লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫
গল্প/কবিতা: ৬৩টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঈদ (আগস্ট ২০১৩)

পরমাসুন্দরী কন্যার ঈদ!
ঈদ

সংখ্যা

রীতা রায় মিঠু

comment ১  favorite ০  import_contacts ৪৪৪
ফোনটা যখন আসে, পরমা তখন ক্লাসে ছিল। ক্লাস চলাকালীন সময়ে ফোন ব্যবহার করা যায়না, প্রিন্সিপ্যালের নির্দেশ। স্কুলের সব শিক্ষককেই তা মেনে চলতে হয়, যদিও ক্লাস চলাকালীন সময়ে ছাত্রছাত্রীদের হাতের আঙ্গুলগুলো আই ফোন, গ্যালাক্সী, মটোরোলার স্ক্রীণে খুব দ্রুত চলাফেরা করতে থাকে। দেশটির নাম আমেরিকা, এদেশে ছাত্রছাত্রীদের বেলায় সবকিছু সাতখুন মাফ, শিক্ষকদের বেলায় প্রতি পদে পদে নিয়মের বেড়াজাল।


পরমার ফোন হাতব্যাগের ভেতর ভাইব্রেট এবং সাইলেন্স মোডে দেয়া থাকে, কেউ ফোন করলে রিং না হয়ে ফোন ভাইব্রেট করতে থাকে, হাতব্যাগে মৃদু কম্পণ বাইরে থেকেই বুঝা যায়। ক্লাস শেষে ব্যাগের ভেতর থেকে মোবাইল বের করে ভয়েস মেসেজ চেক করলো, ফারিয়া বলছে, “আন্টি কেমন আছেন আপনি? আমার শরীর খুব খারাপ, খুবই খারাপ আন্টি, আমি আর বাঁচবো ন-ন-ন-না!” এরপরই কান্নার শব্দ। পরমার নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার যোগাড়। এই মেয়েটিকে পরমা কখনও চোখে দেখেনি, ওর ছবিও দেখেনি, অথচ ওকে মেয়ে ডেকেছে, নিজের মেয়ের মতই ভালোবাসে।

পরমার তিন মেয়ে, আর ফারিয়া হচ্ছে চতুর্থ মেয়ে। ফারিয়ার সাথে আজ পর্যন্ত প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ হয়নি, কারণ মেয়েটি যে দেশে থাকে, সেখানকার সময়ের সাথে পরমাদের সময়ের পার্থক্য প্রায় চার ঘন্টা। এবং ফারিয়ার স্বামী অসীম কখন বাড়ী থাকে, কখন থাকেনা, এই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনা বলেই পরমা ফোন করেনা।

ফারিয়ার সাথে পরমার যোগাযোগের গল্পটি একটু অদ্ভুত ধরনের। একদিন পরমার স্কুলের অফিস সেক্রেটারী ইন্টারকমেই জানালো, পরমার জন্য একটি ওয়েটিং কল আছে। এই স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল খুব কড়া, শিক্ষকদের কাউকেই স্কুল চলাকালীন সময়ে নিজস্ব ফোন ব্যবহার করতে দেননা। সবার বাড়িতেই স্কুল অফিসের নাম্বার দেয়া আছে, অফিসে ফোন করলে ওরা ডেকে দেয়। অফিস সেক্রেটারীর কাছ থেকে ফোন কলের কথা শুনে পরমা একটু হন্তদন্ত হয়েই টিচার্স রুমের দিকে ছুটে গেল। ছোট মেয়েটার জ্বর দেখে এসেছে, টেম্পারেচার বাড়লো কিনা কে জানে! ওর বাবা অবশ্য ছুটি নিয়ে আজ বাড়ীতেই আছে। রিসিভার কানে লাগিয়ে খুব ব্যগ্রভাবেই পরমা বলল,
“হ্যালো, হ্যাঁ কি হয়েছে বলো, বাবলু’র জ্বর কি বেড়ে গেলো?”
পরমা চমকে উঠলো এবং খুব বিব্রতবোধ করলো যখন ফোনের ওপাশ থেকে একেবারে অপরিচিত কন্ঠে এক মেয়ে খাঁটি বাংলায় বলে উঠলো, “আমি কি পরমাসুন্দরী কন্যা’র সাথে কথা বলছি?”
‘পরমাসুন্দরীকন্যা’ নামটি একমাত্র ব্লগের পাঠকরা জানে। সেটাও আবার রান্নাবান্না’র ব্লগ, অনেকেই ওখানে রান্নার রেসিপি দিয়ে লেখা পোস্ট করে। পরমাও সেটা করে, তবে একটু ভিন্ন স্টাইলে লিখে ও। কিছুটা গল্পের আকারে রেসিপির বর্ণনা থাকে, অনেকেই ওর এই স্টাইল পছন্দ করে। ওর নাম পরমা সেন হলেও ও ‘পরমাসুন্দরী কন্যা’ নিকনেমে ব্লগে লিখে।

মেয়েটির কন্ঠস্বর অদ্ভুত মিষ্টি, প্রথম শব্দ শুনেই পরমা বুঝে নিয়েছে, বাচ্চা একটি মেয়ে।
পরমা বললো, “হ্যাঁ, আমিই পরমাসুন্দরী’ বলছি। তোমাকে তো চিনতে পারছিনা, তোমার নাম কি? আমার স্কুলের ফোন নাম্বার তো আমার পরিবারের সদস্যরা ছাড়া আর কেউ জানেনা। তুমি কি করে আমাকে খুঁজে পেলে”?
-আমার নাম ফারিয়া, আমি রান্নাবান্না ব্লগ পড়ে আপনার ঠিকানা বের করেছি। আপনাকে ফোন করেছি বলে কি রাগ করেছেন? আসলে আমি আপনার ফোন নাম্বার হাতে পেয়ে এত বেশী এক্সাইটেড ছিলাম, এই যে দেখেন, আমার হাতে শীতকাঁটা ফুটেছে। দেখেন দেখেন।“

পরমা হেসে ফেললো, বললো, ‘ফারিয়া, ফোনে তো ভিডিও সেট করা নেই, তোমার হাত দেখতে পাচ্ছিনা তো”।

ফারিয়া নামের সেই তরুণীর সাথে সেদিনই পরমার খুব ভাব হয়ে গেল। বেশ অনেকক্ষণ সময় ওরা গল্প করলো। কিন্তু পরমার খটকা লাগলো যখন ওর কাছে ওদের বাড়ীর ফোন নাম্বার চাইলো। ফোন নাম্বার চাইতেই ফারিয়া বললো,
“আপনাকে ফোন করতে হবেনা, সময় সুযোগ মত আমিই আপনাকে কল দিব।“
-আচ্ছা, ঠিক আছে বলে পরমা সেদিন ফোন রেখে দেয়।

দিন দশেক বাদেই ফারিয়া আবার ফোন করে, এবার অবশ্য পরমার মোবাইলে কল দেয়, এ গল্প সে গল্প করে, পরমাকে কি সম্বোধন করবে জানতে চায়। পরমার মধ্যে নাকি ও নিজের মা’কে খুঁজে পেয়েছে।রান্নাবান্না ব্লগে পরমাসুন্দরীর যত রান্নার রেসিপি পায়, সবগুলো ও ট্রাই করে। এমন কথা শুনে পরমা খুশীই হয়, তার নিজের তিন মেয়ে আছে, মেয়েগুলো লক্ষ্মী হলেও মায়ের কাছে কখনও রান্না শিখতে চায়না। খুশীর চাপে পরমাও একটু প্রগলভ হয়ে উঠে। ফারিয়াকে বলে, “তোমার আম্মুর কথা যখন মনে পড়বে, আমাকে ফোন করো, আর আমাকে আন্টি ডেকো”।

ভদ্রতাবশঃত তৃতীয় দিনে পরমাই ফোন করেছে, ফারিয়া ফোন ধরে হ্যালো বলেই বলল, “ আন্টি, আপনাকে ফোন করতে হবেনা, সুযোগ বুঝে আমিই আপনাকে ফোন করবো।“
পরমার খুব অহং এ লেগেছে, এ কেমন কথা, এতদূর থেকে একজন মানুষ ফোন করেছে, আর সাথে সাথে মেয়ে ফোন রেখে দিয়েছে। পরমা ঠিক করেছে, আর কখনও এই মেয়ের ফোন রিসিভ করবেনা। চেনাশুনো নেই, কোথা থেকে স্কুল অফিসের ফোন নাম্বার যোগাড় করেছে কে জানে, কোন দুরভীসন্ধি আছে কিনা, তাইবা কে জানে! পরমা ওর মোবাইল ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে ফারিয়ার ফোন নাম্বার মুছে দিল।

এরপর বেশ কিছুদিন কেটে গেলো, মাঝে মাঝেই ফারিয়ার কথা মনে পড়ে। ফোন নাম্বারটা মুছে দিয়ে ভুল করে ফেলেছে। এভাবে কিছুদিন পার হবার পর একদিন বিকেলের দিকে ফারিয়া বাগানে হাঁটছিল, ওর হাতেই ধরা ছিল মোবাইল, বেজে উঠতেই কলার আইডিতে ফারিয়ার নাম্বার উঠতে দেখে পরমা খুব খুশী হয়ে “ হ্যালো, হ্যালো, মামনি, ফারিয়া, তুমি কেমন আছো? এতদিন কল করোনি কেন?” ওপাশ থেকে ফারিয়া বলেছিল, “ আন্টি, আমার হাজব্যান্ড বাড়ীতে থাকলে আমি ফোন করতে পারিনা, ও পছন্দ করেনা”। তখন পরমা বলেছে, “এক কাজ করো, তোমার হাজব্যান্ডকে আমার সাথে আলাপ করিয়ে দিও, তাহলেই বুঝতে পারবে, আমি তোমাদের আন্টি হই”।

“না আন্টি, ও একটু অন্যরকম। ও চায় না আমি এখানে কোন বাঙালীর সাথে মেলামেশা করি। এমনকি আমাকে দেশেও ফোন করতে দিতে চায় না। আম্মুর কাছে ফোন করলে ও পাশে বসে থাকে। তাই আম্মুর সাথেও কথা বলতে পারিনা। ঐজন্যই সেদিন আপনার ফোন রেখে দিয়েছিলাম। ওর তখন অফিস থেকে ফেরার সময় হয়ে গেছিল।


সেদিন ফারিয়া অনেকক্ষণ গল্প করেছে। ওর বর্তমান বয়স বাইশ বছর, বিয়ে হয়েছে তিন বছর আগে, অর্থাৎ ঊনিশ বছর বয়সে। বিয়ের পর দেড় বছর ও দেশে ছিল আর ওর স্বামী ছিল কানাডাতে। ভিসা পাওয়ার পর ফারিয়া এদেশে আসে। কানাডার মন্ট্রিয়লে ওদের পরিচিত অনেক বাঙ্গালী থাকলেও ফারিয়ার কোন লাভ নেই। ফারিয়ার স্বামী নাকি ফারিয়াকে খুব বেশী সাবধানে রাখে। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই, ইমেইল অ্যাকাউন্ট নেই, টিভিতে বাংলা চ্যানেল নেই, এভাবেই ফারিয়াকে দিন কাটাতে হচ্ছে। দেশে মায়ের সাথে কথা বলা ওর স্বামী পছন্দ করেনা, তার ধারণা মা তাঁর মেয়েকে কুবুদ্ধি দেবে।

আসলে ফারিয়ার স্বামীর এটা দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বৌয়ের সাথে ডিভোর্স হয়ে গেছে ঠিকই, তবে ছাড়াছাড়িটা খুব একটা আন্তরিকভাবে হয়নি। প্রথম বউ আমেরিকায় থাকে, প্রায় প্রায় প্রাক্তন স্বামীকে ফোন করে কান্নাকাটি, হুমকী ধমকী দিত। সেই সময় ফারিয়ার স্বামী আমেরিকা ছেড়ে কানাডাতে চলে যায় এবং দেশে গিয়ে ফারিয়াকে বিয়ে করে নিয়ে আসে। ফারিয়ারও একটু সমস্যা আছে, ওর একটা বিয়ে ঠিক হয়েছিল, কিন্তু যৌতুকের প্রশ্নে আপোষ না হওয়াতে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় ফারিয়ার মা বাবা ভেবেছেন, মেয়ের বুঝি আর কোনদিনই বিয়ে হবেনা। খুব দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
তখনই অসীম দেশে গিয়েছিল, কোন এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ফারিয়ার সন্ধান পায়, ফারিয়াকে বিয়ে করে এনে পুরোপুরি পুতুলের মত সাজিয়ে রেখেছে। কারো সাথেই মিশতে দেয়না, শুধু ছুটির দিনে সে বউকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে বের হয়। আম্মু আর আব্বু, দুজনেই নাকি ফারিয়াকে বুঝায়, সব ঠিক হয়ে যাবে, ভুলেও যেন মন খারাপ না করে, কোন রকম উলটা পালটা সিদ্ধান্ত না নিয়ে ফেলে। ফারিয়াও তাই আম্মুকে কিছু বলেনা, এবং উলটো সিদ্ধান্ত নিতেও চায় না।

এদিকে সেদিনের কান্না ভেজা কন্ঠে ‘আমি আর বাঁচবোনা’ শুনেই পরমার খুব খারাপ লেগেছে, কিন্তু কি আর করা, ওর বাড়ীর নাম্বারে ফোন করা যাবেনা। ভয়েস মেসেজে ফারিয়া এটাও বলেছিল, “আন্টি ও ছুটি নিয়েছে, এখন বাড়ীতে থাকে, তাই আমিও কল করতে পারবোনা, আপনিও ভুল করে আমাকে কল দিয়ে ফেলবেননা। আমি আপনাকে ঈদের আগে ফোন করবো”।
পরমা ভাবে, ঈদ তো অনেক দেরী, ঈদের ছুটিতে কে কোথায় বেড়াতে চলে যাবে কে জানে”। মেয়েটা এভাবে কিভাবে জীবন কাটাবে!

