আলস্যে বিভোর আমি একদমই ঠাহর করতে পারিনি কোন্দিন, কিভাবে তুমি আমার পর হয়ে গেলে? কতোদিন দাঁড়ি গোঁফ কামাইনি ---- পদ্য থেকে গদ্য গদ্য থেকে পদ্য অতঃপর আবার পদ্য থেকে গদ্য!!
এই করতে করতে আমার উঠোন এখন পুড়োবাড়ি এখানে শব্দ, বাক্য, ধূলিকণা আর শ্মশান এরা প্রায় সমার্থক শব্দ, কেবল মাঝে মাঝে শোনা যায় অতৃপ্ত আত্মার করুন রোদন--- ভাঙা ভাঙা অস্পষ্ট উচ্চারণে সেখানে কবিতার কথা বলে কেউ, আবার কখনও অপ্সৃয়মান ছায়ার মতো ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর ------- অথচ বুলন্দ আওয়াজে গল্পের কথাও বলে যায়, এই তো সেদিনও ভোরের সমস্ত আকাশ একসাথে নেমে এসে ছিলো এখানে,তবুও নৈঃশব্দের বাতিঘর জেগে উঠেনি!
আরও একটা অতিপ্রাকৃতিক বিষয় আছে তা-ও আমি আদৌ কোনোদিন ঠাহর করতে পারিনি এখানে প্রেম আর প্রতিহিংসা বহতা নদীর মতো একসাথে ধেয়ে চলে, খায়-দায়, ঘুমায়, কবিতায়-কবিতায়, গল্পে-গল্পে; তবুও দূরগামী চোখ কোনোকিছু ভুলে না------------!!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।