শেষ বিকেলে বৃষ্টি থামতেই
মেয়েটি একছুটে বাইরে!
হাটতে হাটতে মিলিয়ে যায় রাস্তায়..
পেছনে ফেলে বারান্দায় মায়ের চিন্তিত চোখ!
হাটতে হাটতে শেষ হয় ব্যস্ত রাস্তা,
বাঁশের সাকো পেরিয়ে সবুজ মেঠোপথ..
মেয়েটি হাটতেই থাকে আপনমনে!
আচমকা থমকে দাঁড়ায় অচেনা কোথাও
পৃথিবীতেই আছে তো সে?
আদিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠে
একলা মেয়েটি,
তার চারপাশে অসীম শূন্যতা..
আকাশে চোখ পড়ে যায়,
কালচে মেঘে অপার্থিব বিষণ্ণতা!
সম্মোহিত মেয়েটি ভূলে যায়
অর্থহীন অতীত, ভ্রান্ত বর্তমান..
দু'তিনটা বখাটে ছেলে তাকে দেখে
বিশ্রী হেসে এগিয়ে আসে!
মেয়েটি শূন্য চোখে তাকায় একবার..
ছেলেগুলো শিউরে উঠে
দ্রুত হেটে চলে যায়!
অবাক হয় মেয়েটি..
কি এমন ছিলো তার চোখে?
আবার টুপটাপ বৃষ্টি নামতেই
সে বাড়ীর দিকে পা বাড়ায়..
পেছনে ফেলে আসে
প্রকৃতির অসমাপ্ত রূপকথা!
তার এখন সময় হয়েছে
বন্দী বালিকা হবার!
মেয়েটি হয়তো কোনদিন জানবেনা
ছেলেগুলো তার চোখে নয়,
তাকিয়েছিল প্রকৃতির চোখে..
তারা দেখতে পেয়েছিল
একজন মানবীর চোখে মিশে গেছে
প্রকৃতির সবটুকু তীব্রতা...!