বিশ্বব্রহ্মান্ডে অনেক কিছুই আছে, যা বৈজ্ঞানিকদের চিন্তার বাইরে
পরীক্ষা নিরীক্ষা করেও তাঁরা আজও তেমন অস্তিত্ব খুঁজে পায় নাইরে।
থ্রি ডাইমেনশনে আমরা মানুষ সবকিছুই দেখতে পাই
ফোর ডাইমেনশন হয়েছে, সময়কে বিবেচনা করেছে তাই।
৫ম,৬ষ্ঠ বা তারও বেশী ডাইমেনশনে মানুষ দেখতে না পারে
তার জন্যই জ্বিন বলো আর শ্রষ্টা বলো কিছুই দেখতে পায় না-রে।
বৈজ্ঞানিকরা চেষ্টা করছে,শ্রষ্টার সৃষ্টির রহস্য জানতে
প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করছেন না তাঁরা, অন্য কিছু মানতে।
টাইম মেসিন তৈরী করবে এর জন্য কাজ করছে অবিরত
আদৌ কি জানতে পারবে তাঁরা মানুষের অতীত-ভবিষ্যতের গল্প ?
আলোর গতির বেগে যদি কেও চলে, তবে সময় হবে শুন্য
সেইরূপ টাইম মেসিন বানানোর চেষ্টা চলছে,সব কিছু দেখার জন্য।
নভোমন্ডলে সুপারনোভার কারনে নক্ষত্রের আয়তন হয় খুব ছোট্ট
ভর বেশী বলে মাধ্যাকর্ষন শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে ,ব্লাকহোলের হয় সৃষ্টি।
আরও অনেক কিছু জানার আছে যা আমেরিকার নাসায় গভেষণা করছে
একদিন সব রহস্যের বেড়াজাল ভেদ করবে, বৈজ্ঞানিকরা যেভাবে হাঁটছে।
গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ভিন্ন জীবের অস্তিত্ব যেমন মিলছে
এলিয়ানরা অনেক বুদ্ধিমান,তারা নাকি অন্য গ্রহে বসবাস করছে।
সৃষ্টির রহস্য একদিন বৈজ্ঞানিকরাই উম্মোচন করবে
সেইদিনের অপেক্ষায় র‘লাম, কেও পারবে না মোদের ঠেকাতে।