লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জুলাই ১৯৯১
গল্প/কবিতা: ৪টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftনববর্ষ (ডিসেম্বর ২০১৩)

মেঘ ও মাটির একটি বর্ষ
নববর্ষ

সংখ্যা

রাসেল হোসেন

comment ০  favorite ০  import_contacts ৩৩৭
এক গ্রীষ্মের কাল বৈশাখে আমার দেশের
তপ্ত মাটির সাথে মেঘ মালতীর এক পলক দেখা হয়ে যায়,
প্রথম দেখায় দু’জন দু’জনকে পছন্দ করলেও
একটু পরেই যে যার পথে হারায়।

তারপর থেকে মৃত্তিকা মহাশয় মেঘ মালতীকে
খুঁজে খুঁজে খুব ক্লান্ত হয়ে দ্রোহের আগুনে ফেটে পড়ে,
মেঘ মালতীও মাটির আলসেমি দেখে মুখ গোমড়া করে
কালো হয়ে আকাশের গায়ে জমতে থাকে,
মেঘ তো জানতোনা যে মাটি মহাশয় নড়তে পারে না
প্রেমিকের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজেই ভালবাসার কথা জানায়
ঠিক বর্ষার প্রথম দিনে।

যখন মেঘ মাটির কষ্ট বুঝতে পারে
তখন মেঘ তার এত দিনের জমে থাকা অশ্রু দিয়ে
তপ্ত মাটির ফাটল গুলো মুছে দেয় নিজ হাতে ।

একসময় নীল আকাশের সাদা মেঘের সাথে
সিক্ত মাটির প্রেম চলতে থাকে কাশ বনের অলিতে গলিতে;

তারপর মাটি তার ফল-ফলাদি দিয়ে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে
মেঘ মালতীকে প্রথম বারের মত তার বাড়িতে দাওয়াত করে,
কিন্তু না, মেঘ মালতীর শাশুড়ি শীতের বুড়ি একমাত্র ছেলের প্রেমিকাকে
মেনে নিতে অপারগতা পোষণ করে,পুরো পৃথিবী কে অনুরোধ করে
কুয়াশার বলয় দিয়ে মাটিকে বেষ্টন করে রাখতে ।

মেঘ ও মাটির কষ্ট দেখে কুয়াশা লজ্জা পেয়ে
ক্ষমা চেয়ে নিজে সাক্ষী হয়ে ওদের বিয়ের আয়োজন করে;

অবশেষে মেঘ ও মাটি কোকিলের সাথে ফাগুনের গান গাইতে গাইতে
হারিয়ে যায় বাংলা বর্ষ পঞ্জিকার পাতায় ।

ঠিক এভাবেই সমাপ্তি ঘটে আমার বাংলা আমার দেশ
আমার মায়ের পুরো একটি বছর ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

    advertisement