নদীর তখন উথাল সময় আকাশ তখন পলাশ, খনার বচন বলতে গেলেই পাখির কথা বলাস। পাখি মানেই পায়রা-যুগল মেঘের সাথে খেলা, ছাদের বিকেল খোলা হাওয়া, গড়িয়ে যেত বেলা। রাতের আকাশ শিমুল-কুসুম আঁকতো চোখের ছবি, তোর সে দুচোখ বলতো আমায় কেমন আছো কবি? কাব্য কি আর লিখেছিলাম? লিখেছিলাম গাথা, তোরই চোখের বিজয়-গীতি আনন্দ আর ব্যথা। আবার যখন আসবি ফিরে নদীর বুকে পলি, চরের মাঝে গাছ-গাছালি বন্য পাখির বুলি, পলাশ-ঝরা আকাশখানি ধবল মেঘে ঢাকা, শ্যাওলা-জমা ছাদের বিকেল দিগন্ত-মাঠ ফাঁকা। তুই কি এখন মৃন্ময়ী এক বিসর্জিত দেবী? আবাহনের সুর ছড়িয়ে এখন কেবল ছবি?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।