লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ আগস্ট ১৯৭৭
গল্প/কবিতা: ১০৪টি

সমন্বিত স্কোর

৪.২১

বিচারক স্কোরঃ ২.৬১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftবৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (সেপ্টেম্বর ২০১৪)

অদ্ভুত সকল কল্পনা...
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী

সংখ্যা

মোট ভোট ১৬ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.২১

এই মেঘ এই রোদ্দুর

comment ১৫  favorite ১  import_contacts ৪,০৯৩
বাস্তব
কল্পনাতে
পৃথিবী অদ্ভুত জায়গা।
অদ্ভুত কল্পনা ঝেঁকে বসে মাথায়
কখনো কল্পনায়; কখনো ঘুমের ঘোরে
রহস্যেরা ঘুরে বেড়ায় মনের আনাছে কানাছে,
সৃষ্টি ধ্বংস; জন্ম মৃত্যু; কল্পনা বাস্তব; কোথায় আছি,
থাকি কই, কখনো শূণ্যে ভাসি; প্রতিদিন একটু একটু ঘুরি
ঘুরে বেড়াই বুধ শুক্র সূর্য শনি মঙ্গলের চারপাশ।
স্থির বসে কখনো নিমেষেই চলে যাই আমার
কাঙ্খিত প্রিয় গ্রহ মঙ্গলে,যেন মনের ভিতর
ফিট করা অস্থির টাইম মেশিন;
মঙ্গলে পাথরে খাই হোঁছট;
দু'চোখ বন্ধ,
কে তুমি টেনে তুললে আমায়? এলিয়েন নামক কোন প্রাণী কি?
ভয়ে চোখ তুলে তাকাই না! ঝনঝন শব্দ শুনে ভয়ে কেঁপে যায় বুক!
অভয় দিয়ে মঙ্গলের প্রথম মানব বলে, চোখ তুলে তাকাও, আমি মানুষ,একি!
চুলগুলো লাল এলোমেলো; উস্কোখুস্কো চেহারায় ফুটে উঠে এক অদ্ভুত তীক্ষ্ম আলো,
হায়! পায়ে শিকল কেন বাঁধা? উত্তরে-পৃথিবীর মানুষেরা আমাকে আমার মত ভাসতে দেয় না,
উড়তে দেয়না মনের নীলাভ আকাশে; যন্ত্রণার শিখল দিয়ে আটকে রাখতে চায়, দূর্ভেদ্য পৃথিবীর মানুষ;
মন বুঝে না; ভালবাসা বুঝে না। তাই চলে এলাম মঙ্গলে, এখানেই বানাব আমার ভালবাসার ঘর; স্বপ্নে স্বপ্নময়,
তুমি কেন এলে? সেই একই উত্তর আমারও হে মানব । চারদিকে শুধু বালি আর পাথর; কোথায় বাঁধব ঘর
মনে শক্তি আর ভালবাসায় হয়ে যাবে সব, অন্ধকার নেমে আসছে; পাথরের ওপারে চিঁ চিঁ কিসের শব্দ!
ভয়ংকর শব্দে এগিয়ে আসছে কারা? ওরা! ভয় পেয়োনা! আন্তরিকতায়, ভালবাসায়
পশুকেও পুষ মানানো যায়, যা পৃথিবীর মানুষেরা বুঝে না, না বুঝার ভান ধরে।
হাত শক্ত করে ধর দাঁড়িয়ে থাক আমায় ধরে পাথর এলিয়েনরা ঝন ঝন
করে কাছে এসেই থমকে দাঁড়ায়; বাবা! কি তীক্ষ্ণ চোখগুলো,
যেন ঝলসে দেবে আমাদের, প্রত্যেকটা এলিয়েনের
তিনটা করে চোখ! সারা অঙ্গ সবুজ,
চোখ রক্তবর্ণ কিন্তু পাথর পাথর,
এলিয়েনের শরীরে সবুজ লালা
ঝরে পড়ছে অবিরত, বিশ্রি
গন্ধ নাকে এসে লাগে।
ভয়ার্থ আমি! চুপসে,
ভালবাসায় আবদ্ধ দুটি হাত শক্ত মুঠোয় দেখে, ওরা
কি যেন বলে একে অপরকে। হাতের ইশারায় কাছে ডাকে
লাল চোখের লৌহমানবগুলো, ভয়হীন দুজন এগিয়ে, যাই সম্মুখে
ইশারায় বলে তোমরা আমাদের বন্ধু হয়ে থাক মঙ্গলে, তোমরা পৃথিবীর মানুষ;
তোমরাই পারো দিগন্ত জুড়ে সবুজে আচ্ছাদিত করতে, তোমরাই পারো ভালবাসায়
একসাথে ঘর করতে; তোমরা মানুষ যেমন জানো ভালবাসতে তেমনি ঘৃণাও, তোমাদের
কাছ থেকে শিখে নেব ঘৃণা, আর তোমাদের শিখাবো ভালবাসা, হিংসা বিদ্বেষ দেব ভুলিয়ে
কখন জানি আমরা এলিয়েনদের কথাগুলো বুঝতে উঠতে পাচ্ছি ঠেরই পাইনি, বিস্ময়ে হতবাক!
আমরা বাঁচি সূর্যের আলোতে আর তোমরা সবুজে, আমরা সূর্যের আলো দেব বিনিময়ে দিয়ো তোমরা সবুজ
মন. আমরা খাই লোহা, আর তোমরা পানি; বিনিময় হোক তবে সব, কি রাজী? বাস করবে এখানে আমাদের সাথে?
সময়ের চাকা ঘুরে কখন যে আহ্নিক গতি গেল ঘুরে, আচানক ভেঙ্গে যায় ঘুম; জীবনের স্পন্দনে জেগে উঠি কাল্পনিক জগতকে
এঁকে দেই দাঁড়ি নামক যতিচিহ্নের, বাঁশিওয়ালার অদ্ভুত সুর ভেসে আসে কোত্থেকে যেন, ডেকে বলছে বাস্তবে আমায় ফিরে এসো শুন কন্যা, বিধাতা যেখানে করে দিয়েছেন তোমার বাস, পৃথিবীটা দিয়েছেন সাজিয়ে, কেন যাবে? সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে লৌহজগতে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement