তুমি আমার এক সমুদ্দুর বিরহ, বৃষ্টি হয়ে এসো তবে

বৃষ্টি ও বিরহ সংখ্যা

এই মেঘ এই রোদ্দুর
  • 0
  • 0
  • ২৪২
১।
বর্ষায় ছেয়ে যায় আমার সাতরঙা আকাশ
এখানে উঁকি দিলে কেবল কালো মেঘ,
গড়িয়ে পড়লেই সে মেঘ বৃষ্টি হয় চোখে
শ্রাবণ আর আমার সখ্যতা খুব তাই।

জানালার পর্দায় থিরথির কাঁপে বর্ষা
হিমেল হাওয়ায় উড়ে যায় ক্লান্তি
অথচ মনের মেঘে ক্লান্তি ভিড় করে অযস্র
বৃষ্টি ঝরলেও মন উঠোনে চৈত্রের খরা
বিতৃষ্ণায় কেটে যায় একেকটি প্রহর।

বিরহে পুড়িয়ে তুমি থেকে যাও দূরে,
মনে টগবগ আগুনের জ্বালা
তবু বলি চলো ভিজি এই বর্ষায়
ধুয়ে যাক যত ক্লান্তি, বিরহ আর
ছুঁয়ে থাকি এক রাশ শীতলতা।

২।
আজ সারাটা দিন মেঘলা আকাশ
ক্ষণে ক্ষণে ঝরে যায় বৃষ্টি
মৃদুমন্দ হাওয়ায় থিরথিরিয়ে পাতারা কাঁপে
শীতল হাওয়া এসে ভিজিয়ে দেয় আমায়
আমি হেঁটে যাই রাজপথ ধরে।

তুমি কাছে থেকেও যে দূরে, বিরহে ছাওয়া মন আকাশ,
বেভোলা আমি হন্তদন্ত হয়ে ছুটি একই পথ ধরে, তুমি নেই পাশে,
আচ্ছা আমার মতন কেউ কী এমন বিষাদে পুড়ে, ঐ যে পথিক'রা।

পথিক হেঁটে যায়, যে যার গন্তব্যে, কেউ পৌঁছায়, কেউ পৌঁছাতে পারে না
একঝাঁক বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মানুষ’রা প্রহর গুনে এক চিলতে রোদ্দুরের
এক দুই ফুঁটা ফাঁকা ফাঁকা বৃষ্টির ভয়েও মানুষ সিঁটিয়ে থাকে
পকেটে হাত ঢুকিয়ে টঙ ঘরের নিচে মাথা গুঁজে দেয়,
কেউ বা বাসস্টপের ছাতনা তলায় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় বৃষ্টি থামার
অথচ এই একটু ভিজলেই মানুষ মরে যায় না-তবু মানুষের মনে ভয়ের কাঁটা।

আমাতম্র ভয় নেই, মনে এক সমুদ্দুর ভাবনা নিয়ে আগাই
এই শহরের ইটপাথরে পা ফেলে নিরব হাঁটার যদি অন্ত না হতো
ঘুমচোখে আমি হেঁটে যেতাম শতাব্দির অপর প্রান্তে
তখনো আমায় বৃষ্টি ছুঁয়ে থাকতো-তাই না!

বৃষ্টি সাথী করে একদিন উড়ে যাবো আকাশের ঠিকানায়,
হিমঘরে একাকি বৃষ্টির বিছানা বৃষ্টির বালিশে মগজ গুজে দিবো
আমি ভেসে ভেসে ঘুমোবো-আহা পেঁজাতুলো মেঘের শরতের বৃষ্টি,
হাওয়া আমায় নিয়ে উড়বে সাঁই সাঁই।
তুমি পুড়বে তখন আমার বিরহে"

৩।
আমাদের মাঝে কখনো তৃপ্তিজনক আলাপ নেই
কেবল বিচ্ছিন্নভাবে পথচলা
তুমি এপথ ধরলে আমি ওপথে
অতৃপ্তির বুকে মাথা রেখে তুমি আমি শুয়ে পড়ি রাতের চাদরে।

দোষারোপের তকমা মনে সেঁটে দিয়েছো
মেনে নেয়ার অপর নামই কি জীবন!
ভুলগুলো শুধরে নিতে বলো, ওমা!
কি ভুল সে-ই তো জানি না, কোথায় হল ভুল
কেনো হল ভুল-এ ভুল যে শেষ হয় না...
বৃষ্টির ঝুপ ভেঙ্গে পড়ে নিরিবিলি,
তুমি আমি এক ছাতনা তলায় ফের সংসার সাজাই অভিনয়ে।

সাজানো হয় না কখনো সে আমার মনের মতন
এই তো চেয়েছিলাম কখনো চলুক ঝুপ্পুরঝাপ্পুর অঝোর বৃষ্টি
আবার কখনো রোদ্দুর এসে পুড়িয়ে দিয়ে যাক,
কই আর হল এমন নিয়মমাফিক জীবন
এখানে কেবল গ্রীষ্মকাল, নিদাগ বিরহ উত্তাপে পুড়ি হরদম।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ফয়জুল মহী অসাধারণ উপস্থাপন করলেন
এই মেঘ এই রোদ্দুর অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ভালো থাকুন
Omor Faruk খুব সুন্দর হয়েছে , বিশাল বড কবিতা

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

কেউ কাছে তবুও দূরে, কাছে থেকে মন বিরহে পুড়ে। এক রাশ বৃষ্টি জলে নিভে যাক বিরহ আগুন

০১ মার্চ - ২০১১ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বাংলা - আমার চেতনা”
কবিতার বিষয় "প্রেম”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জানুয়ারী,২০২২