দাদুর শেখানো সেই ত্রিশ সেকেন্ড

ভূমিকম্প (জানুয়ারী ২০২৬)

Prince howlader
  • 0
  • ২৯
১.

ছোট্ট শহর শান্তিপুর, যার নাম শান্ত হলেও, এটি ছিল এক অস্থির টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছে। এখানকার মানুষ যুগ যুগ ধরে এই মাটির বুকে ফসল ফলিয়েছে, ঘর তুলেছে, কিন্তু মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা বিপুল শক্তি সম্পর্কে ছিল প্রায় উদাসীন। এই শান্তিপুরেই বাস করত অয়ন, এক অষ্টম শ্রেণির কৌতূহলী ছাত্র। তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল তার দাদু, যিনি ছিলেন এক অবসরপ্রাপ্ত ভূ-বিজ্ঞানের শিক্ষক।

একদিন দুপুরে, স্কুল থেকে ফিরে অয়ন দেখল দাদু একটি পুরনো পৃথিবীর মানচিত্রের উপর ঝুঁকে কী যেন দেখছেন।

“দাদু, তুমি কী দেখছো? এই দাগগুলো কীসের?” অয়ন জানতে চাইল।

দাদু চশমাটা উপরে তুলে স্নেহের হাসি হেসে বললেন, “এইগুলো হলো পৃথিবীর জ্যামিতিক নকশা, অয়ন। এই নকশা শুধু ওপরের ভূমির নয়, বরং মাটির কয়েকশো কিলোমিটার নিচে থাকা কাঠামোর। আর এই নকশার একটি অংশ হলো ভূমিকম্প।”

অয়ন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “ভূমিকম্প! ওহ্, আমাদের বিজ্ঞানের প্রোজেক্টে এই বিষয়টা আছে। কিন্তু আমাদের স্কুলের পাঠ্যবইগুলো খুব শুকনো, দাদু। তুমি কি গল্পের মতো করে বোঝাতে পারো? ভূমিকম্প কি, কেন হয়? আর যদি হয়, তখন আমরা কী করব?”

দাদু বললেন, “অবশ্যই পারি। এই নিয়েই তো আমার জীবন কেটে গেল। আজকের আমাদের পাঠ হলো ‘শক্তিশালী মাটি ও সতর্ক মানুষ’।”



দাদু মানচিত্রের দিকে ইশারা করে বোঝাতে শুরু করলেন:



“ভূমিকম্প আসলে মাটির কেঁপে ওঠা। কিন্তু কেন কাঁপে? ধরো, তুমি একটা রাবার ব্যান্ড দু’দিক থেকে টেনে ধরেছো। যখন তুমি টানতে থাকবে, তখন ব্যান্ডটা শক্তি সঞ্চয় করবে। একসময় যখন সেই শক্তিটা রাবার ব্যান্ডের সহ্য ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন সেটা হঠাৎ ছিঁড়ে যায়। ছিঁড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটা ঝটকা বা কেঁপে ওঠার অনুভূতি হয়, তাই না?”

“আমাদের পৃথিবীও অনেকটা ওই রাবার ব্যান্ডের মতোই। ভূপৃষ্ঠ কতগুলো বিশাল বিশাল খণ্ডে বিভক্ত, এদেরকে বলা হয় ‘টেকটোনিক প্লেট’ (Tectonic Plates)। এই প্লেটগুলো পৃথিবীর ওপরের শক্ত অংশ, আর নিচের নরম অংশের ওপর ভাসছে।”



“এই প্লেটগুলো কিন্তু স্থির নয়, এরা বছরে কয়েক সেন্টিমিটার করে নড়ছে। যখন দুটো প্লেট একে অপরের সাথে ধাক্কা খায়, ঘষা খায়, বা একটি আরেকটির নিচে চলে যায়, তখন প্লেটের সংযোগস্থলে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ ক্রমাগত জমতে থাকে। যখন প্লেটগুলো আর সেই চাপ ধরে রাখতে পারে না, তখন সেই সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ করে তরঙ্গ আকারে মাটির উপর দিকে মুক্তি পায়।”

