অংশুমান উদয়ের সাথে খোপর থেকে
লাল মুরগী, সাদা হাস ও ধূসর বাচ্চার মিছিল নামে
আমার মায়ের হাতের কাছে।
খাঁচার ফাঁকে টিয়াপাখিটা রাঙা ঠোঁট বের করে-
আথালের গরু-ছাগল প্রতীক্ষার চোখ মেলে তাকায়
খড়ের গাদার দিকে।
মায়ের ভালোবাসার কাছে তারা পোষ মানে আমৃত্যু-
বিড়ালটা মিয়াও মিয়াও করে ঘর থেকে নেমে
রৌদ্র পোহায় সিঁড়িতে।
কবুতরগুলো বাকুম বাকুম সুরে অর্ভথ্যনার দুয়ার খুলে
দেয় নীল আকাশে উড়াল-
বৃক্ষের ফুলগুলো ঝরে মায়ের হাতের মমতার আকাঙ্ক্ষায়
পাতাগুলো দৃষ্টি মেলে দেখে আমার মায়ের অভিলাষী আশ্রম।
দোয়েল পাখিটা নেবু, জামরুল, ডালিম ও পেয়ারা গাছের শাখায়
নাচে অবিরাম। আর,
এসবেই সাঁজে শৈল্পিক বাঙলার এক-একটি কবিতা,
আমার মায়ের প্রভাতী তোরণ।