মা তুমি কোথায় মা?
তোমার মুখখানি আজো মনের ঘরে হাতরাই
কই তোমার দ্যাখা তো পাই না
তাহলে কি তুমি নেই?
হারিয়ে গেছ আমার মন থেকেও?
ঝাপসা হয়ে গ্যাছে তোমার ছবি আঁকা সেই ক্যানভাসটা
কিন্তু এরকম তো কথা ছিল না
কথা ছিল তুমি আমার বন্ধু হবে
আমার সাথে হাসবে খেলবে আমাকে আদর করবে
ঠিক রাহুলের মায়ের মত
তুমি কই মা
তোমার জন্য কাঁদতে গেলে চোখে পানিও আসে না
আসবে কি করে, চোখের পানি যে কবেই শুকিয়ে গ্যাছে
এখন আর কান্না আসে না
তুমি কি তারা হয়েও আমার সাথে কথা বলতে পার না?
স্বপ্নেও তো আস্তে পার
আমার কোন দুষ্টুমির সাজা দিচ্ছ আমাকে মা?
জানো স্কুল থেকে ঘরে আসলে কেউ আমার ঘাম মুছে দেয় না
তোমায় একটিবার দ্যাখার জন্য কত ইচ্ছা হয়
তা তুমি বুঝবে কি করে?
তুমি তো আমাকে ছেরে ছলেই গ্যাছ.........
বাবা শোনে আর কাঁদে
তাঁরই চোখের সামনে তার ছেলের এ আবেদন
যা সে মেটাতে পারবে না
সে শুধু অস্ফুট দীর্ঘশ্বাস ছারতেই পারে
তাছারে কিই বা করার আছে তার?
বিধাতার লিখন তো আর তার হাতে নয়
ছেলে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পরে
বাবাও পত্রিকাখানি ভাঁজ করে ঘুমায়
কিন্তু তার তো ঘুম আসে না
বিধাতা কি মানুষকে কাঁদাতেই জানে?
তাহলে পৃথিবীর সৃষ্টি কি কারণে?
এসব ভাবতে ভাবতে বাবাও ঘুমিয়ে পরে
আমাকেও ঘুমাতে হবে, রাত হয়েছে
এ ঘুম শেষ ঘুম হয় কিনা জানি না
সকালে কি আমি নিজের পায়ে ঘর থেকে বের হব?
নাকি কার কাঁধে করে?
কিন্তু একথা ঠিক যে আমি অবশ্যই ঘর থেকে বেরবো
কর্মব্যস্ততায় ব্যস্ত যার জীবন সে কি করে ঘরে থাকে
মৃত্যুই যে তার একমাত্র অবসর..................।