সারারাত জেগে ছিনু শাহি চত্তরে,
সেই থেইক্কা দলবদ্ধ পালোয়ানের মত শহিদ মিনারে...
শহিদের আত্মারে শুধাইলাম, ভাই কেমন আছ?
পরক্ষনেই গোলাপের কাঁটা হাতে বিন্দা বুজাইল মোরে,
বুঝোস নাই, শালার পরবর্তী প্রজম্ম !

চেয়ে দেখ,
কেমন তরতরাইয়া ভেল্লা গাছের মতন লাঠি হয়ে
দেখায় কাদের চিহ্ন জব্বর !
শহিদ জব্বর ভাল নাই বাপু,
ভাল আছে ক্ষমতার লব্ধক !

ক্ষমতার পালাবদলে কাল্লুরা হয় 'কলুরবলদ'
শুধু এদিক ওদিক ঘুরেই ফিরে
পরিবর্তন শুধুই দলবদল।
ক্ষমতার বদল নয়, খাবলে ধরা
ক্ষমতায়ন !

অচলায়তন বলে সেই যে ছোটবেলায়
দাদু শিখিয়েছিলে, শ্রেনিবদ্ধ শ্লোগান!
জ্বালিয়ে পুরিয়ে নিঃশেষ করো
গাহ সাম্যের গান !

ক্লান্ত আমি, ক্লান্ত আমার সন্তান !!

স্বাধিন মানে কে কি বুঝ, হে বাঙ্গালী !
আমি বুঝি,
যা বুঝাও তুমি নিরন্তর
তোমারি মত হে ভাণ্ডারী।
যেদিক চালাও চলি ক্রমাগত
দিক আমার একটাই তোমা পানে
হে প্রিয়ংবদ প্রিয়তমা।


একদিন প্রত্যুষে,
একাকি মলীন মানবীয় বর্জের স্তুপাকারে,
নতুন প্রজম্মের এক জোড়া অনুসন্ধিতস্যু তরুন তরুণী
ভালবাসা দিতে যায় শহিদ মিনারে।
রফিক, জব্বর হটাৎ কেঁদে উঠে বুকের ভিতর
একেই বলে ভালবাসা, বাঙ্গালীর দিবস ভর !
দুর্গন্ধে মুখটা বিকৃত করে দ্রুতালয়ে ফিরে যায়
ফিরে ফিরে চায়;
ভাবে এমন স্বাধীন দেশে
কত খরচ করে বিলায় ভালবাসা, ভালবাসায় পথিক প্রবর !

আজ একুশের প্রহর
ফুলে ফুলে সাজিয়েছ আল্পনায় গেঁথেছ
বুকের পাঁজর।

শুধু ভুলে থাকার জন্য সারাটি বৎসর !