ভুমিকাঃ
পুরনো চামচে নতুন জীবনটাকে তুলে চলি আমি ও আমরা। কত কাটাকুটি কত কোলাহল অথচ ঘড়ির কাটায় সময় মানে-একই মার্জিনের ইতিহাস। সেই ক্ষুদ্রতার পাড়ে বসেই শুনি- কলকলায় দশে দশ পাওয়া রচনার শেষ লাইনের ঝলসানি। হায় মানুষ হায় তুচ্ছ মানুষ! এইসব কে কখন টের পায় সে প্রশ্নের অনুবাদে না যেয়েই একদিন বুঝে গেছি টিটির হাতে ধরিয়ে দিয়ে জীবন টিকিট। তবুও চামচ ছলকায় আমাদের গায়ে পড়ে প্রেম নামের প্রগাঢ় ফোঁটা। নতজানু হয় মহাকাল- আহ জীবন! যদিও শিকের ওপাশ থেকে হারামজাদা সমালোচক ঘ্যানঘ্যানায় প্রেম ক্লিশে-ক্লিশে-ক্লিশে.........

বর্ণনাঃ
কড়ি কুড়ানোর কাল কালে কালে চলে
গড়নের গাঙে মায়া গহনে যে গলে
ভালোবাসা সখী ভুল-মিথ্যে মুগ্ধ গতি?
ভালোবাসাই ভবের জেনো ভানুমতি।

আগুনের গল্পে জ্বলে প্রণয় পালক
প্রিয়ক্ষণ মানে শুধু একা এক বক
ঝিঁঝিঁ ডাকা বুকে নিশি বোঝে না বারণ
পরাণ ছটফটায়-নতুন কারণ!

উপেক্ষার ঘূর্ণি জলে কমে না এ দম
উপোস জীবন দেহে গাঁথি তপ্ত ওম
তালপাতা হাওয়ায়-ঠোঁটে ক্ষ্যাপা ঝড়
কাঁসার ঘড়ায় থুই মোহন কৈতর।

জিভের বাণেই বিদ্ধ পোড়া কলজে এক
শিখি নি কামের ভাষা অবুজ পেরেক
ডরাই দু’জন সঁপে গনগনে হাত
ছাঁৎ করে ওঠে বুক আহা কী আঘাত!

মোহের চিঠির ভাঁজে সুখ মানে পোষ
ছারখার ঘুম-কোন আঁচে খুঁজি দোষ?
টলটলা প্রেম কাঁপে থামে না প্রলয়
জ্বালার সলতেও নেভে-জয় উরু জয়!

উপসংহারঃ
হে, শুদ্ধ প্রেম
বুকে বড় বাজে আজন্ম নতুন
লোনা দুটি লাইন-
‘প্রিয় মিছে কথা
একজীবন তোমার জন্যে!’