সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যার কাঁধে ঝুলিয়ে রাখে হাজারে ও দায়িত্ব ।
যে কিনা দাপিয়ে বেড়াত দিগ -দিগন্তে ,
যার নামে নালিশের কমতি নেই ,
আজ সেই অন্যকে শাসন করতেছে ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি কারো পিতা ।
যে কিনা নিজে স্বপ্ন দেখতো-
আজ সেই অন্যকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ।
ঈদ পূজায় যার কিনা রং বাহরী পোষাক থাকতো ,
সেই আজ স্ত্রী পুত্রদের শখ পুরণ করে-
নিজেরটা কোন মতে পার করছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যেই ছেলেটি অলসতায় দিন কাঁটাতো -
সেই আজ কর্মে নিজেকে ব্যাস্ত করে তুলছে ।
যে ছেলেটি রোদ বৃষ্টি সর্হ্য করতে পারতো না,
সেই আজ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে-
সন্তানদের মুখে অন্ন তুলছে ।
যে ছেলেটি খেয়াল খুঁশি মতো চলতো ,
সেই আজ পরাধীনতার শিকলে বন্ধী ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ।
যে ছেলেটি কারো কটু বাক্য সর্হ্য করতে পারতো না -
সেই আজ হাজারো কটু বাক্য সর্হ্য করে -সন্তানের কথা ভাবছে।
যার অর্থ উর্পাজনের উপর সকলে নির্ভরশীল ,
যে কিনা দুই হস্ত দিয়ে সকলকে আটকে ধরছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ।
নিজের অর্থ সম্পদ দিয়ে যাদেরকে মনুষ্যের দলে ঠায় দিয়েছে ,
তারাই তার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে
-শিক্ষিত মানুষ মুর্খের ন্যায় আচরণ করছে ।
যে মানুষটি আসার জন্য সবাই তাকিয়ে থাকতো -
সেই মানুষটি আজ অবহেলায় দিন কাঁটাছে ।
যার চার পাশে ছিল জন কোলাহল,
সেই আজ র্নিজন বডই একা ।
যে ছেলেটি সন্তানের অসুখে র্নিঘুম প্রহর গুনছে ,
আজ সেই নিজের অসুখের ধুকে ধুকে মরছে ।
যেই ছেলেটি দুই হাত দিয়ে সকলকে আটকে ধরছে ,
তাকে আজ দেখার কেউ নাই ।
যেই ছেলেটি পকেট ভর্তি ছিল টাকা -
তার আজ পকেট ফাঁকা ।
যেই ছেলেটি যার হুংকারে সকলে ভীত হয়েছে -
আজ তার চিৎকার সকলের কাছে তিক্ত হচ্ছে ।
যাদের জন্য অর্থ সম্পদ ব্যায় করেছে -
তাদের কাছে আজ অবহেলা লাঞ্ছিত ;
যেই স্বপ্ন নিয়ে বাড়ী সাঁজিয়েছে -
আজ সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে রাস্তা নেমেছে ।
যে হাতে টাকা পয়সা হিসাব বিহীন ব্যায় করেছে -
সেই হাতে আজ কারো কাছে ভিক্ষা চাচ্ছে ।
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,