ। ধীরে ধীরে অনেক চেষ্টার ফসল
-
গল্প
চিত্রকরআরমান হায়দারড.সাদিকের এপিএসের নাম বদরুল। সাদিক স্যারের সাথে দেখা করার বায়না ধরে অনেক্ষণ বসে থাকায় বদরুল এই মাত্র যাবার পথে বলে গেল,
-‘ আপনিতো আগেও একদিন স্যারের সাথে দেখা করেছেন । আজকে আবার কেন ? স্যার ব্যস্ত আছেন।’ তারপরে ত্যাড়া ব্যাকা মার্কা কি যেন -
গল্প
স্পর্শের বৃত্ত এবং তিনটি স্বর্গ-খেলনাপ্রজ্ঞা মৌসুমী: তুমি এতোই কালো! তবেতো তুমি পুরা রাত। ভালো তো। লোকে পায় ১২ ঘণ্টার রাত আর তোমার বউ পাবে ২৪ ঘণ্টা। সারাবছরই তার বাসর।
-
গল্প
অসমাপ্ত ভালবাসাজাবেদ ভূঁইয়ামেয়েটার সাথে আমার প্রথম দেখা হয় এক বই মেলায় ।হলুদ শাড়ী ,কপালে লাল টিপ পড়ে একটা স্টলের সামনে দাড়িয়ে ছিল ।কি জানি একটা বই দরদাম করছিলও ।এই ফাঁকে আমি খুটিয়ে নাটিয়ে দেখতে শুরু করলাম ।গায়ের রং একটু কালো কালো কিন্তু ওর বড় বড় ডাগর
-
গল্প
শেষ বিকেলের মেয়েতানজির হোসেন পলাশবিকেল তিনটা। চৈত্র মাস বলেই হয়ত রোদ্রের প্রখরতা বিলীন হয়নি। সরু রাস্তা। লোকজন নেই বললেই চলে। অবশ্য দু-চার জন বখাটে ছেলে তার ব্যতিক্রম। ওদের কাছে রোদ-বৃষ্টি একই কথা। আর সকাল-দুপুর-সন্ধ্যার পার্থক্য তো মাতৃগর্ভ থেকেই ভুলে গেছে।
-
গল্প
এমন হয় !faruk আহমেদসিঁড়ির ধারে ঠিক প্রতিদিনের মতোই বসে আছে রাতুল আর সোহাগ। দু'জনের চোখই একদিকে স্থির নেই, চারদিকেই যেন ঘুরছে আর কি খুঁজছে। দু'জনের মুখই কালো হয়ে আছে । একবারে তীর্থের কাকের মতো তাদের অবস্থাটা। সময়টা ছিল বিকেল বেলা। কিন্তু
মে ২০১২ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