দাদু আঙুল দিয়ে দেখালেন, “যেখান থেকে এই শক্তি মুক্তি পায়, তাকে বলা হয় ‘হাইপোসেন্টার’ (Hypocenter) বা ভূ-কেন্দ্র। আর এর ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের যে অংশে কম্পন প্রথম অনুভূত হয়, তাকে বলা হয় ‘এপিসেন্টার’ (Epicenter) বা উপকেন্দ্র। এই কম্পন যত দূরে ছড়াতে থাকে, তার তীব্রতা তত কমতে থাকে।”

অয়ন মনোযোগ দিয়ে শুনছিল। “তাহলে দাদু, এই প্লেটগুলোর নড়াচড়াই হলো আসল কারণ?”

“ঠিক ধরেছিস! এছাড়াও, কিছু কারণে ছোটখাটো ভূমিকম্প হতে পারে—যেমন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক বিস্ফোরণ বা বড় বাঁধ ভেঙে যাওয়া। কিন্তু আসল কারণ হলো টেকটোনিক প্লেটের সীমান্ত অঞ্চলে সৃষ্ট চাপমুক্তি।”

২.

দাদু বললেন, “জানিস তো, ভূমিকম্প থামানোর ক্ষমতা মানুষের নেই। কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ক্ষমতা আছে। আর তার জন্য দরকার পূর্ব প্রস্তুতি। মনে রাখবি, ভূমিকম্পের সময় তুমি যা করবে, তা নির্ভর করে তুমি আগে থেকে কী প্রস্তুতি নিয়েছ তার ওপর।”

দাদু তাকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির কথা শেখালেন:

ক) একটি ইমার্জেন্সি কিট তৈরি:

“এখনই আমরা একটা ‘ভূমিকম্প ইমার্জেন্সি কিট’ তৈরি করব। এটা একটা সহজে বহনযোগ্য ব্যাগে থাকবে, যাতে আমরা দৌড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তুলে নিতে পারি। এর মধ্যে কী কী থাকবে?”

খাবার ও জল: ৩ দিনের জন্য শুকনো খাবার (বিস্কুট, চিঁড়ে) এবং পানীয় জল।

প্রাথমিক চিকিৎসা: ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিসেপটিক, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র।

আলো ও যোগাযোগ: টর্চ লাইট ও অতিরিক্ত ব্যাটারি, পুরনো কিন্তু চার্জ করা মোবাইল।

অন্যান্য: একটি হুইসেল (চিৎকার না করে সাহায্যের জন্য বাজানো), কিছু নগদ টাকা, কম্বল বা গরম কাপড়।

অয়ন দ্রুত পুরোনো ব্যাকপ্যাকটা খুঁজে নিয়ে দাদুর কথামতো জিনিসপত্র গোছাতে শুরু করল।

খ) নিরাপদ স্থান চিহ্নিতকরণ:

দাদু ঘরের প্রতিটি কোণ ঘুরে দেখালেন। “অয়ন, মনে রাখবি—শক্তিশালী কাঠের টেবিল বা খাটের নিচে হলো তোর প্রথম আশ্রয়। এমন কোনো ভারী জিনিস, যা সহজে ভেঙে পড়বে না, তার নিচে আশ্রয় নিতে হবে।”

বিপজ্জনক স্থান: বড় কাঁচের জানালা, আলমারি, বুকশেল্ফ, ঝোলানো লাইট বা ফ্যান, বাইরের দেয়াল—এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

গ) অভ্যাস: ‘ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন’ (Drop, Cover, and Hold On):

“এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস,” দাদু জোর দিয়ে বললেন।

ড্রপ (Drop): কম্পন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ো।

কভার (Cover): দ্রুত কোনো মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে মাথা ও ঘাড় হাত দিয়ে ঢেকে দাও।

হোল্ড অন (Hold On): টেবিলের একটা পায়া বা মজবুত অংশ শক্ত করে ধরে রাখো। কম্পন না থামা পর্যন্ত সেখানেই থাকো।

অয়ন এবং দাদু বেশ কয়েকবার এই অভ্যাসটি অনুশীলন করল।

৩.

