মায়াবতী

কষ্ট সংখ্যা

রওশন জাহান
  • ৮২
  • 0
  • ৩২
সারারাত বৃষ্টি হয়েছে । যদিও ভোর তবু সূ্‌র্য উঠবে বলে মনে হচ্ছে না । অস্হির মেঘেরা এখনো চমকিত বিজলির আলোয় নদীর পাড়ের লাল কৃষ্ণচূঁড়ায় আগুন জ্বেলে যাচ্ছে । হোসেন আলী নৌকা নিয়ে ঘাটে বসে আছে সেই কাক ডাকা ভোর হতে । সে জানে আজ লীলা আসবে । যদি ঘাটে নৌকা না পেয়ে শেষে ভিজতে হয় ! লীলার মামা কাল রাতেই বাজারে বলেছিল লীলার গায়েঁ ফেরার কথা । আরো বলে দিয়েছিল ঘাটে আসার পর হোসেন যেন তাকে খেয়াঁ পার করে দেয় তা সে যত বৃষ্টিই হোক না কেন ।

সারাদিন পার হয়ে গেল । এখন সাঝঁবেলা । অনেকবার ট্রেনের শব্দ শুনে হোসেন আলী আশায় থেকেছে এই বুঝি এলো । কিন্তু না শুধু আকাশটাই মেঘে ঢেকে যাচ্ছে ক্ষনে ক্ষনে ।

মাঝে মাঝে কিছু মূহুর্ত খুব চেনা মনে হয় । মনে হয় আগেও বুঝি দেখেছি । আজ ঘাসের ঝাকাঁ নিয়ে রমিজের বাপকে রাস্তা পার হতে দেখে কেন জানি সেই একটা সময়ের কথা মনে পড়ে গেল ।
লীলাবতী ছিল এক মায়াবতী কিশোরী । চেনা অচেনা কারো জন্য এত মমতা কারো বুকে থাকতে পারে কেউ বিশ্বাস করবে না লীলাকে না দেখে । এই রমিজের বাপকে এক প্রচন্ড বাদলে ক্ষেতে পাট কাটতে দেখে লীলার চোখ ছলছল হয়ে গিয়েছিল । গুলতি ছুঁড়ে পাখি শিকার করতো হোসেন আলী আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা । লীলা পেছন পেছন ঘুরত । শুধুমাত্র আহত পাখিগুলিকে যদি শিকারিদের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিয়ে আসা যায় এই আশায় । বেশিরভাগ সময় সফল হতো না, তবু যদি কখনো ছেলেদের ফেলে দেওয়া আহত কোন পাখি পেয়ে যেতো, পরম মমতায় সেবা করে আকাশে উড়িয়ে দিত । সে কত বছর আগের কথা ! লীলা ছিল তার খেলার সাথী ।

লীলা কি এখনো সেই মায়াবতী আছে ? নাকি কঠিন জীবন যুদ্ধে লাবণ্যতা হারিয়ে হয়ে উঠেছে খুব সাধারন এক রমণী ? এর জবাব মাঝি হোসেন আলীর অজানা ।

লীলা এই কংস পাড়ের মেয়ে নয় । অন্য কোন গাঁয়ে তার ঘর । তবু শৈশব পার হবার পর থেকে সে এই গাঁয়েই থাকতো তার মামাদের সাথে । মামারা প্রভাবশালী । কেন লীলা বাবা মাকে ছেড়ে এই জলেশ্বরী গাঁয়ে থাকে কেউ বুঝতে পারেনি ।
হোসেন আলী আর লীলা একই পাঠশালায় পড়তো । নদীর অপর পাড়ে । ঝড়, বাদল,কড়া রোদ কোন দিনই লীলা পাঠশালা বাদ দিত না । অনেকদিন দেখা যেতো আর কেউ নেই ঘাটে, লীলা একা বই নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে খেঁয়া পার হতে ।
কোন কারনে বাবা নৌকা চালাতে না পারলে হোসেন আলী সেদিন বাবার নৌকা চালাতো একাই । হয়তো লীলাকে পৌছে দেবার আগ্রহে ।
আজ সেই আগের মতই হোসেন আলী বসে রইল লীলার অপেক্ষায় ।
কংস নদীর এক মোহনায় জলেশ্বরী গ্রাম । সেই গ্রামের নদীর মাঝি হোসেন আলীর বাবা । অভাবের সংসার । অনেকগুলি সন্তান । পড়াশুনা কেউই তেমন করতে পারেনি । হোসেন সরকারি পাঠশালায় যায় আসে । এক সময় তাও বন্ধ হয়ে গেল লীলার মতই । কেটে গেল আরো কতগুলি বছর ।

হোসেন আলী তখন পুরোদস্তর মাঝি । একদিনের কথা ।
নৌকা চালাচ্ছিল সে । নৌকা ভরা যাত্রী । লীলাও আছে নৌকায় । হয়তো কোথাও যাচ্ছে । সে মাঝে মাঝে তাকাচ্ছে লীলার দিকে । লীলা এক কোণে ঝুঁকে পানিতে হাত ডুবিয়ে রেখেছে । একটা লাল কৃষ্ণচূঁড়া ফুল তার হাত ছুঁয়ে ভেসে যাচ্ছিল দূরে । হাত বাড়িয়ে ধরতে গেল সে । ঝপ করে শব্দ হল পানিতে । হোসেন আলীর লগিটাও পড়ে গেল একই সময় । লীলার বসে থাকার জায়গাটা একেবারে খালি । মাঝ নদীতে লীলার মুখটা একবার ডুবছে আর একবার ভাসছে ।
হোসেন আলী ঝাঁপিয়ে পড়ল নদীতে । কিছুক্ষন পর নৌকাতে তুলে আনল লীলাকে । একবার মাঝির দিকে তাকিয়ে তার শরীরটা কেঁপে উঠল থরথর করে । তারপর অচেতন ।
এরপর আর অনেকদিন দেখা নেই লীলার । একদিন লীলার মামার মুখে শুনল বিয়ে ঠিক হয়েছে লীলার । আগামী শুক্রবার বর আসবে । এর পরদিন ভোর বেলায় লীলা নৌকার সামনে এসে দাড়াঁলো ।
“মাঝি, আমারে তুমার সাথে রাখবা ? ”
বলে কি এই মেয়েটি ! হোসেন আলী অনেকক্ষন কি জবাব দেবে ভেবে পায়না । লীলার কথার মানে সে ধরতে পেরেছে । কৈশরের অধরা ভাল লাগা আজ বাস্তব হয়ে সামনে ধরা দিয়েছে । ইচ্ছে হলেই হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করা যায় সে মায়াবতী হাত । তবু সে নিজেকে বুঝ দিতে পারে ঠিকই ।
“ তরে আমি রাখমু কই ? আমার অবস্থা তো তুই ভাল কইরাই জানস । আর তর মামারা ?”
লীলা উত্তর দেয় “ তাইলে আমারে নিয়া দূরে কোথাও চলো । এই গেরামে থাকলে আমার মামারা তুমারে কোন দিন মাইন্যা নিব না ।“
হোসেন আলী ভেবে বলে, “ আইজ না, তুই কাইল আসিস । তরে নিয়া আমি পাড়ি দিমু এই কংস । তুই শুধু আমার সাথে থাকবি । ”
“আমি কাল ঠিক এই সময় আসমু । তুমি তৈরি থাকবা ।”
ত্রস্ত পায়ে চলে যায় লীলা । চারিদিক থেকে অন্ধকার কেটে যাচ্ছে, হয়তো হোসেন আলীর জীবনেরও, তাই ভাবে মাঝি বসে নৌকার গলুইয়ে ।

পরেরদিন আজানের আগে নৌকা নিয়ে বসে থাকে মাঝি । আজ লীলাকে নিয়ে অনেকদূর চলে যাবে সে, কংস নদীর অপর পাড়েঁ ।
আস্তে আস্তে ভোর হল, কংসের ঘোলা পানিও চোখের সামনে পরিষ্কার দেখা গেল । তবু লীলাবতীর দেখা নেই । খেয়া পারাপারে যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে, কয়েকজন অপেক্ষা করে আছে কূলে । মাটির হাড়িঁ বোঝাই একটা নৌকার মাঝি গান গাইতে গাইতে চলে গেল ঢেউ তুলে তাকে পাশ কাটিয়ে । যাত্রীরা অস্থির হয়ে উঠল । তবু লীলা এলো না । কয়েকদিন পর এলো লীলার বর ।

আজ এত বছর পর লীলা দেখা দিল । দূর থেকে এতক্ষন হোসেন আলী খেয়াল করেনি কে যেন এসে নৌকার একদম পাশ ঘেষেঁ দাঁড়িয়ে আছে । মাথায় টেনে ঘোমটা দেয়া মুখটা দেখা যাচ্ছে না । তবু হোসেন ঠিক অনুভব করল লীলার অস্তিত্ব । একা । বৈধব্যের বেশে !
শক্ত পায়ে নৌকায় এসে বসল সে নারী । হোসেন আলী ঠাহর করতে পারছে না একি লীলা নাকি অন্য কেউ ।
রমণী আদেশের সুরে বলল“ মাঝি নাও ছাড়ো !” এই কথা বলার পর আবার বৃষ্টি নামল ।
মাঝি তাড়াতাড়ি নৌকা ছাড়ল ।
মাঝ নদীতে যাওয়ার পরই তুফান শুরু হল । অসময়ে । সামনের কিছুই দেখা যাচ্ছেনা । পাটাতনে পানি জমছে । মাঝি পানি সেঁচতে নৌকা থামালো । আরোহী ঠান্ডায় কাঁপছে ঠক ঠক করে । মাঝি ডাটঁ ভাঙ্গা একটা ছেঁড়া ছাতা মেলে ধরল যাত্রীর মাথার উপর ।
এক দমকা বাতাস সাথে সাথে তা উড়িয়ে নিয়ে ফেলল মাঝ দরিয়ায় । সাথে ভেসে চলল অসময়ের ঝড়ে ছিন্ন হাওয়া কিছু কূষ্ণচূঁড়ার লাল ছেঁড়া পাপঁড়ি ।
ঢেউ উঠছে এতকালের শান্ত নদীতে।নৌকা প্রায় ডুবু ডুবু । পানি সেচে কুলিয়ে উঠতে পারছে না মাঝি । প্রচন্ড পিপাসায় বুকটা ফেটে যাচ্ছে । বসে থাকা যাত্রীটি নির্বিকার ।
কোন উপায়ান্তর না দেখে হোসেন আলীর অভিমান গাঢ় হয়ে উঠল । একেবারে তার পাশে গিয়ে বসে পড়লো ।
“লীলা, আমারে তুই পর কইরা দিলি ক্যান ? আইজ জবাব দে ! আমি কি দোষ করছিলাম ?”
দস্যি বাতাসে আবরন সরে গিয়ে লীলার মুখ দেখা গেল ।
হোসেনের গলা ধরে এলো । “কথা যদি নাই রাখবি তবে সেই কথা দিলি ক্যান ? আমি বিশ্বাস করছি তরে, তাই তুই আমারে এত কষ্ট দিলি ?” আর কিছু বলতে পারল না সে ।
লীলার ভাবালেশহীন অভিব্যক্তির জায়গায় দেখা দিল কৈশরের মায়াময় ছায়া । সেই মায়াবতী জবাব দিল আজ এত বছর পর “ তুমি যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান । আর আমি ...।“
অবাক বিস্ময়ে হোসেন কথা বলতে ভুলে গেল ।
সেই মায়াবতী বলে চলল এক অমোঘ সত্যি যা এতদিন সংগোপনে লুকিয়ে রেখেছিল বুকের খুব গভীরে ।
“আমি নিজের গ্রামে থাকতে পারি নাই । সবাই আমারে রাজাকারের মেয়ে বইলা গাল দিত । তাই মামার বাড়িতে থাকছি । তুমার সাথে যাইবার আগের রাইতে মামার কাছে তোমার বৃত্তান্ত জানতে চাইলে শুনলাম তোমার বাবা এই দেশের জন্য যুদ্ধ করছিল । এতদিন এই গায়েঁ থাকার পরও আমি জানতে পারি নাই । আমরা সবাই যেন ইচ্ছা কইরা ভুইল্যা রইছি সেই সত্যটা । তুমিই কও কয়জন মানুষ পারে নিজের পরাণ তুচ্ছ করতে দ্যাশের লাগি । আর আমি তুমার সেই বাবারে একটু সম্মান কি দেখাইতে পারি না ? তাইতো আমি তুমার কাছে আসি নাই । তুমি রাজাকারের মেয়ের লগে ঘর বাধঁলে তুমার বাবায় তো কষ্ট পাইত, কও পাইত না ?”

লীলার প্রতি এত বছরের জমে উঠা অভিমানেরা আজ ডানা মেলল কংস নদীর আকাশে । আর অজানা সেই রাজাকারের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণায় মন ভরে উঠল তার ।
লীলার মুখটা এখন দেখাচ্ছে সেই কিশোরীর মত দূর শৈশবে যে ডানাভাঙ্গা পাখিদের পালকে মুখ লুকিয়ে কাঁদত তারই বেদনায় ।

শ্রাবনের ধারা আরো মুষলধারে ঝরছে । সাথে লাল ফুলগুলি । কৃষ্ণচূঁড়া গাছটি বুঝি রিক্ত হয়ে যাবে এই শ্রাবনেই । লীলা দুহাতে মুখ ঢেকে কাদঁছে । তার অশ্রু দেখা যাচ্ছে কিন্তু বৃষ্টির জল মাঝির চোখের পানি মুছে দিচ্ছে ।
নৌকাটা দুলেই চলেছে ক্রমাগত । পানি বাড়ছে পাটাতনে । যেকোন সময় তাদের নিয়ে ডুব দিবে কংসের অথৈ জলে । এত কিছুর পরেও কেন যে পরদেশী মেঘগুলি দল বেধেঁ জড়ো হচ্ছে এক মায়াবতীর আকাশে!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
আরমান হায়দার আপনার গল্পটি পড়ার আগ পর্যন্ত আমার ধারনা ছিল প্রিয়ার চাহনি সংখ্যার সব লেখা আমি পড়েছি। কিন্তু এখন দেখছি একটি ভাল গল্পই পড়া হয়নি। অসম্ভব সুন্দর আপনার গল্প। গল্প বলার ঢংটিও সুন্দর। শুভকামনা আপনার জন্য । কিন্তু চিন্তায় পড়ে গেলাম। কিভাবে চোখের আড়ালে থাকা গল্প-কবিতাগুলো পড়া যায়!
রওশন জাহান গল্পটি প্রিয়ার চাহনি সংখার নয় । কষ্ট সংখ্যার। তবু পড়েছেন মনে করে এতেই আমার সার্থকতা।
রওশন জাহান মোঃ ইকরামুজ্জামান , আপনার ভালো লাগায় আমার লেখনি সার্থক . আপনার শুভকামনা আমার পাথেয় হয়ে থাকলো.
শিয়াবুর রহমান আপনার গল্পটি সুন্দর। আমার একটা জিজ্ঞাসা ছিল - গল্পের কংস পাড় গ্রামটি কি সত্যি কোনো গ্রাম নাকি কাল্পনিক। জানালে একটা উপকার হতো।
রওশন জাহান md siful islam simum , অসংখ্য ধন্যবাদ.
রওশন জাহান Shahnaj Akter , আপনার মন্তব্য আমাকে আরো সাধারনভাবে লিখতে প্রেরণা যোগাবে.
রওশন জাহান ahmad mukul , আমাদের দেশের নদীগুলির নাম এত সুন্দর যে মনে হয় সবগুলি নদী নিয়ে সারাজীবন লিখলেও আমার ভালোলাগা শেষ হবেনা. আর আমি দুই রঙে বয়ে যাওয়া মেঘনা পারের মেয়ে.
মোঃ ইকরামুজ্জামান (বাতেন) মাশাআল্লাহ আপনার মত একজন স্বনামধন্য লেখিকার লেখা পড়ে নিজেকে অনেক সুখী মনে করছি । আপনার গল্পটি আমার কাছে অনেক অনেক ভালো লেগেছে, দোয়া করি আল্লাহ তা'য়ালা আপনাকে সকল প্রকার বালা মসিবত থেকে হেফাজত রাখুক । আমীন!! ছুম্মা আমীন!!!
Abu Umar Saifullah ভালো হলে ও শেষে পড়লাম বলে দুখিত
শাহ্‌নাজ আক্তার সাধীনতার এত বছর পরে ও আমরা রাজাকার দের বিচার করতে পারিনি , তবে লীলা যে সম্মান দেখিয়েছে একজন মুক্তিজধ্হার সন্তানের প্রতি তা বিরল; কিছু নাটকীয়তা আছে গল্পে , সেটুকু বাদ দিলে অসাধারন ,.............
আহমাদ মুকুল চাকরিসূত্রে কংস সোমেশ্বরী নদীসহ হাওর এলাকায় অনেক ঘুরেছি। তোমার গল্পে এই এলাকাগুলো বার বার আসে। ওখানকার মেয়ে বুঝি? ঐ অঞ্চলের মতই সুফলা আবার ঝঞ্ঝামূখর তোমার রচনাগুলো।
রওশন জাহান জুয়েল দেব , আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমার লেখনি সার্থক .

২৪ জানুয়ারী - ২০১১ গল্প/কবিতা: ২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বাংলা - আমার চেতনা”
কবিতার বিষয় "প্রেম”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জানুয়ারী,২০২২