ছিল না কোনো অফিস-ফেরত বাবা, ইটভাটায় কাজ করতে করতে ইটের মতো পুড়েছে।
পানকৌড়ির মতো ডুবে থাকা শরীর, ঘামে ভেজা পরিশ্রমের টকো গন্ধ...
তার চারপাশে অনবরত ভনভন করেছে কতক দুপেয়ে মাছি।
তবু তার পুরনো ফাটা গোড়ালির ম্যাপে রাস্তা খুঁজেছি।
তার চামড়া দিয়ে বানানো ঘরের ছাউনি ভেদ করে দেখেছি একটা গোটা আকাশ।
চুপসানো আঙুল থেকে রোজ রোজ কেটেছি পাকা ধানের শিষ।
যার পাঁজরের সিঁড়ি বেয়ে দেখেছি বর্ণালির সাত রং,
তার কপালের বলিরেখা এখন মারিয়ানা খাতকে ছুঁয়ে আসে।
বলতে পারবে?
ভাত-কাপড়ের অতল খাদের কিনারে দাঁড়ালে কেন বাঁচাতে গিয়ে মরতে হয়?
নরম অন্ধকারে শক্ত হয়ে বাবা বলেছিল, তার তেলচিটে গামছায় যে অগাধ দায়িত্ব বাঁধা।
লোভে দায়িত্ব খেতে চেয়েছি।
তার সেঁকা হাতে ঋণের খাতা উল্টানোর খসখসে আওয়াজ বলেছে, "বাবা থাকলে দায়িত্ব খাওয়া যায় না"।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
এই কবিতার মাধ্যমে একটি বাবার সারা জীবনের ক্ষয়, শ্রম এবং নিঃশব্দ দায়িত্ববোধ প্রতিফলিত করতে চেয়েছি যা বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আমার মনে হয়েছে।
০৯ মে - ২০২৬
গল্প/কবিতা:
১ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।