বর্ষা তোমার কি অভিমান মোর সাথে? কোন দ্বিধাতে ছোঁওনা মোরে সুপ্রাতে! তোমার পরশ পাবো বলে সব ছাড়ি, তার পরেও কেন তুমি দাও আঁড়ি! শুষ্ক কন্ঠ বুক ফেঁটে যায় তৃষ্ণাতে, তাও আাসোনা জ্ঞাতে কিবা অজ্ঞাতে! কেন তুমি এমন করো, সদাই পর! বর্ষা তুমি শান্ত না কি ভয়ংকর!
যা হও তুমি এই তৃষিত তোমায় চায়, যাক নিশিদিন থাকবো তোমার প্রতিক্ষায়। আসবে তুমি, আসবে জানি আজ বা কাল, এখনইতো সেই সে সময় বর্ষাকাল। মেঘ হয়ে ক্যান্ অমন করে যাও উড়ে! দিয়ে কিছু শীতল বাতস ফুরফুরে! আসো না ক্যান্ মাটির কাছে জল হয়ে! তোমার পরশ ভিতর-বাহির দেয় ধূঁয়ে।
আসবে কখন? প্রহর যেন কাটছে না তোমায় ছাড়া হৃদয় কিছুই চাইছে না। মেঘ হয়ে শুধু উপড় দিয়ে যাও উড়ে, শুধুই কেবল আমায় ঠেলে দাও দূরে- এই অভিমান সইছে না মন কিচ্ছুতেই তোমার-আমার মিলন কেবল দুরত্বেই! ডাকছি কাছে, এসো মোরে যাও ছূঁয়ে, শুদ্ধ করে আমায় তুমি দাও ধূঁয়ে।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
তানভীর আহমেদ
বেশ কয়েকদিন পরে একটি মনমতো কবিতা পড়লাম বলে হৃদয় জুড়িয়ে গেল। ধন্যবাদ প্রদ্যোত ভাই এমন একটি অসাধারণ নূপুর-নিক্কণ ছন্দে ঝংকার তোলা কবিতা উপহার দেওয়ার জন্যে। আশা করি এই ধারাবাহিকতা পরবর্তী কবিতাগুলোতেও বজায় থাকবে। ও হ্যাঁ, প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম।
রওশন জাহান
কবিতার মূলভাব বেশ সুন্দর , কিছু কিছু লাইনও মনমুগ্ধকর কিন্তু কেন জানি সব মিলিয়ে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেনি. এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত .সামনে আরো ভালো লেখা আশা করি.
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।