এখন আমি অনেক বড়; কতজনে আমার সুজন। যখন আমি ছোট ছিলাম মা-ই ছিল আমার ভুবন।
মায়ের উপর যারা রাগ করে, তারাও মাকে ভালবাসে। যতদিন পৃথিবীতে মা ছিল, মা যেন ভুল ছিল। মা তখন থেকেও নেই; মায়ের প্রতি কোন আদর নেই। আজ যখন মা গেল দূরে, মায়ের কথা মনেপড়ে; মায়ের কথা মনে আসে আমার, মায়ের কথা মনেপড়ে।
আজ যখন মা গেল দূরে; কলিজাটা শুধু পুড়ে। আজ বুঝেছি মা নেই; বেঁচে থাকার কোন মানে নেই। মাকে নিয়ে হাজার স্বপন; হবেনা আর কখনও পূরণ। মাকে নিয়ে হাজার স্বপন; স্বপন এখন দুঃখের মতন।
যতদিন মা ছিল, বুঝিনি আমার কি ছিল; মায়ের ছেয়েও কতজনে আপন ছিল। যতদিন মা ছিল, মিছে অভিমান, দ্বন্ধ ছিল; বুঝিনি মা কত বেশী ছিল।
জনে-জনে শুধাই একটি প্রশ্ন; এ পৃথিবীতে আমি কার জন্য, ভাল ছেলে থাকা কার জন্য, পড়াশোনা কার জন্য, জীবনে কিছু হতে চাওয়া কার জন্য। আজ যদি মা, না থাকল কাছে; কি হবে আমার সকল পেয়ে। এ দুঃখ আমি কি করে ভুলি, মা কে সুখে জড়াতে পারিনি, মায়ের সুখী মুখ দেখা হয়নি, মায়ের জন্য কিছু করা হয়নি। কত গরীব এ পৃথিবী, মা ছাড়া বুকটা খালি খালি।
ওগো বিধাতা করুণার আঁধার, এমনকি হতে পারে না কোনভাবে, এখনি মা কোথা হতে এসে; আমাকে একটু দেবে বকে। আমি সব হারাতে রাজি, যদি মাকে একবার পাই, পায়ের নীচে বসতে চাই, পরম সুখে পা জড়িয়ে থাকতে চাই। মাগো আমি তোমার ছেলে; তোমার পায়ের নিচে একটু ঠাঁই চাই, ওগো বিধাতা করুণার আঁধার, মাকে আমার ফিরিয়ে দাও; মাকে আমার ফিরিয়ে দাও।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Rajib Ferdous
মাকে নিয়ে আমাদের বর্ণনাতীত আবেগ তো থাকবেই। তা প্রকাশের ভঙ্গি সাধারন মানুষের হবে একরকম আর লেখক কবিদের হবে অন্য রকম। অন্তত আমার তাই মনে হয়। কারন লেখক কবিরা তো সাধারন মানুষেরই প্রতিনিধি। আপনার লেখা দীর্ঘ কবিতাটি কি শুধুই দীর্ঘ হয়ে গেলনা? যদি না হয় তবে ভালই লিখেছেন। শুভকামনা আপনার জন্য।
মোঃ শামছুল আরেফিন
ওগো বিধাতা করুণার আঁধার,
এমনকি হতে পারে না কোনভাবে,
এখনি মা কোথা হতে এসে;
আমাকে একটু দেবে বকে। এই লাইনগুলো অসাধারন। পুরো কবিতাটি ভাল লেগেছে। অনেক অনেক শুভ কামনা থাকল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।