এক.
“মিস ‘সাগরের ঢেউ’! আপনি সবসময় খালি ‘বাংলা’ ‘বাংলা’ করেন কেন?”
তনিমার কথা কেড়ে নিলো সাদিয়া, “আগে বল তুই ওরে ‘সাগরের ঢেউ’ বলে ডাকিস কেন?”
“আমাকে না খালি, আমার জামাইরেও তো তনু ‘সাগরের ঢেউ’ বলে ডাকে!” তনিমার হয়ে আমিই জবাব দিলাম
“বাট হোয়াই?”
“এখানে ব্যাকরণের খেল আছে প্রিয়! দেখি ভাঙতে পারিস কিনা এই প্রহেলিকা। আর তনু ডার্লিং, আমি শুধু ‘বাংলা’ ‘বাংলা’ করিই না, বাংলা পরি-ও!”
“তুই বাংলার স্টুডেন্ট, বাংলাই তো পড়বি!”
“কথাটা ধরতে পারিস নাই! আমি ড-য়ে শূন্য র (ড়) ‘পড়ি’ বলি নাই, বলছি ব-য়ে শূন্য র (র) ‘পরি’র কথা”
“তো? পার্থক্য কী?”
“পার্থক্য হলো, কাপড়চোপড় বা পরনের কিছুর ক্ষেত্রে বানানটা ‘পরা’- শাড়ি পরা, টিপ পরা, জুতো পরা। আর বইসহ বাকিসব ক্ষেত্রে ‘পড়া’। বৃষ্টি পড়া, পাতা পড়া, ঝাঁপিয়ে পড়া, মনে পড়া…”
“বুঝছি, তুই তো ব্যাকরণের জাহাজ! ‘বাংলা পরা’ বলতে অ আ ক খ লেখা শাড়ি পরা বুঝাইছিস। এখন দয়া করে তোর আর তোর হাবির নামরহস্য পরিষ্কার কর দিকি নি”
আমি রহস্যের হাসি হাসলাম, “ধীরে বৎস, ধীরে! আগে তনু ডার্লিংয়ের প্রশ্নের উত্তর দেই... আচ্ছা, তোদের কি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ওই গল্পটা মনে আছে, ১৯৫৩ সালে স্পেন ভ্রমণে গিয়ে তিনি যে বেকায়দায় পড়েছিলেন?”
“কোনটা যেন?”
“ওই যে, রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছেন, কিন্তু মেন্যু স্প্যানিশ ভাষায়! যার একটা বর্ণও তিনি জানতেন না। আবার ইংরেজি জানে না ওয়েটার, ক্যাফে মালিক কেউই…?”
“হ্যাঁ মনে পড়ছে। পরে তো খাবারের স্কেচ এঁকে এঁকে ওয়েটারকে বোঝালেন তিনি কী খেতে চান। গল্পটার নাম ছিল ‘পেইন্টিং ইজ ইউনিভার্সাল ল্যাঙ্গুয়েজ’। কিন্তু হঠাৎ এই প্রসঙ্গ?”
“স্প্যানিশদের কথা চিন্তা করে দেখ, মাতৃভাষাকে ওরা কতটা সম্মান করে! আমাদের মতো ইংরেজি জানলেই সেটা জাহির করতে মরিয়া হয় না। রেস্তোরাঁয় তো ইংরেজি জানা লোক ছিলই, কিন্তু শুরুতে জয়নুল আবেদিনকে হেল্প করতে এগিয়ে আসে নি। আর আমরা ফরেনার দেখলেই দু কলম ইংরেজি জানা থাকলে সেই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি ওদের হেল্প করতে”
“কিন্তু কাউকে হেল্প করতে চাওয়া কি খারাপ?”
“আর কোনো ক্ষেত্রে খারাপ না হলেও মাতৃভাষার ক্ষেত্রে খারাপ!”
“কেন বল তো?”
“কেন আবার! ভাই তুমি একটা দেশে আসছ, সেই দেশের ভাষা, কালচার, আদবকেতা শিখে আসবা না! তুমি ফরেনার, ইংলিশ জানো, তাই বইলা তো সুপিরিয়র না। জয়নুল আবেদিনও তো ইংলিশ জানত, কই তারে তো কেউ হেল্প করতে আসে নাই! রেস্তোরাঁমালিক পর্যন্ত কাস্টমারকে পুছতে উতলা হয় নাই। এইটাই হইল সেলফ এস্টিম, মানে আত্মমর্যাদাবোধ- হোক ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা, তাই বলে তার কাছে তো নিজের ভাষাকে ছোট হইতে দেয়া যায় না”
আমার কথা শেষ হতেই মুখ খুলল আজকের আসরের মধ্যমণি ইশরাত
“কিন্তু উল্টোটা যদি হয়?”