সেদিন ছিল শনিবার। অয়ন আর দাদু বিকেলে বারান্দায় বসে খেলছিলেন। হঠাৎ, মেঝেতে রাখা ফুলদানিটা যেন নিজে থেকেই নড়ে উঠলো। প্রথমে একটা মৃদু গুঞ্জন, যা কানের চেয়ে হাড়ে বেশি অনুভূত হচ্ছিল।

“ভূমিকম্প!” দাদু শান্ত, কিন্তু দৃঢ় কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলেন।

আচমকা একটা তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হলো। দেয়ালের প্লাস্টার ঝরে পড়তে লাগলো, কাঁচের জিনিসপত্র মেঝেতে পড়ে ভেঙে গেল, আর ঘর থেকে একটা বিকট শব্দ আসতে লাগলো। চারদিকে এক মুহূর্তের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক।

অয়ন এক সেকেন্ডের জন্য থমকে গিয়েছিল, কিন্তু দাদুর শেখানো অভ্যাস তার মস্তিষ্ককে সচল করে দিল।



অয়ন দ্রুত তার খেলার টেবিলটির নিচে ঢুকে পড়ল এবং তার দুই হাতে মাথা ও ঘাড় শক্তভাবে চেপে ধরল। দাদুও নিকটস্থ একটি মজবুত কাঠের পালঙ্কের পাশে শুয়ে, মাথা ঢেকে নিলেন (যদি টেবিল না থাকে, তবে শক্ত আসবাবের পাশে শুয়ে পড়া উচিত, যাতে উপর থেকে কিছু ভেঙে পড়লে সেই আসবাবের তৈরি ফাঁকা জায়গায় সে আশ্রয় পায়—একে বলে ‘ত্রিভুজাকার জীবন-রক্ষা ক্ষেত্র’)।

কম্পন প্রবল হলো। অয়ন চোখে দেখল, কীভাবে ফ্যানটা পাগলের মতো দুলছে, আর বইয়ের আলমারিটা একবার এদিকে, একবার ওদিকে হেলে যাচ্ছে। সে দাঁতে দাঁত চেপে টেবিলের পায়া ধরে থাকল।

ভবনের ভেতরে থাকা লোকজন জানতো, কম্পনের সময় দৌড়ে বাইরে যাওয়াটা সবচেয়ে বিপজ্জনক। সিঁড়ি ভেঙে পড়তে পারে, এবং দরজার ফ্রেমগুলি এখন আর আগের মতো সুরক্ষিত নয়।

প্রায় ত্রিশ সেকেন্ড পর কম্পন ধীরে ধীরে শান্ত হলো। মেঝেতে ভাঙা কাঁচ আর ধুলোর আস্তরণ। কিন্তু অয়ন আর দাদু অক্ষত।

দাদু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, “শাবাশ অয়ন! তুমি নিজেকে বাঁচিয়েছো। এবার ধীরে ধীরে বাইরে যেতে হবে।”

৪.

চারিদিকে প্রতিবেশীদের আর্তচিৎকার, সাইরেনের শব্দ আর অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজ। পুরো শান্তিপুর যেন এক ধাক্কায় অনেকগুলো বছর পিছিয়ে গেছে।

দাদু এবং অয়ন দুজনেই জুতো পরে নিল। ভাঙা কাঁচের ওপর দিয়ে খালি পায়ে হাঁটা বিপজ্জনক। অয়ন তাড়াতাড়ি ইমার্জেন্সি কিটটা তুলে নিল।

ভূমিকম্পের পর বাসায় আটকে পড়া লোকজন দ্রুত বাড়ির প্রধান দরজা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলো। চারপাশে সতর্ক দৃষ্টি রাখল, কারণ তখনও ছোটখাটো আফটারশক বা কম্পন হতে পারে।

তারা খোলা জায়গায় আশ্রয় নিলো, কোনো বিল্ডিং, গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি বা সেতুর কাছাকাছি না গিয়ে, একটি খোলা মাঠে গিয়ে দাঁড়াল।

