প্রতি বছরের মতো , এবারও মা দুর্গা এলেন । খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রবন্ধ মিলিয়ে দেখলাম ; সবই ঠিকঠাক মিলে যাচ্ছে : তেমনই তেজদীপ্ত দু’চোখ ; তেমনই ভয়হীন সাহস ; তেমনই প্রতিবাদী এবং প্রতিশোধগ্রাহী অঙ্গ-বিভঙ্গ ... প্রতিটা হাতে সাজানো আছে অস্ত্র । দু’কাঁধ ভেঙে বিপুল উচ্ছ্বাসে নেমে এসেছে চুল । ক্লাবের ছেলেরা , পাড়ার দাদারা , পুজারি-ব্রাহ্মণ , উৎফুল্ল দর্শনার্থী সবাই পুজোর তিন-চারদিন এমন ধুমধাম চালালো যে হাজার হাজার বছরের পুরানো ঘটনাটা ; আবার যেন সত্যি হয়ে ফুটে উঠল ।
আর এরই মাঝে একদিন বিল্টুদের সাজানো ইন্দ্রজালে ; শিশিরদের নানান মুন্সিয়ানায় নাবালিকা দুর্গাকে বলাৎকার করা হল । সাথে সাথে সভ্য সমাজ মুখে কুলপি এঁটে নিল । প্রতিবেশি , আত্মীয় , আইন , প্রশাসণ , সমাজসেবী সংস্থা বুদ্ধিজীবী , সংবাদমধ্যম , সরকার এবং বিরোধীপক্ষ কেউই তার দু’হাতের পাশে দশ হাত হয়ে দাঁড়ালনা । দুর্গা রাগে , ঘৃণায় , অপমানে আত্মহত্যা করল ।
অথচ সামনের বছর : দুর্গার পুনরায় আবাহনের জন্য একবছর আগে থেকেই তোড়জোড় শুরু হল ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
১৯ সেপ্টেম্বর - ২০১৩
গল্প/কবিতা:
৩০ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।