“যেমন?”
“ধর, জায়গাটা শনির আখড়া কিংবা ভূতের গলি। অন্ধকার রাত। গুণ্ডারা ছুরি নিয়ে তোকে দাবড়াচ্ছে। তুই দৌড়াতে দৌড়াতে গিয়ে উঠলি এক ফ্ল্যাটের দরজায়। বেল টিপলি, দরজা খুলে দিলো ফ্ল্যাটের মালিক। ফরেনার, বাংলা জানে না, জানে কেবল ইংলিশ। পরিস্থিতি ইংরেজিতে এক্সপ্লেইন করলেই সে তোকে ঘরে ঢুকতে দেবে। আর ঘরে ঢুকলে তুই নিরাপদ। এখন তুই কী করবি? আত্মমর্যাদাবোধ নিয়ে বোবা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবি? নাকি ইংলিশে তার হেল্প চাইবি?”
চুপচাপ অন্তর্মুখী স্বভাবের মেয়েটা হঠাৎ হঠাৎ যখন মুখ খোলে তখন কথার বদলে কামানের গোলা বের হয়। সেই গোলার সামনে আমি থমকে গেলাম
“হুম! যুক্তি খারাপ না”
“আসলে ব্রিটিশদের নিয়ে আমাদের নাক সিটকানো বন্ধ করতে হবে। আর ইংরেজি ভাষাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করাও উচিত না। পারি না পারি, ইংলিশ ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ, কিছু তো কদর করতেই হয়, তাই না!”
আমার ইংরেজি বেশ দুর্বল। ইশরাতের কথায় তাই সূক্ষ্ম খোঁচা অনুভব করলাম। কিন্তু বিষয়টা নিয়ে রি-এক্ট করলাম না। নিজের বিব্রতভাব ঢাকতে প্রসঙ্গ পাল্টালাম
“তা তোরা দেশ ছাড়ছিস কবে?”
“ইব্রাহীমের বাবার অফিসিয়াল কিছু ফরমালিটি বাকি আছে। বাই নেক্সট মান্থ হয়ে যাবে”
পরের মাসেই সপরিবারে দেশ ছাড়ল ওরা। একটা সমৃদ্ধশালী দেশে যাচ্ছে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসবে, বৈষম্যের শিকার হতে হবে না, ছেলেটা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে- তারপরও বিদায়ের সময় ইশরাত আমাদের জড়িয়ে ধরে খুব কেঁদেছিল। আসলে আমরা সবাইই জানতাম দেশকে চিরতরে টা টা বাই বাই জানিয়ে যাচ্ছে। তবে এটা জানতাম না যে নেক্সট পনের বছরে ওর সাথে আমার একবারও দেখা হবে না।
দুই.
ইউকে গিয়ে সেটেলড হতে ওদের খুব একটা বেগ পেতে হলো না। ছেলেটার বয়স দশ পেরিয়ে গেলেও স্কুলে ভর্তি হতে অসুবিধা হয় নি। আসলে দেশে থাকতেই ওকে প্রপার ট্রেনিং দিয়েছে ওরা সেই ছোটবেলা থেকে। ওদের বাসায় যতবার গেছি, বাংলায় কিছু জিজ্ঞেস করলে ছেলেটা চুপ করে থাকত। ঘরে ওর সাথে যা আলাপ সালাপ বাবা মা ইংরেজিতেই করত তো! বাংলাতে অভ্যস্ত না। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়েছে। বাড়িতে ইংরেজি পত্রিকা রাখত। সব মিলিয়ে ছেলেটা দেশে থাকতেই হাফ-ব্রিটিশ হয়ে গেছে। বাকিটা হয়েছে ওখানে গিয়ে।
ইশরাতের হাজবেন্ডের অফিসের শুধু লোকেশন বদলেছে। কিন্তু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটার মালিকানা তো সেইমই আছে। তাই ক্যারিয়ার লাইফে সেটেলড হতে ওনার সময় লাগে নি। অল্প সময়ের মধ্যেই অনেকদূর এগিয়েছেন তিনি।
আর ইশরাত? ও দেশে থাকতে হাউজ ওয়াইফ, বিলেতেই তা-ই! পার্থক্য শুধু, আগে মাঝেমধ্যে বার্গার পিৎজা খেত, এখন মাঝেমধ্যে ভাত-তরকারি খায়। পিৎজা বার্গার খেয়ে খেয়ে অল্প ক’দিনেই ফুলে ঢোল হয়ে গেল বেচারি।
শুরুর দিকে আমার সাথে ইশরাতের প্রায় মাসেই চিঠি আদান-প্রদান হতো। বাস্তবতার কারণে আস্তে আস্তে যোগাযোগে ভাটা পড়ে গেল। তারপর একটা সময় পুরোপুরি যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম আমরা।
তিন.
অনেক ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে কেটে গেছে পনেরটি বছর। এরমধ্যে আমার সামনেও সুযোগ এলো ইউকে যাবার। ছেলের সাথে ফরেন টুর। ইশরাতরা থাকে এডিনবার্গে। নিয়াজকে ইউনিভার্সিটি অফ শেফিল্ডের সেমিনার হলে ড্রপ করে আমি চেপে বসলাম ট্রেনে। বেশি তো দূর না, আড়াইশ মাইলের মতো। দেড় ঘণ্টায় পৌঁছে গেলাম।
এতগুলো বছর পর দেখা! শুকনো সেই মেয়েটা কী মুটিয়ে গেছে! শরীরে খানদানী রোগব্যধি বাসা বেঁধেছে। হাজবেন্ড গত হয়েছে দু’বছর হলো। মা-বেটা থাকে এত বড় বাড়িতে। বাড়ির প্রতিটা আসবাব নীরবে ঘোষণা করছিল শুধু শূন্যতা।
ইশরাতকে দেখে অবাক হলাম। কী চুপচাপ ছিল! কথা বলত মেপে মেপে। কিন্তু এখন মুখ দিয়ে কথার তুবড়ি ছুটছে যেন! গত পনের বছরের সবটা আমাকে পনের মিনিটে বলে ফেলতে চায়! এত কথা বলছে, তবু ওকে আমার মোটেই বাচাল মনে হচ্ছে না।
আমাদের কথোপকথনে বিঘ্ন ঘটল ডোরবেলের আওয়াজে। ইশরাত উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলো। দুই তরুণ-তরুণী ঢুকল ভেতরে। ইশরাত উল্লসিত কণ্ঠে ওদের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো
“সান! শি ইজ ইওর ইশরাত আন্টি! ডু ইউ রিমেম্বার হার?”
“ওহ ইয়েস ইয়েস! আন্টি হাউ আর ইউ?”
“আ’ম ফাইন! এন্ড ইউ?”
“আ’ম ফাইন টু! হোয়াট আ প্লিজেন্ট সারপ্রাইজ! আ’ম রিয়েলি রিয়েলি ভেরি হ্যাপি টু সি ইউ আফটার আ লং টাইম”
ছেলেটার সাথে কথা বলতে বলতে আড়চোখে খেয়াল করলাম পাশে বসে থাকা মেয়েটা উশখুশ করছে। একটা পর্যায়ে মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে বলল
“আবি! আই থিংক উই শুড গিভ দেম আ বিট অফ প্রিভেসি”
“ওহ! ইউ আর রাইট হানি। আন্টি! হ্যাভ আ গুড টাইম। এনজয় ইয়োরসেলভস!”
আমাদের সামনেই পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে ওরা ভেতর ঘরে চলে গেল। আমার কাছে দৃষ্টিকটু লাগল দৃশ্যটা। তবে ইশরাত নির্বিকার। আসলে এই সংস্কৃতিতে থেকে থেকে আর এসব দেখে দেখে ডিসেনসিটাইজড হয়ে গেছে। পানিতে থাকা মাছের কি পানি ভেজা লাগে?
ইশরাত যদিও মেয়েটাকে ছেলে-বৌ বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, তবে আমি মোটামুটি নিশ্চিত এটা ওর বিবাহিত বৌ না। লিভ-ইন লিভ-টুগেদারের এই দেশে এত অল্প বয়সে তো বিয়ে-থা করার রীতি নেই। ওরা বিয়ে করে সঙ্গীর সবটা বুঝেটুঝে, আরো পরিণত বয়সে। ততদিনে ছেলেপুলে হয়, তারাই বাপ-মায়ের বিয়ের সব এন্তেজাম করে। এসব আমি জানি। তাই ইশরাতকে জিজ্ঞেস করে বিব্রত করতে ইচ্ছে হলো না। তবে একটা ব্যাপার জিজ্ঞেস না করে পারলাম না
“আচ্ছা, আলভি যে…”
“আলভি না, অলিভিয়া!”
“ও হ্যাঁ, অলিভিয়া! তো অলিভিয়া তোর ছেলেকে ‘আবি’ নামে ডাকে কেন?”
“এদেশের এরা উচ্চারণের সুবিধার্তে নামকে ছোট করে ফেলে। ‘আব্রাহাম’ থেকে ‘আবি’ আরকি”
“কিন্তু ওর নাম ইব্রাহীম না?”
ইশরাতের বিব্রত মুখটা দেখে বুঝলাম প্রশ্নটা করা ঠিক হয় নি। আমারই বোঝা উচিত ছিল, দেশজ ‘ইব্রাহীম’ এই ওয়াস্টার্ন দেশে চলে না। ‘দাউদ’ যেভাবে ‘ডেভিড’, ‘ইউসুফ’ যেভাবে ‘জোসেফ’, ‘ইয়াকুব’ যেভাবে ‘জ্যাকব’, ‘সুলাইমান’ যেভাবে ‘সলোমন’, একইভাবে ‘ইব্রাহীম’ হয়েছে ‘আব্রাহাম’।
চার.
আমার যাওয়ার সময় হয়ে এলো, কিন্তু ইশরাত আমাকে ছাড়তেই চায় না। কত কথা জমে আছে! এক বৈঠকেই সবটা বলে ফেলতে চায়। শেষমেশ হোয়াটসঅ্যাপ কলে নিয়মিত কথা বলার ওয়াদা করে ছাড়া পেলাম।
বেচারির জন্যে খারাপই লাগছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে ওর কথা বলার কেউ নেই। দেশে রক্তের সম্পর্কের কেউ তো বেঁচে নেই। আত্মীয় আছে কয়েকজন, কিন্তু তাদের সাথে সম্পর্কের দূরত্বের চেয়ে বেশি আছে মানসিক দূরত্ব। যোগাযোগ হয় নি তো বহুদিন। এডিনবার্গে বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রোগ্রামগুলোতেও যেতে পারে না অসুস্থতার কারণে। ফোনে ফোনে আর কত!
আর দশটা ব্রিটিশের মতো ছেলেটা বড় হয়ে মাকে ছেড়ে যায় নি, ঠিক। কিন্তু ওর সাথে মন খুলে কথা বলতে পারে না ইশরাত। এদেশে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে একজন পুরদস্তুর গৃহবধুর যতটা ইংরেজি না জানলেই নয় তা ইশরাত শিখে নিয়েছে। কিন্তু শব্দভাণ্ডার তো সীমিত! মনের সব কথা, সব আবেগ ওটুকু দিয়ে প্রকাশ করা যায় না। তাছাড়া, কোনো সাচ্চা বাঙালি কি অ-বাংলায় হৃদয় খুলতে পারে! প্রাইভেসির চোখা সেন্স তো আছেই।
ইশরাত সবসময় চেয়েছিল ছেলে মডার্ন হোক, ইংরেজিতে কথা বলুক। ওর চাওয়া পূরণ হয়েছে। ছেলে ইংরেজিতেই কথা বলে সবসময়। সেই ছোটবেলা থেকে ইশরাত ওর মুখে মাদার, মম, মাম্মি ডাক শুনছে। ‘মা’ সম্বোধনের যে মধুরতা, ডাকটার যে গভীরতা আর তা শ্রবণের যে তৃপ্তি তা কি ছেলের ওই বিলেতি সম্বোধন থেকে আসে?
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
ছেলেকে মডার্ন বানাতে এক মা তাকে শুধু ইংরেজি শেখাতেই তৎপর ছিল। মাতৃভাষাকে অবহেলার খেসারত তাকে দিয়ে হয়েছে কড়ায়-গণ্ডায়। কীভাবে? এটা নিয়েই লেখা হয়েছে এই গল্প।
৩০ সেপ্টেম্বর - ২০২৩
গল্প/কবিতা:
৫১ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
-
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
-
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৬