বর্ষা আসে নতুন রূপে বিজলী চমকায় কেশে নামলো পরী আকাশ থেকে লাল আগুনে ভেসে। মাটির বুকে বৃষ্টির ফোটা মেঘের পিঠে নিশান ফসল এবার আসবে ঘরে উঠলো হেসে কিষাণ। বর্ষার পানি পেয়ে আজ গাছ-পালা সব দাঁড়িয়ে মাঠে নামে কৃষক সকল বাড়ী ঘর সব ছাড়িয়ে। কেয়া কদম পুকুর পাঁড়ে নদী ভরা বান তুলতে ঘরে শস্য ফসল বর্ষাকালের দান। বৃদ্ধি পেয়ে বর্ষার পানি ভরল নদীর তীর ঘরে বসে নববধূ রাঁধে পায়েস ক্ষীর। আমার দেশের কানায় কানায় নব ফসল ফলে বাংলার মাটি গা ভিজিয়ে নেয় বর্ষার জলে। প্রতিদিনই বর্ষরা এসে সব করে দেয় কালো ঘন কালো বর্ষরা নামে লাগে নাতো ভালো। টুপটাপ বর্ষার বর্ষণে কোলা ব্যাঙের ডাক হুতুম পেঁচার ওড়া উড়ি শেয়ালে দেয় হাঁক। বর্ষার রাতে সব কিছু হয়ে পড়ে চুপ অঝর ধারার বর্ষার তখন ধরে আরেক রূপ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সূর্য N/A
মাঝে মাঝে খুব অবাক হই। আমাদের অনেকের ভেতর গোড়ামীর একটা অভ্যাস আছে। আর যারা মসজিদে ইমামতি করছেন- হয় আমরা তাদের অথবা তারা আমাদের কাছ থেকে একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করি। আপনি আমাদের মাঝে এসেছেন, লিখছেন, অন্যদের লেখাগুলো পড়ছেন আমার খুব ভাল লাগে। আপনি সামনে এগিয়ে চলুন, পাশে থাকবো সবসময়..........
ফয়সাল আহমেদ bipul
মোঃ ইকরামুজ্জামান আমি আপনাকে মন থাকে সাগত জানাস্ছি l আমাদের নামাজ পরা একজন মুসলমান হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ l আপনাকে দেখে অনেকেই অবাক হবে l
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।