আপনারা হয়তো বলে থাকবেন, মরা মানুষের জন্য আবার কিসের চিন্তা? ভালো কথা, আমরা দুজনে একই বিল্ডিংয়ের ভিন্ন ভিন্ন ফ্লোরে থাকতাম।
কথায় আছে না, যে জন প্রেমের ভাব বোঝে না, তার সাথে কি লেনাদেনা? একতরফা প্রেম ছিল মনেহয় আমার, আজকাল মানুষ চেনা দায়। তবে মাঝেসাঝে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে নামতে তার সাথে দেখা হয়ে যেত। চোখাচোখি হয়নাই কোনদিন তাও না। এতে কি সব বোঝা যায়।
অন্য আরেকটা কথায় আমার খুব হাসি পায়, মেয়েটা কেমন কেমন, ছেলেটা যেমন তেমন। মাঝে মাঝে অডিও স্পিকার থেকে গান ভেসে আসতো –
"যদি বিরহ থাকে আমিও থাকি,
কে বলো শেষ হবে আগে,
কেন যে এত ভালোবাসা মরে যায়,
শুধু সময় মনে রাখে।"
মানে ছ্যাঁকা ট্যাকা খেয়েছিল মনেহয়। তাই এ গানটা বারবার শোনে। পরে আমি নিজেই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখলাম, ও নতুন গান। তাইতো বলি এতবার শোনে কেন? সেদিনও সুন্দর একটা সকাল ছিল। বাতাসে একরাশ মুগ্ধতা।
দশটার দিকে আমি একবার বারান্দায় যাই। হঠাৎই বুঝতে পারি যে ভূমিকম্প হচ্ছে। তো আমরা দোতলায় থাকতাম। আম্মার চিৎকারে দৌড় দিয়ে নিচে নেমে আসি। চোখের পলকে পায়ের নিচে মাটি হারাই। এত ভয়ানক ছিল সেই মাটির কম্পন যে আমি বের হওয়ার আগেই ইটের নিচে তলিয়ে যেতে থাকি। আম্মা বাইরে ছিল, সৌভাগ্যবশত আমি একাই রুমে ছিলাম।
যখন চোখ খুলি তখন নিজেকে হাসপাতালে আবিষ্কার করি। গলায় একটা হাত ঝোলানো, একটা পা ব্যান্ডেজে মোড়ানো, মাথায় তীব্র যন্ত্রনা আর একটা ব্যান্ডেজ। চোখ খুলতেই আম্মা দৌড়ে আসে, "জারা, আমরা ভেবেছিলাম তোকে বাঁচাতে পারবো না।"
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
গল্পটি একটি রোমান্টিক ধাঁচের গল্প। গল্পটির মূল বিষয় হচ্ছে ভূমিকম্প।
২২ সেপ্টেম্বর - ২০২৫
গল্প/কবিতা:
৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।