সন্তান আজ কাল কার বাস্তবতায় আজ তার বাবা থেকে অনেক দূরে। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে/গোধূলির অবকাশে যখন তার বাবা কে মনে পড়ে ঠিক তখন ই বাবার সমস্ত স্ম্রিতি,বাবার শরুপ,বাবার আদর... মোটকথা বাবাকে ঘিরে একজন সন্তানের প্রান্তিক আকুতি ফুতে ওঠে এই কবিতায়। বর্তমানে বাবা-সন্তানের সম্পর্কটার একটা স্বরূপ বহন করে কবিতাটি বলে আমি মনে করি।এখানে বাবাকেই মুখ্য করা হয়েছে। আমি আমার বাবাকে এটা উৎসর্গ করলাম... ভালো থাকুক পৃথিবীর সব বাবা.................................
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৭ এপ্রিল ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - বাবা (জুন ২০১৯)

বাবা
বাবা

সংখ্যা

Umme Habiba

comment ৩  favorite ০  import_contacts ৯২
যাবে একবার ঐ মরা খালের ধারে আঙুল তুলে আমায় ঘুঘু দেখাতে?
এত গুরুগম্ভীর নিরবচ্ছিন্ন আধুনিক সুখে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে যে!
জানো ই তো-আর ঝড়ো হাওয়ায় ভিজে মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়া কৃষ্ণচূড়া স্বহস্তে তুলে আমি মুখের সামনে ধরা হয়ে ওঠেনা,
এখন তিনতলা বিল্ডিং এর বেলকনির আধুনিকতায় চশমার ফাঁক দিয়ে দেখতে হয় কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ডানা,ছুঁতে পারিনা!

আচ্ছা বাবা,তুমিই তো অপরাজিতার দিকে চেয়ে একদিন বলেছিলে আমায় -আমি বড় হলে আমরা একত্রে দাড়িয়ে গোধূলী দেখব একদিন!
বড় হতে আর কত দেরী? বাবা?

দেখো,এই শহরের সাদা-কালো ছাপা আর বিষাক্ত বাস্তবতা ছোবলে উবু হয়ে পড়ছে তোমার আমার যুগল ছায়ার মুক্ত আলিঙ্গন!
ঠিক এই মুহূর্তটার জন্য হলেও ক্ষণিকের জন্য আমাকে ছুঁতে দাও তোমায়!
মমতার গায়ে বুলাবো হাত আরেকটিবার!
একটিবার আমাকে অনুভব করতে দাও জন্মরাত্রি কে,

আমি দ্বিধাহীন মমতায় কচলে নেব চোখ।
কিছু না হোক-বেলাশেষে নীলবর্ণে রাখতে দাও চোখ অনন্তকাল!
ক্ষণিকের আশ্বাসে তোমায় করব আলিঙ্গন,অজস্র রঙিন ফিতায় বাঁধবো অভিমান!
চেয়ে থাকবে বাস্তবতা,ব্যস্ত নগরী, তপ্ত রাস্তার চলন্ত যানবাহন আর সেই কৃষ্ণচূড়ার ডাল।।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement