সবাই মিলে আশ মিটিয়ে নতুন কাপড় আর জুতো পরখ করা।
সেরা জিনিসটা নিজের করে নেয়ার খুশি-মাখা প্রতিযোগিতা।
হাতে হাতে উপহার, এর জন্য, তার জন্য।
প্রিয় মানুষগুলোর জন্য।
বুকের ভেতর আশ্চর্য দুরুদুরু-করা কিছু একটার অনুভব।
কত দীর্ঘ প্রস্তুতি!

“চাঁদরাতে” সন্ধ্যে হতে আকাশের সবটুকু খুঁজে ফেলা, এক টুকরো চাঁদের খোঁজে।
দেখতে পেলে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করা, ভীষণ আনন্দে।

সকালবেলায় খুব দ্রুত গোসল করে নেয়া, পানিটা বড় ঠাণ্ডা!
মায়ের হাতের পায়েস সবার আগে খেতে না পেরে ক্ষণিকের মুখভার।
বড়দের কাছ থেকে জোর করে সালামী আদায়। নোটগুলো চকচকে তো?
কচি ঘাসে ঢাকা মাঠে কোমল জায়নামাজ পেতে নামায।
আশেপাশে যাকে দেখি, তাকেই পরম বন্ধু ভেবে বিস্তর কোলাকুলি।

ঘুরতে বেরুনো। আজ আর কোন বাধা নেই, সবকিছুই আমার।
বন্ধুদের বাসায় একটু বেশী খেয়ে নড়তে চড়তে অসুবিধে!
সারাদিন হাসি-আনন্দে-গানে-ফুর্তিতে কাটিয়ে,
সবটুকু শক্তি ক্ষয় করে বাসায় ফেরা।
আর রিমোটের বোতাম চাপতে চাপতে বলা, “বার বার এসো, ঈদ!”