লেখার বিষয় হিসেবে নেয়া হয়েছে আমাদের অতি প্রিয় নবান্নকে। আর কবিতার ছেলেটি তার প্রিয় মানুষটিকে আহ্বান জানিয়েছে নবান্ন হয়ে আসতে। এছাড়া এ কবিতায় যতটা সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে আমাদের ঐতিহ্য নবান্নকে। যতটা সম্ভব সাবলীল বর্ণনা রয়েছে এ কবিতায়। তাই অবশ্যই এটি বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৯ নভেম্বর ২০১৯
গল্প/কবিতা: ১টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

প্রিয় নবান্নে
নবান্ন

সংখ্যা

Fatema Tuj Zohora

comment ১  favorite ০  import_contacts ৩৩
এই যে, শুনছো?
তুমি কি আমার অগ্রহায়ণ হবে?
আমার ক্ষেতের সোনালী ধান?
খুব বেশি ক্ষতি যদি তোমার না হয়
তবে তুমি শুধু আমার পৌষ সংক্রান্তি
কিংবা বাসি নবান্ন হলেই আমার চলবে।
মল্লিকা, হিম ঝুড়ি, রাজ অশোক, গন্ধরাজ?
নারে মেয়ে,
অত কিছু আমি আশা করি না তোমার কাছে।
তুমি শুধু আমার মরা কার্তিক না হলেই আমার চলবে। আমার প্রেমিকা হতে হবে না তোমায়।
শুধু আমার ভোরের শালিক হয়ে
আমার উঠোনের বুকের শস্যে তোমার স্পর্শ রেখো।
বহু শর্ত আর কৈফিয়তের গাটছড়ায়
তোমায় বাঁধবো না কখনো,
যদি একবার আমার অন্ধকারে তুমি ছায়া হও।
আমার মৃত পিতৃ-পুরুষের সম্পত্তির লোভ
তোমায় দেখাবো না তো।
না না দেখাবো,
সে তোমায় আমার অবসাদ বলবে।
তাই অতি শীঘ্রই তোমায় আসতে হবে,
আমার লেখার খাতা হয়ে।
আমার ছন্দ হয়ে।
আমি আর তাল-লয় হারাতে রাজি নয়।
তাই আর বর্ষার উত্তাল পদ্মায় নয়,
এবার তোমার নিমন্ত্রণ আমার স্নিগ্ধ হেমন্তের অতিপ্রিয় নবান্নে।।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement