ভয় তার জন্মের সাথি
জন্মের সময় ভয়, প্রাণে বাঁচতে দিবে তো তাকে?
মেয়ে হয়ে জন্মেছে, সে তো পুত্রসন্তান নয়।
অযত্নে বেড়ে ওঠা মেয়েশিশুটির ভয়,
আজ সে দুবেলা দুমুঠো খেতে পারবে তো?
মনের জ্বালা চোখের পানিতে মেটায় সে
কিন্তু পেটের জ্বালা কেবল অন্নে মেটে।
মায়ের স্তন ছাড়বার পর তার পেটে যে কেবল ক্ষুদার জ্বালা,
প্রতিদিন সে ভয়ে থাকে, আজও কি মিলবে না অন্ন?
শিক্ষার আলো পাবার সাহস সে করেনা, স্বপ্ন দেখে না সে স্বপ্ন ভাঙ্গার ভয়ে।
নারীতে রুপান্তরিত হবার আগেই লাল বেনারসি পরে,
ভয়ে কাঁপতে থাকে, পাশের মানুষটা যে একেবারেই অচেনা!
স্বামীর সংসারে অন্নের নেই অভাব,তবুও তার পাতে জোটে না খাবার
যতদিন না মিলবে যৌতুক, ততদিন রবে সে উচ্ছিষ্ট।
মুক্তি মেলে তার সহসা! আঁতুড়ঘরের রক্তাক্ত বিছানায়।
কৃতজ্ঞতায় চোখ বুজে মেয়েটি,
তার সন্তান জীবন বিলিয়ে দিয়েছে মায়ের মুক্তির জন্য।
মাকে নিয়ে যাবে সে অজানার দেশে, যেখানে মিলবে পরিত্রাণ।
প্রহার থেকে পরিত্রাণ, ক্ষুদা থেকে পরিত্রাণ,
ভয় থেকে পরিত্রাণ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।