আমাকে প্রশ্ন করো না
কেমন কোনো প্রসঙ্গ নদীরূপে সম্পূর্ণ কর্পূর হয়,
সেই নদী কিনারার চালাঘরে মেতে ওঠে রোদপ্রেমে
আগুনতাপে সেঁকা হয় আত্মীয়তার সরল বৃষ্টি।
বৃষ্টিস্নাত ইচ্ছেগুলো ভরে রাখতে হয় হিমঘরে
এভাবেই গড়ে ওঠে স্রোতের সমীকরণ।
আমাকে শুধিও না
কেমন কোনো নদী হয় একান্ত নিবিড় ।

বিছুটি ভয়ে যাই না ক্যুইজ আসরে
প্রশ্ন ছোঁড়াছুঁড়ির ময়দানে আমি বিকলাঙ্গ খেলোয়াড়।
হঠাৎ কোনো ভিসুভিয়াস ঘুম ভেঙে যদি অবাক হয়
তাই যাযাবরও হইনি কোনোদিন,
বাক্সবন্দি ঘরে নিজস্ব কথকতা এবং
কথাসুরে মিশে আমার ঘরের পরিচিত আসবাব।

ঘুণ সুরে পোড়ে জাগতিক হৃদস্পন্দন
যেখানে গাঁয়ের শেষ সীমানা।
ঝিম ধরা ধানক্ষেতের মাঝ দিয়ে
হেঁটে যায় কুয়াশারা,
সেই ভোরের আলিঙ্গনে
অসম্ভব সবুজ হই ।

স্বভাবতই যাই না পাথুরে জমিতে, অবাধ্য স্রোতে ।