আমার "নবান্নের আবর্তে প্রেম" নামের গল্পটির শুরুতে রয়েছে নবান্ন উৎসব, শেষেও রয়েছে নবান্ন উৎসবের উপস্থিতি। বস্তুত, নবান্ন উৎসবের পরিক্রমার মধ্যেই এ প্রেমের গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। প্রেমের কাহিনীর স্রোতধারায় কখনো রয়েছে নবান্নের নতুন চালের ভাত আর পিঠা-পুলির আপ্যায়ন, কখনো বা নবান্ন উৎসবে নতুন চালের পায়েস বিতরণ। কাজেই নির্ধারিত বিষয়ের সাথে আমার এ গল্পটি সম্পূর্ণভাবে প্রাসঙ্গিক।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

"নবান্নের আবর্তে প্রেম"
নবান্ন

সংখ্যা

Zulfiker Noman

comment ১  favorite ০  import_contacts ৬০
"বিশৃঙ্খলা না করে সবাই লাইন ধরে একজন একজন করে আসেন, চৌধুরানী একটুক্ষণের মধ্যেই নবান্নের পায়েস বিতরণ শুরু করবেন।" - একথা বলে চৌধুরী বাড়ির বাবুর্চি আকমল মৃধা জহুরা খাতুন চৌধুরানীকে এগিয়ে আনতে গেলেন।
এরপর শুরু হল নবান্ন উৎসবের পায়েস বিতরণ। একে একে সবাই পায়েস নিয়ে সরে যাচ্ছে। কিন্তু অবিন্যস্ত দাড়ি-গোঁফে মোড়ানো আলুথালু চেহারার এক ব্যক্তি পায়েস নিয়েও ঠায় দাঁড়িয়ে রইল, দৃষ্টি তার চৌধুরানীর দিকে। চৌধুরানীও স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন ওই ব্যক্তির দিকে। এটি দেখে চৌধুরী বাড়ির পেয়াদা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে দিতে উদ্যত হল। চৌধুরানী চিৎকার করে ধমক দিয়ে তাকে থামালেন। অচেনা ওই আগুন্তুকের জন্য চৌধুরানীর ধমক খেয়ে পেয়াদা একটু অপ্রস্তুতই হয়ে গেল। বিষয়টি চৌধুরানীর বিশ্বস্ত সহচর নাজমা বেগমেরও দৃষ্টি এড়ালো না।নাজমা বেগম কিন্তু ঠিকই বুঝলেন, ওই আগন্তুকটি কে !!
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার অচিন্ত্যপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়ির প্রভাব-প্রতিপত্তি সেই পাকিস্তান আমল থেকেই চলে আসছিল। প্রতিবছর পৌষ মাসের প্রথম দিন অচিন্ত্যপুরে নবান্ন উৎসব হতো। সেদিন চৌধুরী বাড়ির বউ নিজ হাতে অচিন্ত্যপুর গ্রাম এবং তার আশপাশ থেকে আগত সকল লোকদের মধ্যে নতুন চালের পায়েস বিতরণ করতেন। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে চৌধুরী পরিবারের অবস্থা ক্ষয়িষ্ণু হলেও নবান্ন উৎসবে চৌধুরাণীর পায়েস বিতরণের রেওয়াজটি তখনও চালু ছিল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পরবর্তী সময়ের কথা। অচিন্ত্যপুর গ্রামের জাহেদ আলী মল্লিক তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। ঈদ ও দুর্গাপূজার ছুটিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাহেদ নিজ গ্রামে চলে আসে। হাতে ফাঁকা সময় থাকায় তার স্কুল শিক্ষক জহির স্যারের মেয়ে জহুরাকে পড়াশোনায় সাহায্য করার দায়িত্ব পড়ে তার উপর।জহুরা তখন ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়াশোনায় সাহায্য করতে করতে কখন যে জহুরার প্রেমে জড়িয়ে যায়, তা জাহেদ নিজেই বুঝতে পারেনা।
জহুরা ছিল অপরুপা সুন্দরী। তাকে বিয়ে করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল চৌধুরী বাড়ির একমাত্র ছেলে আকরাম চৌধুরী। জহির স্যারের কাছে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়ে রেখেছিল সে। জহির স্যার বিষয়টা ঝুলিয়ে রেখেছিলেন, কারণ আকরাম চৌধুরী ছিল বদরাগী এবং এহেন খারাপ গুণ নাই, যা তার ছিল না।জহির স্যারের বাড়িতে কখন কি হয়, না হয়, তার সব খবরই সে রাখত। কাজেই জাহেদ এবং জহুরার প্রেমে পড়ার বিষয়টিও খুব সহজেই আকরাম চৌধুরীর কান পর্যন্ত চলে যায়।
সেবার নতুন আমন ধান ওঠার পর জহুরাদের বাড়িতে নতুন চালের ভাত, পিঠা আর পায়েস-এর মাধ্যমে জাহেদকে ব্যাপক আপ্যায়ন করা হয়। নিজ হাতে বেড়ে খাওয়ানোর সময় জহুরা দুষ্টামির ছলে জাহেদকে বলে, "আমি যদি কখনো হারিয়ে যাই, আপনি কীভাবে আমাকে খুঁজে নিবেন?"
- তোমার চোখে দেখে আমি তোমাকে খোঁজে নিতে পারব, কারণ তোমার চোখের ভাষা আমি পড়তে পারি। পড়ানোর পর খাওয়া শেষ করতে করতে অনেক দেরি হয়ে যায়। ফেরার পথে আকরাম চৌধুরীর লোকজন তাকে উঠিয়ে নিয়ে চৌধুরীদের বাগান বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে দেখেই মদ্যপান রত আকরাম চৌধুরী বলে ওঠে, "পিপিলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে।"
- আমার অপরাধটা কি?
- তুমি জহুরার সাথে প্রেম কর, জানো না জহুরাকে আমি বিয়ে করব।
- জহুরার কি এতে রাজি?
- তার রাজি হওয়া বা না হওয়াতে কিছু যায় আসে না, আমি যা চেয়েছি, তাই হবে।

ফিরে আসার সময় আকরাম চৌধুরী জাহেদকে শুনিয়ে বলল, "তোমারই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তুমি কি নির্ঝঞ্ঝাট জীবন চাও? নাকি জহুরা এবং নিজের জীবন দুইটাই হারাতে চাও?"
পরেরদিন আকরাম চৌধুরীর লোকজন এসে জাহেদের বাবাকে শাসিয়ে সাবধান করে দিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে জাহেদ জহুরাদের বাসায় পড়াতে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। জাহেদ এবং জহুরার যোগাযোগের মাধ্যম হয় জহুরার বাল্য সখি নাজমা বেগম।
এর মধ্যে হঠাৎ একদিন নাজমা বেগম রাত্রিবেলা জাহেদের বাসায় এসে হাজির। জাহেদ জিজ্ঞেস করতেই বলল, "মেহমান নিয়ে এসেছি, বাইরে এসে দেখেন।" বাইরে এসে তাকিয়ে জাহেদের বিস্ময়ের আর সীমা রইল না। দেখলো, তার সামনে জহুরা দাঁড়িয়ে, হাতে একটি ছোট্ট ব্যাগ। হতচকিত জাহেদ তখন হাত ধরে জহুরাকে টেনে নিয়ে তার ঘরে বসায়, আর বাইরে পাহারায় থাকে নাজমা বেগম।কোন ভুমিকা ছাড়াই জহুরা বলে, "আমি সব ছেড়ে চলে এসেছি, চল আমরা পালিয়ে যাই।" দ্বিধায় পড়ে আমতা আমতা করতে থাকে জাহেদ। এর মধ্যেই নাজমা বেগম এসে বলে, "আকরাম চৌধুরীর লোকজন আসছে, চল জহুরা বাড়ি ফিরে যাই।"
বাড়ি আর ফিরে যেতে পারে না তারা, বাড়ির সামনের পুকুর ঘাট পর্যন্ত যেতেই তারা আকরাম চৌধুরীর লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। আর জাহেদকে টেনে হিচড়ে বের করে সকলকে তারা নিয়ে যায় আকরাম চৌধুরীর বাগান বাড়িতে। জরুরী ভিত্তিতে তলব করে আনা হয় জাহেদ এবং জহুরার বাবাকে। এরপর জাহেদ ও জহুরার চরিত্র হনন করে বিস্তর অভিযোগ আনা হয়। তবে অভিযোগের তীর যতটা না ছিল জহুরার দিকে, তার চেয়ে বিস্তর বেশী ছিল জাহেদের দিকে। তার বাবার দিকে তাকিয়ে আকরাম চৌধুরী বলে, "এমন ছেলের বাবা হওয়ার চেয়ে আপনার মরে যাওয়া ভাল।" এরকম বাক্যবাণ বর্ষণ বেশ কিছুক্ষন চলে।

এরপর জহির স্যারের দিকে এগিয়ে গিয়ে নাটকীয় ভঙ্গিতে আকরাম চৌধুরী বলল, "এত কিছুর পরেও স্যার আমি আপনার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি আছি, যদি আপনি অনুমতি দেন।" জহির স্যার বলেন, "অনুমতি আমি দেবনা, অনুমতি নিতে হলে আমার মেয়ের কাছ থেকে নিতে হবে।" এবার মুখ খুলে জহুরা, "আমি এ বিয়ে করতে পারি, তবে একটা শর্ত আছে।"
- "কী শর্ত?" আকরাম চৌধুরীর তৎক্ষণাৎ জিজ্ঞাসা।
- জাহেদের কোন ক্ষতি করা যাবে না, তার গায়ে হাত তোলা যাবে না।
- ঠিক আছে, তাই হবে। তবে বিয়ে হবে আগামীকালই।
পরেরদিন মহা ধুমধামের সাথে আকরাম চৌধুরীর সাথে জহুরা খাতুনের বিয়ে হয়ে যায়। আকরাম চৌধুরী বা তার লোকজন জাহেদের গায়ে হাত না তুললেও বিয়ের দিন রাতে তাকে চৌধুরী বাড়িতে আটকে রাখা হয়। আকরাম চৌধুরী ও জহুরার বাসর ঘরের ঠিক পাশের একটি কক্ষে তাকে বেঁধে রাখা হয়। এভাবে প্রেমিককে বেঁধে রেখে পৈশাচিক আনন্দ লাভ করে আকরাম চৌধুরী। সকাল হতে না হতেই জাহেদকে তার খাসকামরায় ডেকে পাঠায় আকরাম চৌধুরী; বলে, "তোমাকে যেন আমার চৌধুরী বাড়ির ত্রিসীমানায় ভবিষ্যতে কখনো না দেখি, দেখলে কিন্তু জান নিয়ে ফিরতে পারবা না। দেখেছো তো, আমি যা বলি তা করি।"
সম্মতি জানিয়ে কোন মতে পালিয়ে আসে জাহেদ। প্রায় দৌড়ে বাড়ি পৌঁছে দেখে বাবা-মার বিলাপ, কারণ তার এ ঘটনার কারণে তার বোনের ঠিক হওয়া বিয়েটা ভেঙ্গে যায়। তাকে দেখে বাবা-মায়ের বিলাপ ক্ষোভে পরিণত হয় ।কাল বিলম্ব না করে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঘাটের দিকে ছুটতে থাকে। এরপর থেকে তাকে আর কেউ অচিন্ত্যপুর গ্রামে দেখেনি।
বিয়ের পর চৌধুরী বাড়ির ঐতিহ্য অনুযায়ী জহুরা খাতুন হয়ে যায় জহুরা খাতুন চৌধুরাণী। কাজেই প্রতি বছর নবান্ন উৎসবে গ্রামবাসীদের মাঝে পায়েস বিতরনের দায়িত্ব তার উপরই বর্তায়। এভাবেই

জাহেদ আর জহুরার প্রেমের উপাখ্যানের আপাত যবনিকাপাত হয়। আস্তে আস্তে জাহেদ হারিয়ে যায় গ্রামবাসীদের স্মৃতি থেকে, বেঁচে থাকে শুধু তার বাবা-মায়ের চোখের জল আর নিরন্তর অপেক্ষার মাঝে।
নবান্নের দিন পায়েস বিতরনের সময় জাহিদকে দেখে চৌধুরানীর নির্দেশে নাজমা বেগম তার পিছু নেয়। প্রথমে নাজমা বেগমের কাছে জাহেদ নিজের পরিচয় দেয় না। অনেক পীড়াপিড়ির পর সে নিজেকে জাহেদ বলে স্বীকার করে, কারণ সে জহুরার সংসারে অশান্তির কারণ হতে চায় না। নাজমা বেগম তাকে আশ্বস্ত করে যে, নবান্নের উৎসবে আকরাম চৌধুরী নায়েব ও তার বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে তার বাগান বাড়িতে মদ, জুয়া আর নারীতে ব্যস্ত থাকে, এদিকে দৃষ্টি দেওয়ার মত সময় এ সময়টাতে তার থাকে না। কথায় কথায় জানা হয়ে যায়, বিয়ের বিশ বছর পরেও জহুরার নি:সন্তান থাকার কথা, জাহেদের বাবা-মার মারা যাওয়ার কথা, তার বোনের অন্যত্র বিয়ে হওয়ার কথা এবং তাদের বাড়িটি। নায়েবের দখলে চলে যাওয়ার কথা ইত্যাদি। জাহেদও জানায়, কীভাবে সে এখান থেকে সিলেটে চলে যায়, পীরের মুরিদ হয়, সংসার ধর্ম ত্যাগ করে বৈরাগী হয় ইত্যাদি অনেক ঘটনা।
তবে জহুরাকে জাহেদ ভুলতে পারেনি, পারবেও না কোনদিন। এ বছর তার পীরের মৃত্যুর পর আকরাম চৌধুরীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে অচিন্ত্যপুরের নবান্ন উৎসবের দিন সে চলে এসেছে চৌধুরী বাড়ির আঙিনায়, উদ্দেশ্যে একটিবার জহুরাকে কাছে থেকে দেখা। তাকে একটিবার দেখার জন্য প্রতিবছর নবান্ন উৎসবের এই দিনটিতে জাহেদ অচিন্ত্যপুর গ্রামে আসবে, যতদিন শরীরে শক্তি থাকবে ততদিন। জহুরার পক্ষ থেকে নাজমা বেগম জাহেদকে জানায়, জহুরাদের বাড়িতে নবান্নের দাওয়াত খাওয়ার দিন ওযু করার সময় যে সে ঘড়িটা ফেলে এসেছিল, তা এখন পর্যন্ত জহুরা সযত্নে রেখেছে, রাখবেও আজীবন। ফিরে যাওয়ার আগে জাহেদ তাদের নিজের বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছাটাকে উপেক্ষা করতে পারেনা। কাছাকাছি গিয়ে দেখে, তাদের টিনের বাড়ির জায়গায় এখন দুই তলা পাকা বাড়ি উঠে গিয়েছে। পুকুরটি সেই আগের মতই আছে; আম গাছ, শিমূল গাছ, জাম গাছগুলো আরো পরিপক্ক হয়েছে, নেই শুধু বাড়ির আগেকার মানুষগুলো। দেখা যায়, বাড়ির ভিতরে উঠানে ধান মাড়ানো হচ্ছে। যে গরুগুলো দিয়ে ধান মাড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর মুখ বাঁশের তৈরি মুখবন্ধনী দিয়ে বাঁধা। তখন নিয়তির বিচারে নিজেকে তার ধান মাড়ানো গরুগুলোর মত মনে হচ্ছিল, এই প্রথম বিধির বিধানের উপর তার ক্ষোভ হচ্ছিল।জাহেদের টুকটাক কবিতা লেখার অভ্যাস ছিল। তখন নিজের লেখা কয়েকটি চরণ তার বারবার মনে হতে লাগল,
"জীবন নদীর বাঁকের মাঝে
সজীব প্রাণের উচ্ছলতা,
হারায় সকল চঞ্চলতা
পথ হারিয়ে মুক্তি খুঁজে।"

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • কেতকী মণ্ডল
    কেতকী মণ্ডল গৌরীপুরে নবান্ন উৎসব কি পৌষের শুরুতে হয়? এমনিতেতো সাধারণত অগ্রহায়ণের শুরুতে হয় জানি। শুভে চ্ছা রইলো।
    • Zulfiker Noman ঠিক বলেছেন দিদি, অগ্রহায়ণে ধান কাটা শুরু হয়। তবে কারও ক্ষেত্রে অগ্রহায়ণের শুরুতে, কারও বা মাঝামাঝি, আর ধান লাগানো ও পাকতে দেরি হলে কারও কারও ক্ষেত্রে তৃতীয় সপ্তাহ পার হয়ে যায়। সবার ধান উঠানো শেষ হওয়ার পর জমিদার বাড়ির নবান্ন উৎসব শীতের আগমনী বার্তা দিয়ে পালিত হয়। এ গল্পের কাহিনীটা এভাবেই এগিয়েছে।
      প্রত্যুত্তর . ৭ অক্টোবর

advertisement