অতিতে নবান্নের সময় আসলেই আমাদের গ্রাম বাংলাতে কৃষকদের বাড়ী বাড়ী নবান্নের যে চিত্র ফুটে উঠত তারই একটা প্রতিচ্ছবি কবিতার মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ১০টি

সমন্বিত স্কোর

৩.৭

বিচারক স্কোরঃ ০.৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

অতিতের নবান্ন
নবান্ন

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৩.৭

Abdul Hannan

comment ৯  favorite ১  import_contacts ২৭৫
ব্যথিত ভুবনের আনন্দ লহুরী নবান্ন আসলে দুয়ারে,
স্বপ্নচারীরা স্বপ্ন বুনে কি দিবে ওদিন তার প্রিয়ারে,
বাড়ির গিন্নীরা খুজে ফেরে সদা কোথা আম বিন্নী ধান,
খির না বিলালে পড়শীদের কাছে হতে হবে অপমান।
নবান্ন আসলেই ধুম পড়ে যায় কৃষান কৃষাণীর ঘরে,
আমের পায়েশ বিলিয়ে বেড়াই পাড়ার আপন পরে।
নবান্নের আনন্দে গীত গেয়ে ফেরে দলে দলে লাঠিয়াল,
বৃষ্টি ভেজার গুমোট হাওয়ায় খেলা দেখে সব পয়মাল।
সাঁপুড়িয়ারা ঝাপান গেয়ে দেখাবে সাপের খেলা,
সাজ সাজ রবে বসবে ঐ দিন ডানাকাটা পরী মেলা।
মেহেদী রঙে রাঙিয়ে হস্ত মুখে পরে আলপনা রাশ,
সাজুগুজু করে লক্ষীর সাজে জীবনকে করে পরবাস।
নবান্নের ভোরে সাজিয়ে গরু কৃষক দিতো ক্ষেতে লাঙ্গল,
নবান্নের খির বিলালে উঠত কৃষাণ কৃষাণীর ঘরে মঙ্গল।
জানি এ সব অপসংস্কৃতি,তবু বাঙ্গালী হয়ে নাছোড় বান্দা,
নবান্নের নামে অনেক কুলাঙ্গার করে ফেরে সদা ধান্দা।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement