বাবার ভালোবাসা

বাবা (জুন ২০২৬)

মারুফ আহমেদ অন্তর
  • 0
  • 0
বুকের ভেতর জড়িয়ে রাখা এক টুকরো সুখ,
সবচেয়ে বেশি শান্তি দেয় বাবার ওই মুখ।
শত কষ্টের মাঝেও যিনি হাসেন অবিরল,
সব বিপদে আগলে রাখেন হয়ে চোখের জল।
বটবৃক্ষের মতন যিনি ছায়া দিতেন রোজ,
কেউ না নিক, বাবা আমার ঠিকই রাখেন খোঁজ।
নিজের সুখের আহুতি দিয়ে গড়েন আমার ঘর,
দুনিয়ার সবাই পর হলেও বাবা তো নয় পর।
ক্লান্ত পায়ে ফেরেন ঘরে দিন ফুরানোর শেষে,
সব বেদনা ভুলে যান তিনি আমায় ভালোবেসে।
কপালে হাত বুলিয়ে যখন বলেন, "ভয় কী আর?"
মুহূর্তেই কেটে যায় মনের সব অন্ধকার।
বাবার কাঁধের ওপর চড়েই দেখেছি এই বিশ্ব,
তিনি ছাড়া এই ভুবনে আমি যে বড় নিঃস্ব।
হাতটি ধরে শিখিয়েছিলেন প্রথম হাঁটার পথ,
বাবার দোয়ায় পূরণ হবে আমার মনোরথ।
আকাশের চেয়েও বিশাল বড় বাবার ওই মন,
বাবা তুমিই আমার জীবনে সবার সেরা ধন।
বাবা আমার চলে গেছেন এই পৃথিবী ছেড়ে,
সবাই আছেন বাবাই নেই আমার ছো্ট্ট ঘরে।
বাবাহীন পৃথিবীটা ধু ধু মরুভূমি,
এখন আমি বুঝতে পারি কী হারালাম দামী।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

“বাবার ভালোবাসা” কবিতাটি মূলত একজন বাবার নিঃস্বার্থ ত্যাগ, স্নেহ, দায়িত্ববোধ ও সন্তানের প্রতি গভীর মমতাকে তুলে ধরে। কবিতার প্রতিটি লাইনে বাবার নীরব সংগ্রাম, সন্তানের সুখের জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়ার অনুভূতি ফুটে ওঠে। বিষয়বস্তুর সাথে কবিতার সামঞ্জস্যতা অত্যন্ত সুন্দরভাবে রক্ষা করা হয়েছে, কারণ পুরো কবিতাজুড়ে বাবার ভালোবাসার বাস্তব ও আবেগময় দিকগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এতে পাঠকের মনে বাবা সম্পর্কে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগ আরও গভীর হয়ে ওঠে।

১৬ নভেম্বর - ২০১১ গল্প/কবিতা: ৯২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বিশালতা”
কবিতার বিষয় "বিশালতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