দাদু প্রথমে বাড়ির গ্যাস লাইন পরীক্ষা করলেন। যদি গ্যাসের গন্ধ পেতেন, তবে দ্রুত জানালা খুলে, মূল সংযোগ বন্ধ করে দিতেন এবং কোনো ধরনের আগুন (যেমন দেশলাই বা লাইটার) জ্বালানো থেকে বিরত থাকতেন। সৌভাগ্যক্রমে, কোনো লিক ছিল না। বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ করে দেওয়া হলো, যাতে তার ছিঁড়ে গেলে কেউ বিদ্যুতায়িত না হয়।

দাদু তার মোবাইলের ব্যাটারি বাঁচানোর জন্য অল্প ব্যবহার করলেন। শুধু জরুরি খবর জানার জন্য রেডিও চালু করলেন। ভুল তথ্য বা গুজব এড়িয়ে চলতে হবে।

তারা ইমার্জেন্সি কিট থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম বের করে আহত প্রতিবেশীদের ছোটখাটো আঘাতের জন্য সাহায্য করলেন।

দাদু অন্য প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে একযোগে কাজ করার গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলেন।

রাত নামল। তারা খোলা মাঠেই রাত কাটানোর জন্য প্রস্তুত হলো। ইমার্জেন্সি কিটের কম্বলটা ছিল সামান্য স্বস্তি। অয়ন দেখল, এত বড় বিপর্যয়ের পরেও দাদু শান্ত আছেন। এই প্রশান্তি এসেছে পূর্ব প্রস্তুতি থেকে।

৫.

পরের দিন ভোর হলো। ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, কিন্তু প্রাণহানি তুলনামূলকভাবে কম। যারা সতর্ক ছিল, যারা ‘ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন’ অনুশীলন করেছিল, তারা বেঁচে গেছে।

অয়ন দেখল, তার ছোট প্রোজেক্টের বিষয়গুলোই আজ মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়ে উঠেছে।

দাদু অয়নের মাথায় হাত রেখে বললেন, “দেখলি তো অয়ন, প্রকৃতির শক্তিকে থামানো যায় না, কিন্তু তাকে মোকাবিলা করা যায়। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর মূলমন্ত্র চারটি: জ্ঞান, প্রস্তুতি, সতর্কতা এবং সহযোগিতা।”

অয়ন তার দাদুর দিকে তাকিয়ে বলল, “দাদু, আমার প্রোজেক্টে আমি লিখব—ভূমিকম্প শুধু মাটি নয়, মানুষের জীবনকেও ঝাঁকুনি দেয়। কিন্তু যারা তৈরি থাকে, তারা সেই ঝাঁকুনি সামলে আবারও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমাদের বাড়িতে জীবন বাঁচানোর জন্য যে জরুরি কিট আছে, সেটা কেবল একটা ব্যাগ নয়, সেটা হলো সাহসের সঞ্চয়।”

শান্তিপুর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল। আর অয়ন তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটি লাভ করল—প্রাকৃতিক বিপর্যয় অনিবার্য হতে পারে, কিন্তু সেই বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি মানুষের হাতেই। কঠিন মাটির নিচে সঞ্চিত শক্তিকে মানুষ সতর্কতার মাধ্যমেই জয় করতে পারে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ফয়জুল মহী চমৎকার উপস্থাপন। অতুলনীয় প্রকাশ।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

গল্পটি ভূমিকম্প বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সমঞ্জস্যপূর্ণ, কারণ এতে ভূমিকম্পের বৈজ্ঞানিক কারণ, ঘটনাপ্রবাহ ও প্রতিরোধমূলক করণীয় একসাথে তুলে ধরা হয়েছে। টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া, হাইপোসেন্টার ও এপিসেন্টারের ব্যাখ্যার মাধ্যমে ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি গল্পের চরিত্রদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ‘ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন’, ইমার্জেন্সি কিট প্রস্তুত রাখা এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবভাবে দেখানো হয়েছে। ফলে পাঠক শুধু ভূমিকম্প সম্পর্কে জানতে পারে না, বরং সচেতনতা ও জীবনরক্ষার বাস্তব শিক্ষা লাভ করে।

১৭ নভেম্বর - ২০২৫ গল্প/কবিতা: ৪ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "মাতৃভাষা”
কবিতার বিষয় "মাতৃভাষা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জানুয়ারী,২০২৬