নদী দিয়ে জড়ানো, সবুজ দিয়ে মোড়ানো আমার বাংলার গ্রাম, হিযলতলী-বড়ইতলী কতশত নাম।
এইখানেতে ঘুম ভেঙ্গে যায়, পাখ-পাখালীর ডাকে খালে বিলে শাপলাগুলো খিলখিলিয়ে হাসে। গ্রাম বাংলার দামাল ছেলে ভীষন বেপোরোয়া, নেইকো খাওয়া, নেইকো দাওয়া যেন মাতাল হাওয়া। গ্রাম বাংলার মানুষগুলো বড়ই সহজ-সরল, মনটা তাদের বড়ই উদার নেইকো তাতে গড়ল।
ছয় ্#২৪৪৩;তুতে গ্রাম বাংলা ছয় বেশেতে সাজে, ছয় পাখীতে রং মাখিয়ে গ্রাম বাংলায় নাচে। গ্রীষ্ম যেন দাবানলে দেয় পুড়িয়ে মাঠ, নেীকা থাকে ঘাটে বাঁধা নদী শুকিয়ে খাক। বর্ষা এসে দেয় ভাসিয়ে পূর্ণ নদী নালা, মাঝি তখন নদীর বুকে ভাসায় সুখের ভেলা। শরৎকালে গ্রামের আকাশ সাদা মেঘের ভেলা, নদীর তীরে কাশফুলেরা করে শুধু খেলা। হেমন্ততে গ্রামের ঘরে পিঠা খাওয়ার ধুম, এ সময়ে মা-বোনেদের যায় হারিয়ে ঘুম। শীত আসে ঝুপ করে গায়ে দিয়ে চাদও, সকালের মিষ্টি রোদ যায় যে দিয়ে আদর। বসন্ত ফুলের সাঝে আনন্দ আর গানে ভাসে এমনি করে ছয় ্#২৪৪৩;তুতে গ্রাম বাংলা নিত্য সাজে।
গ্রাম ছাড়া বাংলার ছবি যায় না কভু অাঁকা গ্রাম ছাড়া বাংলার কথা যায় না কভু ভাবা।।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ওবাইদুল হক
নদী দিয়ে জড়ানো, সবুজ দিয়ে মোড়ানো
আমার বাংলার গ্রাম,
হিযলতলী-বড়ইতলী কতশত নাম। আমার গ্রামেও সব কিছু মোড়ানো আমার গ্রামে আপনার দাওয়াত রইল নিশ্চয় । আশা করি ভুল করবেনা ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।