থেকে থেকে কাঁপে সব, আমি উঠি জেগে।
হয় নি কিছুই, ঘুমোও এবার, বৌ বলে তাই রেগে।
বিছানা কি উঠল কেঁপে? নড়ল নাকি ফ্লোর?
কম্পাতংকে যায় ভেঙে ঘুম, ভয়ের এমন ঘোর।
স্বপ্ন দেখি- সেথাও কাঁপন! কোথায় যাব তবে?
ছোট কাঁপন দিয়ে নাকি বড় কাঁপন হবে!
কোথায় হবে, কবে হবে, কেউ জানে না তা,
হবার ভয়ে কাঁপছি সদা, শুধুই আশংকা।
***জননেতা***
কণ্ঠে তার আগুন ঝরে, ভাষণে কাঁপে সভামঞ্চ-
“আগের সরকার উন্নয়ের নামে জাতিকে করেছে প্রপঞ্চ!
শোষণমুক্তির তরে এই জাতি এক হলেই তবে
রাত শেষে দিনের মতো বঞ্চনার অবসান হবে।
সমুখে থেকে পথ দেখাব, আমি আপনাদের এই খাদেম
সুখেদুখে পাশে রব আজীবন, যদি ভোটটা এবার দেন!”
মুখের কথা ফুরোতেই হঠাৎ ভূকম্পে সভামঞ্চ কেঁপে উঠল যেই
সুখেদুখে সাথে থাকার ওয়াদাকারী নেতাটি আর দৃশ্যপটেই নেই!
***অসমাপ্ত চুম্বন***
কফিশপের নির্জন কোণে সেদিন বিকেলে
প্রেয়সীর হাতে হাত রেখে খুব তো বলছিলে,
অনামিকার শোভাময় অঙ্গুরীয়টার মতো জড়িয়ে রাখবে আজীবন।
সে আর তোমার মাঝে দেয়াল যদি কেউ তোলে সে এক মরণ!
তারও কিছু জমা কথা ছিল, বলবে নিরালে; হলো না তা বলা;
কাঁপল আধ-খাওয়া মুরগীর রান, স্যুপের বাটি, কফির পেয়ালা।
এক প্রবল ঝাঁকুনি আর তারপর শূন্য কেদারা,
ওষ্ঠাধরে চুম্বন অসমাপ্ত রেখে পালিয়েছে তারা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ধন্যবাদ। আমরা কিন্তু আপনার কবিতা খুব মিস করি! এই সাইটে লেখালেখির শুরুতে আপনার কবিতা পড়তাম আর ভাবতাম- ভাবনার প্রকাশ এত সুন্দরভাবেও করা যায়! শব্দ নিয়ে দারুণ খেলতে পারেন আপনি। বুঝতে পারছি ব্যস্ততার কারণে হয়ত লেখা নিয়ে বসতে পারছেন না। লেখার সুযোগটা আবার হয়ে যাক এই প্রার্থনাই করি।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
ভূমিকম্পের পরে তিনটি দৃশ্যের বিবরণ রয়েছে এই কবিতায়।
৩০ সেপ্টেম্বর - ২০২৩
গল্প/কবিতা:
৪৯ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।