নিরুপমা!
মা রে কিছু বলছি না কেন; খুলে দে দরজা।
কেন দিচ্ছিস না কোন সাড়া; কথা বল মা আমার!
বাহির থেকে অবিরত ধাক্কা বেড়েই যাচ্ছে।
তবু নিস্তব্ধ নেই কোন সাড়া।
ভেঙ্গে ফেলে দরজা- বাবা, মা, দাদা দেখলো;
সবথেকে আদরের মেয়ে আর বোনের ঝুলন্ত দেহ।
সবাই করছে কান্নাকাটি মেঘলার নিথর দেহ নিয়ে।
........
মা! কাঁদছো কেন! এই দেখো আমি তোমার সামনে।
বাবা! আমি তোমার সেই রাজকন‍্যা।
এই দাদা!আমার সাথে ঝগড়া করবিনা বুঝি।
কেউ যে শুনতে পাচ্ছে না আমার কথা; আমি যে লাশ।
ধর ধর করে ঘামছি; আঁধার ঘর।
কিছু পরে বুঝতে বাকি থাকলো না; আমি স্বপ্ন দেখছিলাম।
বার বার ভেসে উঠছিল মা, বাবা, দাদার কান্নাজড়িত মুখগুলো।
স্বপ্নের রুদ্ধশ্বাস আমার শ্বাস করেছে রুদ্ধ।
হে! সৃষ্টিকর্তা; তোমায় ধন্যবাদ প্রাণের মাঝে প্রাণ রাখবার জন্য।
কোন প্রাণ নিলএ বেছে আত্মহননের পথ; বাস্তবে আসবেনা প্রাণ ফিরে প্রাণের মাঝে!
প্রাণে থাকা প্রাণগুলো বাঁচুক আনন্দে-
যতদিন আছে ভাগ্যে আঁখি মেলে দেখা আর শ্বাস নেয়া।