বাংলার আকাশ ঢেকেছে আজ বিদঘুটে প্রেতাত্মাদের অশুভ ছায়ায়,
সবুজ প্রকৃতি লাল হয়ে গেছে বিবস্ত্র গণতন্ত্রের লজ্জায়।
অন্ধকার হতে ভেসে আসে সেই পুরনো হায়েনার শিস,
বাংলার বাতাসে বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে আজ বিষাক্ত রাজনীতির বিষ।
কোথায় শান্তি? কোথায় গণতন্ত্র? কোথায় স্বাধীনতা?
এ যেন হাজার বছরের পুরনো নারকীয় রাক্ষসপুরীর রক্তিম রূপকথা।

গণতন্ত্রের নামে রাজনৈতিক চেতনায় যখন সাধারণ মানুষের দেহ
পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়,
তখন আমি চেয়ে দেখি, সাধারণ মানুষের দেহ নয়,
পুড়ছে আমার জাতীয় পতাকা!
পুড়ছে আমার বাংলা মায়ের আচল!
পুড়ছে আমার ত্রিশ লক্ষ শহীদি আত্মা।
এ ব্যথা লুকবার জায়গা কোথায়? এ ঘৃণা প্রকাশের ভাষা কোথায়?
এ কেমন রাজনীতি? কেমন গণতন্ত্র? কেমন স্বাধীনতা? এ প্রশ্নের উত্তর দেবে কে?

তবে কি রক্ত দিয়ে কেনা স্বপ্নগুলো ভেসে যাবে শোষিতদের রক্তবন্যায়,
তবে কি অনিয়মের মহাপ্লাবনে ধুয়ে যাবে বাংলার রক্তখচিত ইতিহাসের অধ্যায়!
তুমি জাগিয়া ওঠো, এই নিরাপত্তাহীন গণমানুষের স্বপ্ন বুকে ধরিয়া
জাতির বিবেক তুমি জাগিয়া ওঠো, এই প্রেতাত্মাদের মস্তক ছিন্ন করিয়া
রণাঙ্গনের অপরাজেয় সেনাপতির মত আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দাও সুদিনের নিমন্ত্রণ
আমরা ষোলো কোটি বাঙালী আর সইতে পারছি না দুঃখিনী বাংলা মায়ের ক্রন্দন।