গেল শনিবার ফারিয়া আবার ফোন করেছে, আন্টি, আমার অসুখ সেরে গেছে।

-তাই নাকি? খুব খুশী হলাম আম্মু। তুমি কি রোজা রাখতে পারছো?
-হ্যাঁ আমি রোজা রাখি। তবে এখন দিন অনেক বড় তো, তাই কষ্ট হয়।
-ঈদের কেনাকাটা হয়ে গেছে?
-হ্যাঁ, আমাদের এখানে ‘উৎসব’ নামে একটা দোকান আছে, সেখানে একটা শাড়ী অর্ডার দিয়েছে ও।
-বাহ! ভালো তো, নতুন শাড়ী পড়ে ছবি তুলে আমাকে পাঠিও।
-কীভাবে পাঠাবো আন্টি? আমার তো ফেসবুক নেই, ইমেইল নেই, কি করে পাঠাবো?
-থাক, আমাকে পাঠাতে হবেনা, আম্মুকে পাঠিও, একটা মাত্র মেয়ে, মায়ের কোলছাড়া হয়ে কতদূরে পড়ে আছো
-আম্মুকে কিছুই জানাবোনা, আম্মু কষ্ট পাবে। আমি তো শাড়ী পড়ে কোথাও যাবোনা, ও আগেই বলে দিয়েছে, শাড়ী পড়ে ওর আশেপাশে ঘুরঘুর করতে হবে , ঈদের দিন সেমাই রান্না করবো, পোলাও করবো, তন্দুরী চিকেন করবো আর ও চিকেন গ্রীল করবে। ব্যস, দুজনে ঘরে বসে ঈদ করবো।

-সেকি? তোমাদের কমিউনিটির বাঙালীরা ঈদ পুনর্মিলনী করেনা?
-আমি তো কিছু জানিনা, ওর আগের বউ নাকি ওর সাথে চিটিং করেছে, বাইরে ঘরে সবার কাছ থেকে বুদ্ধি ধার করে আনতো আর ওকে জ্বালাতো, তাই ও আমাকে কারো সাথে মিশতে দেয়না। ভাবে আমিও খারাপ হয়ে যাব।
-ফারিয়া, কাটুক, তোমার প্রাণপ্রিয় মানুষটিকে ঘিরেই তোমার ঈদ আনন্দ কাটুক, আনন্দে থাকাটাই বড় কথা।
-আমি আনন্দে নেই আন্টি, একটা ঘরের মধ্যে, অনেক দামী সোফা সেট, অনেক দামী বিছানা, ৬০ইঞ্চি স্ক্রীন এল ই ডি টিভি, সব আছে, আরও অনেক কিছু আছে, আমার হাজব্যান্ডও আছে, কিন্তু আমার কেউ নেই। ঈদের দিনে আমার শুধু দেশের কথা মনে পড়ে, ওর সামনে কাঁদতেও পারিনা, ও বুঝতেই চায়না, আমি একা একা থেকে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছি।
-মামনি, ফারিয়া, তুমি একা নেই, আমি আছি, তোমার যখন খারাপ লাগবে, আমাকে কল দিও, আমার শত ব্যস্ততা থাকলেও আমার মেয়েটির সাথে আমি কথা বলবো।
-আন্টি, আপনি দেখতে কেমন?
-তুমি দেখতে যেমন, ঠিক তেমন। মা তো মেয়ের মতই দেখতে হয়, অথবা মেয়ে হয় মায়ের মত। আমরা দুজনে দুজনের মত, ঠিক আছে! ঈদ মোবারক ফারিয়া।
-ঈদ মোবারক আন্টি, আমার পরমাসুন্দরী আন্টি।
-হ্যাঁ, তুমিও আমার পরমাসুন্দরী কন্যা!

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • জায়েদ  রশীদ
    জায়েদ রশীদ কী সুন্দর... সাবলীল লেখা আপনার! যেন চরিত্রগুলো নিজের কাছে পিঠেই কথা বলছে...। ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
    প্রত্যুত্তর . ৮ আগস্ট, ২০১৩

advertisement