জীবন এমনই

শীত (জানুয়ারী ২০২০)

এই মেঘ এই রোদ্দুর
  • ১৪
  • ২৩৩
হাঁড়া কাঁপানো শীত, হাওয়ার ঝাপটা গায়ে লাগলেই কেঁপে উঠি,
কুয়াশার আবরণে ঢাকা আমার শহর,
গায়ে চাদর অথবা স্যুট কোট জড়িয়ে মানুষগুলো শীতের দেয় ছুটি,
হন্তদন্ত গন্তব্যে ছুটে যাওয়ার বেলা....... বিষণ্ণতায় ছায় আমার প্রহর;

ফুটপাতে শুয়ে থাকা পাগল পাগল মানুষগুলো কুঁকড়ে আছে শীতে,
ধুলোয় মোড়া মাথার চুল, মুখাবয়বে মলিনতার ছাপ
ওদের কপালে বাঁধা যেনো কেবল শোকের কালো ফিতে
কী করে পার করে দেয় ওরা নি:সম্বল অসহায় হয়ে জীবনের ধাপ।

ঠকঠকিয়ে কেঁপে উঠা প্রহরগুলো ওদের, কেটে যায় কষ্টের ধারায়
পাগল বলে অবুঝ মন, শীতের কাপড়ে যেনো অনীহা
কোথায় রেখে আসে অথবা ফেলে দেয় নির্দ্বিধায়, ওরা এ গলিপথ
হতে অন্য গলিপথে শীতের কম্বল ফেলে পা বাড়ায়,
ওদের নেই চাহিদা, অপূর্ণতা বেশী পাওয়ার স্পৃহা।

কষ্টে বুক যায় ভেঙ্গে, শীতে কাঁপানো ঠোঁটগুলো যেনো কী বলতে চায়
বলতে গিয়েও থেমে যায়, আমি নিরবে চেয়ে দেখি,
কখনো হাসে কখনো কাঁদে কখনো বিড়বিড়িয়ে কত কথাই বলে যায়
ওদের চাওয়া পাওয়া অথবা কষ্ট কিছুই তো নয় মেকি।

পোকা খাওয়া সমাজ, ভাসমান মানুষের আখড়া শহর আমার,
প্রশাসন চুপ, পুনর্বাসন করতে গিয়েও টাকায় পকেট গরম কারো;
সবাই হেঁটে হেঁটে মুখ ফিরিয়ে দেখে আবার চলে যায়
মনগুলো যেনো মানুষের শক্ত লোহা তামার;
এই পৌষে কারো সর্বনাশ আর কারো সুখে পোয়াবারো।

ব্যস্ত জীবনে কিছুই করা হয়ে উঠে না ওদের জন্য, ভিতরবাড়ি যায় পুড়ে
নীড়ে ফিরেই এক ঝাঁক শান্তি মনে নিয়ে ওদের কথা যাই ভুলে,
ওরা থেকে যায় চোখের আড়ালে, আমার প্রাসাদের চেয়ে অনেক দূরে;
ওদের জন্য কেবল হাঁটতে গিয়েই কিছু দীর্ঘশ্বাস রাখি বুক দেরাজে তুলে।

কেউ ইচ্ছে করেই বেঁচে নেয় এমন জীবন, কারো সত্যিই কপালপোড়া
কেউ আমল নামায় লিখে নেয় এ দূর্ভোগের জীবন
কেউ পরিবর্তন করতে চায় না নিজেদের ভাগ্য, মদ গাঁজা খেয়ে মাতাল
কেউ ধুঁকে ধুকেঁ মরে রোগে ভোগে, কেউ ধীরে হয়ে যায় খোঁড়া;
উচু নিচু মানুষ, ভেদাভেদও অসমতল, কারো জীবন কষ্টে ভরা
অতি সুখ স্বাচ্ছন্দ্যে প্রাচুর্য্যে ভরা কারো ভুবন;
কেউ পেতে রাখে অন্যের উপকারে তার বুকের চাতাল,
কেউ কেড়ে নিয়ে খেতে চায়, পকেটে পুরতে চায় অন্যের সম্পদ
নামী দামী হতে চায় কেউ বিশ্বজোড়া,
এইতো জীবন এইতো বেঁচে থাকা........ জীবন যায় দ্রুতবেগে
যেনো সে পাগলাঘোড়া।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ফয়জুল মহী অপূর্ব শব্দশৈলিতে চমৎকার সৃষ্টি, পাঠে মুগ্ধতা রেখে গেলাম।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
আব্দুর কাদির এককথায় অসাধারণ। ভোট রইল প্রিয়। আরও লেখার প্রতিক্ষায় রইলাম। আমার পাতায় আমন্ত্রণ।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

ঠকঠকিয়ে কেঁপে উঠা প্রহরগুলো ওদের, কেটে যায় কষ্টের ধারায় পাগল বলে অবুঝ মন, শীতের কাপড়ে যেনো অনীহা কোথায় রেখে আসে অথবা ফেলে দেয় নির্দ্বিধায়, ওরা এ গলিপথ হতে অন্য গলিপথে শীতের কম্বল ফেলে পা বাড়ায়, ওদের নেই চাহিদা, অপূর্ণতা বেশী পাওয়ার স্পৃহা।

০১ মার্চ - ২০১১ গল্প/কবিতা: ১৬৯ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

বিজ্ঞপ্তি

“ফেব্রুয়ারী ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী