যেদিনই জেনেছিলাম, সে ঋণ কখনও শোধ করা যায় না; অমোঘ সত্যের সে রূপ মিশে গিয়েছিলো বর্ণপরিচয়ের দ্বিতীয়ভাগে পড়া গল্পগুলোর মতো। কাঠামোটা ছিল তার, হারিয়ে গিয়েছিলো ভেতরের প্রাণটাই।
জ্বর হলে কিংবা ভয় পেলে ফিরে ফিরে আসতো নামটুকু, ব্যস, ঐ পর্যন্তই... বাড়ি ফিরে ঘুমোতে গেলে, কিভাবে নিশ্চিন্তে ঘুম আসতো কোনোদিনও ভেবে দেখিনি।
আজও জ্বর আসে, আজও বলতে ইচ্ছা করে, 'খেতে দাও' আজও ঘুম পায়!!! না:, কই? পায় না তো... ঘুম আসে না চোখে বড়।
তোকে তো খেতে দিতে হবে, ঘুম পাড়াতে হবে তোকে, তারপর... তারপর একদিন আমিও ঘুমিয়ে পড়ব সময় পেলে সমস্ত আলো নিভিয়ে দেব ঘুমোবি তুই, আমিও ঘুমোবো...
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
শেষ ভাগের অভিমানটা যেন বুক অন্যরকম হাহাকার বিঁধে । চমতকার একটি লেখা। শুভ কামনা ও ভোট রইল।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
এটা অনুভবের ব্যাপার, কিছুটা ব্যাখ্যাসাপেক্ষ আবার কিছুটা ব্যাখ্যাতীত।
০৫ সেপ্টেম্বর - ২০১৩
গল্প/কবিতা:
৮ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।