আমার যাপিত জীবন কোনো রকম
ভাঙা চোরা রাজপথের মতন, কখনও কখনও ইট সুরকির সাথে
সিমেন্টের প্রলেপ; ছোট বড় ক্ষত গুলো মিছে সান্ত্বনা খুঁজে বেড়ায়
অথচ আমার শিকড় মায়ের নাড়ীর ভিতর !
অথচ আমি অচল নীল গিরি !
নির্বাক চোখে বাতায়ন পথে রুদ্ধশ্বাসে তোমাদের করুণা খুঁজি
আর আমার সবাক বর্ণমালা মেঘে ঢাকা সূর্যের মত
অপেক্ষার প্রহর গুনে ।
কখনও যদি তোমাদের মরচে ধরা বোধ গুলো জেগে উঠে !
কখনও যদি শিকড়ের টানে ফিরে এসো আমার মমতার কোলে !
আড় নয়নে চেয়ে দেখি বিচ্যুতি
পর ধনে মত্ত মাতালের স্তব স্তুতি
বিপন্ন প্রজাতির সরীসৃপের মত হাতড়াই মাটি
দু আঙুলে ঢাকি শ্রবণ ইন্দ্রিয়
গন্ধহীন ফুলের জলসায় নির্লজ্জ মাতামাতি !
আমি অবাক তাকিয়ে থাকি !
আসলের বাস্তুভিটায় মেকির উন্মত্ত দাপাদাপি !
বুকের গভীরের চাপা কষ্টটা কৃষ্ণ গহ্বরের মত বড় হয়
শহীদেরা ধিক্কার দেয়, দু চোখ বেঁয়ে পড়ে রক্ত জবা
আমি টলতে টলতে কোনো রকমে এক পায়ে দাঁড়িয়ে !