হরিণী নয়নের পলক চাহনি, নিমেষে সুপ্ত হৃদয় অনুরাগে জাগ্রত আজি।
নয়নবাণে মজালে, মরুময় মনোজগৎ কাজল কাল নয়নফুলে সাজালে।
হেমাঙ্গের বাঁকে বাঁকে রূপের প্রভা, সর্বাঙ্গে যৌবনশ্রী দেয় দোল দোলা।
সুচারু কটি নয়ন কাড়ে, নাদুস-নুদুস নিতম্ব দোলে উচ্ছল যৌবনভারে।
খাড়াখাড়া তীক্ষ্ণ নাক চন্দ্রবদন, তুলতুলে গোলাপি ঠোঁটে চুম্বন স্পন্দন।
ঘনকালো রেশমি চুল পবনে উড়ে, নারী কেশের সুগন্ধ অনুরাগে টানে।
সুডোল বক্ষের চুম্বক আকর্ষণে, প্রেমানলে নর অন্তঃরা ধুঁকে ধুঁকে পুড়ে।

পদ্মিনী নারী তুমি রূপের কাঞ্চন, অনুরাগে লুণ্ঠন হল হৃদয় সিংহাসন।
অধরা মধুকোষে সুধাভান্ডার, যৌবন স্ফুলিঙ্গে আগুন তবু মন নির্বিকার।
প্রেমানন্দে উত্তাল হিয়ায় বহে বান, ক্ষণেক্ষণে প্রেমার্ত অন্তরে নিপীড়ন।
একেই অঙ্গে অত রূপ ক্ষণিকের দেখা, কবিতার ছন্দে গেলো না লেখা।
যদি কখনও তব হৃদয় মাঝে, আমার ভালোবাসার কিঞ্চিৎ হয় মূল্যায়ন।
চিত্ত উদ্যানে বরণ করো প্রিয়া, প্রেমার্ত আশকের পবিত্র প্রেম নিবেদন।

হৃদয় দর্পণে যে ছবি হলো আঁকা, স্মৃতির ডাইরিতে নিরন্তর ররে গাঁথা।
বুঝবে কি কভু প্রিয়া আমার গুপ্ত অভিলাষ, সলাজে যে কথা হয়নি বলা।
সংকোচে যদি না হয় বলা, প্রেমতীর্থ মন্দিরে ফুল দিয়ে করে যাব পূজা।
ভালবাসার পূজারী হলেম, সানন্দে তব নামের জপমালা গলে পরলেম।
কবির কবিতা সম্পদ, তোমার সৌজন্য উৎসর্গ করে আজি ধন্য হলেম।