নবান্ন আজকে প্রায় বিপন্ন। আগের আমেজটুকু আজ আর নাই। এর মূল কারণ কৃষকদের সুযোগ-সুবিধার অভাব। কৃষকেরা বাঁচলেই, বেঁচে যাবে নবান্ন।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

আমি নবান্ন-
নবান্ন

সংখ্যা

আব্দুর কাদির

comment ১  favorite ০  import_contacts ৭০
বাংলার পথ-ঘাট-মাঠ
প্রতিটা ঘরে-নীড়ে,
স্পর্শ লেগে আছে আমার গন্ধ-ছন্দ।

আমি লেগে আছি, কৃষকের প্রতিটা
ঘামের ফোঁটায়, কৃষাণীর পথচাওয়া ঘোমটায়।
আমি ভুলিনি- অনাহার, ক্ষুধার্ত, ঋণে জর্জরিত
কৃষক, কৃষকের সাধনা।

আমি আনন্দ, কৃষকের ঘামে
কৃষাণীর ঢেকি-ছাঁটা চালে
প্রেয়সীর নিমন্ত্রণে, নীল খামে।

রোদে পোড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শীতের প্রকোপে
আমাকে লালন করে, তবুও কেন অশ্রু ঝড়ে!

আমি অশ্রুতে নয়, আনন্দে
বেঁচে থাকতে চাই
বাঙ্গালীর হৃদয়ে, বাংলার বুকে।

শহুরে বাতাসে আমি নাই
বুদ্ধিজীবীর বুলিতে, ইট-পাথুরে টকশোতে
আমাকে নিয়ে টানাটানি-বাড়াবাড়ি, বিচার চাই!

আমাকে বাঁচিয়ে রাখতে চান?
বুকে ধারণ করতে চান?
তবে আমাকে নয়, কৃষকদের বাঁচান
তাদের শ্রম, ঘাম, কষ্টের মূল্য দিন।

আমি বেঁচে যাব, আবার ফিরে আসব
পিঠার গন্ধে, গ্রাম্য তরুণীর ছন্দে
নকশী কাঁথায়, কৃষাণীর ভালবাসায়।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement