আমিতো ফারাক্কানই
দু’বাহুর পেশী দিয়ে, বুকের পাঁজরে আগলে রাখব সব জল
শুধু তোমার জন্যে, আর ওপাড়ে
জ্বলে-পুড়ে সব খাঁক হয়ে যাবে জলশুন্য উত্তপ্ত বালিয়াড়ীর লু হাওয়ায়।
তোমাকে ভালবাসি সেটা ঠিক আছে
তোমাকে না ভেবে দু’দন্ড থাকতে পারিনা সেটাও ঠিক আছে
কিন্তু আমার শরীরে তো এই মাটিরই ঘ্রাণ
এই সবুজ মাঠ, সোনালী ধানক্ষেত, ওরাও তো হাতছানি দেয় আমার মায়ের মতন ।
আমাকে ধমক দিয়ে কী লাভ?
বোয়ালের আশায় বর্শী ফেলে আসে তো আসুক পুটি
আমি ভীত নই, যা ই থাকুক তোমার হাতে
আমাবস্যার ধনুকে গেথে নাও জোনাকি আবেগ
কিংবা ক্ষণিকের বিরহে তোমার প্রেমাকাঙ্খা-প্রবাহে তুলে দাও আরেকটা টিপাইমুখ,
কী আসে যায় তাতে, তুমি ওখানেই থাকো
নাড়ী যখন ডাকে আমায় এঁদো মাটির সোঁদা গন্ধে, মিছিলে আমি যাবোই যাবো
যতই তোল তুমি কাঁটাতার, তোমার পর্বত বেয়ে নেমে যাওয়া নদীটার মাঝে
অথবা কেড়ে নাও তোমাকে জড়িয়ে লেপ্টে থাকা আমার অনুভুতির ছিটমহল
কীসের ভয় আমার, আমি জানি তুমি ভালবাস আমাকেই
তোমার প্রশ্রয়ে তাই আমিও হতে পারি সরীসৃপ
বাধ ভাঙা জলের উজান বেয়ে খুজে পেতে আশ্রয় ঐ পর্বত-গীরি খাঁজে।