যাবে একবার ঐ মরা খালের ধারে আঙুল তুলে আমায় ঘুঘু দেখাতে?
এত গুরুগম্ভীর নিরবচ্ছিন্ন আধুনিক সুখে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে যে!
জানো ই তো-আর ঝড়ো হাওয়ায় ভিজে মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়া কৃষ্ণচূড়া স্বহস্তে তুলে আমি মুখের সামনে ধরা হয়ে ওঠেনা,
এখন তিনতলা বিল্ডিং এর বেলকনির আধুনিকতায় চশমার ফাঁক দিয়ে দেখতে হয় কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ডানা,ছুঁতে পারিনা!

আচ্ছা বাবা,তুমিই তো অপরাজিতার দিকে চেয়ে একদিন বলেছিলে আমায় -আমি বড় হলে আমরা একত্রে দাড়িয়ে গোধূলী দেখব একদিন!
বড় হতে আর কত দেরী? বাবা?

দেখো,এই শহরের সাদা-কালো ছাপা আর বিষাক্ত বাস্তবতা ছোবলে উবু হয়ে পড়ছে তোমার আমার যুগল ছায়ার মুক্ত আলিঙ্গন!
ঠিক এই মুহূর্তটার জন্য হলেও ক্ষণিকের জন্য আমাকে ছুঁতে দাও তোমায়!
মমতার গায়ে বুলাবো হাত আরেকটিবার!
একটিবার আমাকে অনুভব করতে দাও জন্মরাত্রি কে,

আমি দ্বিধাহীন মমতায় কচলে নেব চোখ।
কিছু না হোক-বেলাশেষে নীলবর্ণে রাখতে দাও চোখ অনন্তকাল!
ক্ষণিকের আশ্বাসে তোমায় করব আলিঙ্গন,অজস্র রঙিন ফিতায় বাঁধবো অভিমান!
চেয়ে থাকবে বাস্তবতা,ব্যস্ত নগরী, তপ্ত রাস্তার চলন্ত যানবাহন আর সেই কৃষ্ণচূড়ার ডাল।।