মা তুমি সেই যে রুয়েছিলে উঠোনতলে জানলাপাশে ছোট্ট জীর্ণ জবাচারা ... বাবা বলেছিলেন - ওগো ও ফুলপ্রিয়া এ উঠোন ঊষর বিষম এইখানে পাতাবাহার যদিও হয় জবা? দেখো সেতো ফুটবেনা, জবাবে মৃদুমুখী মা তাকিয়েছিলেন হেসে।
মা এমনই ছিলেন। সারাবেলা সবার প্রয়োজন-অপ্রয়োজন সব যুগিয়েছেন হাতের কাছে, মুখবুঁজেই কি করে শতকাজ করতেন জানিনা ক্যামন করে, বিকেলে গাছের মূলে জল ঢালতেন ... একা হাতেই সামলাতেন গোটা সংসারের সমস্ত, সব।
আজও ভুলিনি সেই জবাচারার ক্রমশ বেড়ে ওঠা আশ্চর্য সবুজ দেখে বাবা ও আমরা সুবিস্ময়ে প্রায় চুপ! অতঃপর বাবা-ই আমাদের সুদ্ধো খুশিতে হেসেছিলেন খুব আর আমরাও হাততালি দিয়ে দাঁড়িয়েছি পাশে তাঁর। আরও আশ্চর্য কান্ড ক'দিন যতেই ঝেঁকে এলো জবাকুঁড়ি খুব!
যেন বা মা ঠিক যাদুমন্ত্র জানেন কোনও যাতে জীর্ণশীর্ণ চারাগুলি বাড়ন্ত ঝাঁপানো পল্লবিত ডানামেলা আকাশমুখী অজবীথিকা! পাড়াপড়শিরা কত বাহবা দিলেন শুনে হই গর্বিত কন্যাজাতিকা আজ না মা না বাবা বেঁচে নেই উঠোনের জবা বেঁচে স্মৃতিগুলি।
তারেই আগলে রাখি সে হয় আমার জগত মা ... তারেই আগলে রাখি সে হয় আমার জগত মা !
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
২১ আগষ্ট - ২০১৩
গল্প/কবিতা:
৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।