গায়ের গন্ধে লেগে থাকা শাড়ি।
ব্রাউন রঙের খাম রেজিস্ট্রি চিঠি, বৈশাখে চিল ওড়া তামাটে আকাশ।
ঝড়ো মেঘ অচেনাও বাউড়ি বাতাস।
মনে পড়ে ভোর ভৈরবে সর্ষেরোদ সন্ধে ও এশা’
ঘনকালো পিঁচুটিতে দুষ্টুমি ভরা চোখ উড়াল শালিখ,
মনে হয় রঙ ছুঁয়ে রঙের নেশা।

এ আমার অহোরাত নাচানাচি খুব,
জঙ্ঘাসমেত শাড়ি অচেনা পুকুর, টলমলে মেঘরঙ জলে দিই ডুব।
দেহাতি মানুষ এক অদূরেই ক্ষত।
চোখের চাহনি তার সরীসৃপ লেজহীন জলের সাঁতার, গভীরেও ছুঁতে চায় মৎসের মত।
অচল শিলাস্তুপ দূরের সে মেঘ, যৈবনে অহোরাত অন্য আবেগ।

পাহাড়ের ন্যাটাখাঁজে উটের কূজের মত ঠায় সে দাঁড়ায়-
মাঘের সর্ষেরোদ আশালতা হু...হু চিঠি তার কবেকার বসন্ত হারায়।
যুধিষ্ঠির চোখমুখে ফুটে উঠে জীবনের নাতিদীর্ঘ সার,
এ ফোঁড় ও ফোঁড় করে চলে আসে দিকবেলা চার।