বুকের অন্তর থেকে খুঁড়ে আনা কৈশোর।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২২ জুলাই ১৯৬৬
গল্প/কবিতা: ১৪টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৈশোর (সেপ্টেম্বর ২০১৯)

প্রত্নকৈশোর
কৈশোর

সংখ্যা

সুপ্রিয় ঘোষাল

comment ৬  favorite ০  import_contacts ২৪২
হাতের মুঠোয় ঘনিষ্ট জলছবি,
চোখের কোথাও আপন্ন ঘুমঘোর,
জীবন তখন অনেকটা আজনবি,
এইটা আমার একান্ত কৈশোর।

বুকের মধ্যে কান্না ভেজা ব্যথা
জমতে জমতে হারিয়ে যাবে শেষে,
চোখের শিশির একফোঁটা আর্দ্রতা
বিষন্ন শ্বাস, সংসারে সন্ত্রাসে।

এক দৌড়ে পেরিয়ে যাওয়া মাঠ
সামনে আঁধার, তার ওপারে ঘুম,
মধ্যবিত্ত গৃহস্থ চৌকাঠ
হাতছানি দেয়, আড়ষ্ট ক্লাসরুম –
অঙ্কস্যারের বীজগণিতের ক্লাসে-
উদাস হাওয়া হঠাৎ দিল হানা,
সেই কিশোরের স্বপ্নে ও সম্ভাষে
ইচ্ছেগুলো উড়ল মেলে ডানা।

রাত্রি মানে স্বপ্নে বোনা ঘাম
হলুদ রঙা মফস্বলের ভোর
হারিয়ে যাওয়া আরব্ধ সংগ্রাম,
তখন আমার নিজস্ব কৈশোর।

কোথায় হারায় পদ্মদীঘির জল?
কোথায় হারায় বদ্ধ-রাখীর ডোর?
এক প্রৌঢ়ের বিপন্ন সম্বল –
সত্যি ও মিথ – আপ্লুত কৈশোর।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement