অপারেশন বার্লিংটন

বন্ধুত্ব সংখ্যা

Saikat
  • 0
  • 0
  • ২৬
শীতের সকাল। চারিদিকে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস বয়ে চলছে। শৈত্য প্রবাহ বিরাজ করছে সর্বত্রই। ইফাজ, ইনান, ওহি, রুহি ও পুলক সাত সকালে একসাথে বেরিয়েছে ইংরেজি শিক্ষক রফিক স্যারের কাছে পড়তে। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তন্মধ্যে ইফাজ, ইনান, ওহি ও রুহি দশম শ্রেণীতে পড়ে। ইফাজ দশম শ্রেনীর ক্লাস ক্যাপ্টেন। তাকে প্রায় সবাই মান্য করে। অন্যদিকে পুলক নবম শ্রেনীতে পড়ে ইংরেজি বুঝার সুবিধার্থে ওদের সাথে যুক্ত হয়েছে। পথ চলতে চলতে হঠাৎ ইফাজের মাথায় একটা চিন্তা এলো। সে বাকিদের বললো আমদের আগামী রবিবার স্কুল বন্ধ, আমরা সবাই মিলে দিনটিকে উপভোগ করতে চাই । ওহি বললো হ্যাঁ তাইতো আমরা সবাই মিলে স্কুল মাঠে ফুটবল খেলতে পারি। ইনান বলনো কলোনির দীঘিতে সাঁতার প্রতিযোগিতা করতে পারি। এইসব বলতে বলতে তারা রফিক স্যারের বাড়িতে পৌঁছালো। জানতে পারলো স্যার জরুরি কাজে ঢাকা গিয়েছেন আজ পড়াবেন না।

সবাই তো মহাখুশি। ইনান বললো আজ বৃহস্পতিবার। আজই অপারেশন টা নির্ধারণ করতে হবে। রুহি বলে হ্যাঁ আজই প্লান ক্লিয়ার করতে হবে। সময় কম, শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হতে পারবো না হোমওয়ার্ক আছে পরদিন শনিবার ক্লাস ও আছে। পুলক কিছুই বলছেনা বাকিরা যা বলবে সে তাই মেনে নিবে যেহেতু সে জুনিয়র। ইফাজ বললো আমাদের স্কুলে যাওয়ার পথে তিন রাস্তার বার্লিংটন মোড়ের পাশে একটি পুরনো জমিদার বাড়ী আছে যেথায় কেউ থাকে না তোমরা জানো তো? সবাই উত্তর দিলো হ্যাঁ চিনি। পুলক বললো ওই বাড়িতে দেখার মতো কিছু নেই। তখনি রুহী বলে উঠলো ওই বাড়ী পুরো জঙ্গল হয়ে আছে। ওখানে আমি যাবো না আমার ভীষণ ভয় করবে। ওহী বলনো আরে ভীতুর ডিম আমরা সবাই মিলে যেখানে যাবো সেখানে এসব ভয় টয় থাকবে না বুঝলি। তখনি ইফাজ বললো আমারা জঙ্গলে কেনো যাবো পাগল হলাম নাকি? আমরা যাবো ডাব পাড়তে, মজা করতে। গোটা বিশেক নারিকেল গাছ সেথায় আছে। ইফাজের কথা শুনে ইনান বললো বন্ধু আইডিয়াটা খুব ভালো লাগছে। এত বুদ্ধি কই রাখো? সমস্যা নাই আমি গাছে উঠতে পারি। আমি রাজি। ওহি বললো প্রতিবার তো আমরা বন্ধে খেলাধুলা করি এবার না হয় ভিন্ন কিছু হোক। রুহি এবার কোমল স্বরে বললো সবাই মিলে ডাব পেড়ে খাওয়ার মজাই আলাদা, অন্যরকম অনুভূতি হবে।অবশেষে তারা প্লান নির্ধারণ করলো সবাই সেই বাড়িটাতে ডাব পেড়ে খাবে এরপর ঘুরবে তারপর ফিরবে। এবং এটাও নির্ধারণ হলো যে সবাই সকাল দশটাই বের হবে ও কাঁধে সকলে ব্যাগ নিয়ে আসবে যাতে কেউ চোর না ভাবে। এই মতে সবাই যার যার বাড়ি চলে গেলো।

শুক্রবার গিয়ে শনিবার ও পেরিয়ে গেলো। রবিবার ঠিক দশটার সময় তারা যেই ভাবনা সেই কাজে বেরিয়ে পড়লো এবং সাড়ে দশটায় বার্লিংটন মোড়ে একত্রিত হলো। সবাই খুশি মনে সামনের দিকে হাঁটতে লাগলো। হাঁটতে হাঁটতে যখন জমিদার বাড়ির নিকটে পৌঁছল তখন সকলের মুখ কালো হয়ে গেলো। তারা দেখতে পেলো কয়েকজন গাছ কাটার লোক জঙ্গল কেটে বাড়িটি পরিষ্কার করছে এবং দুজন ব্যক্তি সেটা মনিটরিং করছেন। মনে হয় তারা জমিদারের কোনো আত্নীয় টা আত্নীয় হবেন। ইফাজ মাথায় হাত দিয়ে বললো ধুর! পুরো নকশাটা ভেস্তে গেলো। ওহি বললো আজকের দিনটাই মাটি হয়ে গেলো। পুলকের ও একই কথা। ইনান বললো মন খারাপ করে এখন আর কিছু হবে না। সামনে পার্ক আছে, চল সবাই পার্কের দিকে যায়। ইনানের কথায় সবাই পার্কের দিকে এগিয়ে চললো। যেতে যেতে পার্কের ঠিক কাছাকাছি তারা একটি ছোটো ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখলো। ইনান ব্যাগটি কুড়িয়ে নিলো এবং বুঝতে পারলো বুঝতে পারলো ব্যাগটি একটু ভারী। তার মনে হলো কোনো পাগল কিংবা শিশু পাতাকুড়ানিরা হয়তো কাঠের টুকরো কিংবা ইটের কনা ভরে ফেলে গেছে। তাই কৌতুহলী হয়ে সবাইকে সাথে নিয়ে ইনান ব্যাগের চেইন খুললো। সবাই রীতিমতো ঘাবড়ে গেলো। এতো টাকা! ইফাজ বললো চোখে ঝাপসা দেখছি মনে হয় ছুঁয়ে দেখে যে সবই ঠিক আছে। সকলের উদ্দীপনা বেড়ে গেলো।

ব্যাগটি নিয়ে সবাই পার্কের নির্জন স্থানে বসলো। ইফাজ বললো টাকা গুলো আমরা সবাই গুনে দেখি। ব্যাগে বেশিরভাগ একশো আর পাঁচশো টাকার নোট। গুনতে গুনতে সবাই হিসেব করলো মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা হয়েছে। সবাই অবাক। এত টাকা তারা জীবনেও ছুঁয়ে দেখে নি। কি করা যায়? সবার মাথায় নানারকম চিন্তা আসতে থাকলো রুহি বলে যেহুতু এই টাকার মালিক নেই আমরা টাকাগুলো ভাগ করে নিবো নাকি? ওহি বলে অারে নাহ এত টাকর দিয়ে আমরা কি করবো আর বাড়িতে নিলে বলবে চুরি করে এনেছি। ইফাজ বললো বাদ দে এসব আমরা সবাই মিলে দূরে রোমাঞ্চকর কোনো ট্যুরে যেতে পারি। পুলক বললো আমারা কি কি করছি সব আল্লাহ দেখছেন, কারো টাকা অাত্নসাৎ করলে আমাদের পাপ হবে। আমারদেরকে এই টাকার মালিক কে খুঁজতে হবে,কিন্তু কিভাবে? ইনান দেখলো ব্যাগটির একপাশে একট পকেট রয়েছে। ইফাজ ভাবলো সেখানে আরো টাকা আছে। ব্যাগের পকেট খুলে সে একটি কার্ড পেলো যেখানে লেখা আছে নামঃ সারোয়ার আলম, পেশাঃ এনজিও কর্মী, বয়সঃ ৩২ বছর, রক্তের গ্রুপ - বি পজেটিভ। এটা দেখে সবাই চমকে উঠলো। এবার আসল মালিককে খুঁজতে তাদের বেশি বেগ পেতে হবে না। যদি মোবাইল নম্বরটাও থাকতো তাহলে তো সহজেই তাকে পাওয়া যেতো।

সবার মাথায় বিভিন্ন চিন্তা ঘুরতে লাগলো। ইনান তার ফোনটা নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিলো যে আমরা একটি টাকাভর্তি ব্যাগ কুড়ে পেয়েছি পার্কের পাশে কেউ আসল মালিকের সন্ধান দিন। পুলকের মাথায় একটা বুদ্ধি এলো। তার ব্যাগে কাগজ কলম আঠা সব আছে। সে তার ব্যাগ থেকে সাত- আট পাতা অফসেট পেপার নিয়ে বড় অক্ষরে লিখলো মিস্টার সারোয়ার আলম সাহেব আমরা আপনার ব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েছি। ব্যাগটি নিতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। নিচে ইফাজের ফোন নাম্বার দিয়ে দেওয়া হলো। ইফাজের ব্যাগ লম্বা হওয়ায় ইনান টাকার ব্যাগটি ইফাজের ব্যাগে সতর্কতার সহিত রাখলো যাতে পার্কে কেউ কিছু না বুঝতে পারে। ইফাজ বললো টাকাগুলো আমাদের বাড়িতে লোহার সিন্দুকে লুকিয়ে রাখবো কেউ কিচ্ছু জানতে পারবে না। কোন ব্যক্তি যোগাযোগ করলে আমরা সবাই মিলে তার ইটারভিউ নিবো কোনো এক দোকানে কিংবা স্কুল মাঠে। এরপর পুলকের তৈরি পেপারগুলো তারা পার্কের পাশে রাস্তার মোড়ে দেয়ালের সাথে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিলো। তারপর সবাই বাড়ি ফিরে গেলো।

সেদিন বিকেলে ইনান, ওহি, রুহি,পুলক স্কুল মাঠে গেলো। তাদের সাথে স্কুলের কতক বন্ধুর সাথে ও দেখা হলো। কিন্তু ইফাজ আসছেনা। সবার মনে প্রশ্ন ইফাজ কি টাকা নিয়ে ফেরারি হয়ে গেলো নাকি? এটা ভাবতে না ভাবতেই ইফাজ এসে হাজির। ইনান - কিরে কোনো খোঁজ পেলি?
ইফাজ - নাহ, কেউ যোগাযোগ করলো না।
এরপর তারা বসে মাঠে জুনিয়রদের ফুটবল খেলা উপভোগ করতে লাগলো। মিনিট দশেক পর হঠাৎ ইফাজের ফোনে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এলো। সবার কৌতুহল বেড়ে গেলো। ফোন রিসিভ করতে একটি লোক বললো আমি সারোয়ার আলম আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে গেছে আজ আমি আপনাদের সাথে দেখা করতে চাই। ইফাজ বললো আপনি সোজা জিলা স্কুল মাঠে চলে আসেন, আমারা স্কুল মাঠেই আছি। কিছুক্ষণের মধ্যে লোকটি আসলো। সবাই তাকে সালাম জানানো। লোকটিও সালামের উত্তর দিলো। ওহিঃ - আপনার নামই সারোয়ার আলম? লোকঃ- হ্যাঁ। রুহিঃ- আচ্ছা আপনার বয়স কত? লোকঃ ৩০ বছর।
ইনানঃ- ব্যাগে কি কি ছিলো আপনার? লোকঃ- আমার ব্যাগে কতগুলো টাকা আর কিছু কাগজ ছিলো। পুলকঃ- কত টাকা ছিলো ব্যাগে? লোকঃ-সেটা জানিনা আমার ছেলে কত হাজার পাঠিয়েছে। ইফাজঃ- আপনি কি কাজ করেন? লোকঃ- আমি একজন সিএনজি ড্রাইভার। এবার ইফাজ বললো আপনার কোনো তথ্য মিলেনি।আপনার কোনো ব্যাগ হারায়নি আপনি লোভে পড়ে এসেছেন। লোকটি লজ্জিত হয়ে চলে গেলো। এদিকে প্রায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। সবাই যার যার মতো বাড়ি ফিরে গেলো।

এরপর প্রায় দুই দিন হয়ে গেলো। কেউ আর যোগাযোগ করে নি। পরদিন সকালে ইফাজের ফোনে আরেকটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এলো। ইফাজ খুশিমনে ফোনটি রিসিভ করলো, ফোনে একজন লোক বললো আমি একজন এনজিও কর্মী আমার নাম সারওয়ার আলম। গত কয়েকদিন আগে আমি বাড়ি থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে পার্ক এলাকায় আমার টাকাভর্তী একটি ব্যাগ হারিয়ে যায়। আমি ব্যাংক থেকে কিছু টাকা ঋন নিয়েছিলাম। ব্যাগে আমার পরিচয় কার্ড আছে। শুনে ইফাজের আগ্রহ বেড়ে গেল। সে বললো আপনার ব্যাগে কত টাকা ছিলো? লোকটি বললো আমার ব্যাগে পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিলো।ইফাজ বললো আপনি জিলা স্কুল মাঠের পাশের চা দোকানে বিকাল চার টায় আসবেন। এই বলে ইফাজ দৌড়ে ইনানের কাছে যায় এবং বাকিদের ফোন করে আজ দ্রুত স্কুলে আসতে বলে।

সবাই আটটা বাজে স্কুলে এসে হাজির। ইফাজ সবাইকে পুরো ঘটনা খুলে বললো। এরপর স্কুল ছুটির পর তারা দোকানের দিকে এগুতে থাকলো। দেখলো একটি লোক কোট সু পরে বসে আছেন। ইফাজ লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো আপনার নাম কি লোকটি বললো আমার নাম সারোয়ার আলম এবং বললো আমার ব্যাগ কি তোমরা পেয়েছিলে। ইনান বললো হ্যাঁ পেয়েছি। তবে আঙ্কেল আপনাকে একটা পরীক্ষা দিতে হবে। লোকটি বললো কি পরীক্ষা দিতে হবে? এবার ইনান বললো আপনি আমাদের সাথে পাশের মেডিকেল দোকানে চলেন আমরা আপনার রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করবো। লোকটি তাদের সাথে মেডিকেল দোকানে গেলো। ইনান তার পকেটে থাকা একশো টাকা দিয়ে লোকটির রক্ত পরীক্ষা করালো। এরপর রিপোর্টে দেখা গেল রক্তের গ্রুফ বি পজেটিভ। দেখে তো সবাই আহ্লাদিত। ইফাজ দৌড়ে গিয়ে বাড়ি থেকে লুকিয়ে টাকার ব্যাগটা নিয়ে এলো এবং লোকটিকে বললো আঙ্কেল আপনি এই ব্যাগের আসল মালিক। আসলে আমরা এই ব্যাগের আসল মালিককে খুঁজছিলাম। গতদুই দিন আগে একব্যক্তি ব্যাগের মালিক দাবি করে নিজের নাম পরিচয় সারোয়ার আলম দিয়েছিলো। কিন্তু টাকা অঙ্ক বাকি কিছুই মেলেনি। এজন্য আপনার পরীক্ষা নিয়েছিলাম আপনি কিছু মনে করবেন না।

এই কথা শুনে সারোয়ার আলম অনেক খুশি হলেন এবং বললেন বাবারা তোমাদের কাছে আমি ঋনী। তোমরা আমাকে বাঁচিয়েছো। আমি আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম যে এ টাকা আর পাবোনা। আমি তোমাদের পুরস্কৃত করতে চাই এবং কিছু টাকা দিতে চাই তোমারা কি বলো । সবাই বললো অামাদের কিছু খেলার সামগ্রী কিনে দিলে আমরা এতেই খুশি এবং আমরা আপনার কাছে দোয়া চাই যেন বড় কিছু হতে পারি। সারোয়ার আলম একটি স্পোর্টস দোকান থেকে তাদের কে পাঁচটি ফুটবল, পাঁচটি ব্যাট, বল সহ আরও কিছু জিনিস কিনে দিলেন। এবং বললেন আমার জন্য দোয়া করিও তোমারা। এই বলে তিনি বিদায় হলেন। খেলাধুলার সামগ্রী পেয়ে ইফাজ, ইনান, ওহি, রুহি ও পুলকের আনন্দের সীমা রইলো না।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

আমার লেখা গল্পটিতে বন্ধুদের পারস্পরিক সম্পর্ক যোগাযোগ দায়িত্ব সবকিছু ফুটে উঠেছে

০৩ জুলাই - ২০২১ গল্প/কবিতা: ২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "ডিজিটাল ভালবাসা”
কবিতার বিষয় "ডিজিটাল ভালবাসা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ অক্টোবর,২০২১