আমাদের ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে উঠে যেভাবে প্রথমে ফেইসবুকে আমাদের পরিচয় হয়েছিল, এবং ফেসবুক থেকে আমাদের সম্পর্ক, হাই হ্যালো, খোঁজ খবর, এবং আস্তে আস্তে ভালো লাগা ভালোবাসা শুরু, সময়টি ছিল রমজান মাস, ঠিকমতো আইডিতে আসতো না সে, আমি আইডিতে দেখতে পেলে সাথে সাথে এসএমএস করতাম, কিন্তু সে আমার সাথে ঠিকভাবে কথা বলতে না, কিন্তু আমি তার কেয়ার বেশি করতাম এবং কি আমি তাকে আইডি দেখলেই এসএমএস করতাম খোঁজ খবর নিতাম, একদিন আমি তার ছবি চেয়েছিলাম সে আমাকে ছবি দিয়েছিল কিন্তু আমি সিওর ছিলাম না যে এটা আরিফা না। একদিন আইডিতে আসেনি তার পর যখন আইডি আসে তখন আমি তাকে বকাবকি করি, এবং অনেক রাগ দেখায় এবং মজা বিষয়টি হলো আমাকে সে ব্লক মেরে রাখতো আবার খুলে দিতো, কিন্তু যখন আমাকে ব্লক মারতো আমি প্রচন্ড ভয় পেতাম যে আমি কি হারিয়ে ফেললাম নাকি, কিন্তু দেখি না ব্লক খুলে দিতো। একদিন মার্কেট করতে গেছে সেই দুপুর বেলা কিন্তু সে রাতে আইডি আসে আমি নক করেছিলাম আমি বলি আইডি নাই কেনো? সে রেগে বলে মার্কেট করছিলাম, আমি বললাম সেই সকাল বেলা বাজারে গেছো কি এমন বাজার করছো যে মার্কেট করা হয়না, সেই আমাকে বলে আমি এখন পর্যন্ত না খেয়ে আছি ,আমি বললাম এখুনি যাও খেতে সে রাগ দেখিয়ে আমাকে আবার ব্লক মারলো আমার কিন্তু খুব রাগ উঠে গেলেও আরিফার ওপরে।

যেদিন আমাকে ব্লক খুলেছে আমি সেইদিন অনেক কিছুই বলেছি এবং কি আমি তাকে স্টিকার দিয়ে (আই লাভ ইউ) বলতাম কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারতাম না, খুব ভয় লাগতো যদি আমাকে অন্যকিছু ভাবে বাহ্ আমাকে ছেড়ে চলে যায় তাই শাহুস করে বলেনি, কিন্তু আমরা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসি কেউ কাওকে বলতে পারিনাই এটাই স্বাভাবিক।

একদিন আমি আমার জীবনের সবকিছু কথা বলেছিলাম, এবং বলেছিলাম আমি অনেক কষ্ট করে মানুষ হয়েছি দাদির কাছে, এবং তাকে বলেছিলাম তুমি কি আমার লেখাগুলো দেখেছো? আরিফা বলে না পরে দেখবো আমি মন ভারী করে বললাম দরকার নাই দেখার বাদ দাও, দেখে কি হবে না দেখাই ভালো তোমার জন্য, তখন সে আমাকে খুব রাগাতে লাগলো এবং আমাকে রাগাতে ভালোবাসে, এবং আমাকে রাগাছে আমিও রেগে যাচ্ছি পাগলের মতো করে, যখন আমি একদিন জিজ্ঞাসা করলাম আচ্ছা আরিফা আমাকে তুমি কি ভাবো? আরিফা আমাকে কিছু বলেনা চুপ করে আইডি থেকে বের হয়ে যায়, আমার খুব ইচ্ছে করে যে আমি আমার মনের কথাটি বলে দিবো, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারিনা স্টিকারের মাধ্যমে আমি তাকে ভালোবাসার কথাগুলো প্রকাশ করতেন।
আরিফা আমার সবকিছু বুঝতে পারতো এবং কি আমাকে লাইক করতো খুব বিশেষ করে আমার হাসি মুখটি এবং আমাকে রাগাতে খুব ভালোবাসে এবং সবসময় আরিফা আমাকে রাগাত, এভাবে আমাদের ২/৩ মাস কেটে যায়
স্মৃতি থেকে যায় কাটানো সময়গুলো এবং কি দিনগুলো খুব বেশি মিস করি।

আমাদের প্রথম দেখা
_________________
আরিফার নানীর বাসা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বালুবাগের এখানে, আমার বাসা থেকে ১০ মিনিটের রাস্তা তার খালুর বাড়ি,
আরিফা তার খালুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছে দিনটি ছিল ঈদের দিন, ঈদের ২য় দিন আইডিতে আমি এক্টিভ দেখলাম তখন আমি নক করলাম, খোঁজ খবর নিলাম, আমাকে হঠাৎ করে বলে আমি তোমাদের এখানে এসেছি আমার খালুর বাড়িতে, আমি তো রেগে গেলাম আমি তখন বললাম সত্যিতো আমি কেউ নাতো তার জন্য আমাকে বলা প্রয়োজন মনে করনাই, আমি বললাম আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই, তুমি কি দেখা করবে আমার সাথে? আরিফা বলে হুম দেখা করবো।আমি খুব খুশি হলাম আমি রেডি হয়ে আমি আমার বন্ধু সাগর কে নিয়ে একটা রিক্সায় উঠে রওনা দিলাম বালুবাগানের দিকে, এবং আমি তার এলাকাতে গেলাম তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছি, আইডিতে তার সাথে আমার কথা হয় কিন্ত ফোনে কখনো কথা হয়নি আমাদের, বাহ্ কখনো দেখা হয়নি আমাদের, এই প্রথম দেখা করতে যাচ্ছি তবুও আমি বিশ্বাস ছিলনা তার আইডিটি রেয়াল কিনা।
যায় হোক আমি আসলাম তার বাসার সামনে, আমি আমার বন্ধু দাঁড়িয়ে আছি, আইডিতে সে নাই আমার রাগ উঠছে এবং রোদের মধ্যে আমি আমার বন্ধু দাঁড়িয়ে আছি ৩০ মিনিট ধরে, আরিফার কোনো খোঁজ খবর নাই এবং কি আইডিতে এক্টিভ নাই, আমি যে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু কেউ আসেনা,আমি তো নার্ভাস হয়ে গেছি মনে মনে ভাবছি আমার সাথে কি ধোকা দিলো নাকি।
পরে দেখি কেউ একজন আমায় হাত দিয়ে ইশারা দিয়ে আমাকে ডাকছে, আমি তো অবাক হলাম এবং যখন তার সামনাসামনি হলাম তার হাসি মুখটি আমার অনেক ভালো লেগেছে, তখন আমি তার সাথে কথা বললাম এবং কিছু সময় ধরে কথা বললাম আরিফার সাথে, এবং যখন আরিফা চলে যাচ্ছিলো আমি বললাম তোমার নাম্বারটি দিয়ে যাও আমাকে,আরিফা বলে এখন না পরে দিবো। যখন আরিফা আইডিতে এক্টিভ হলো ঠিক তখন আমাকে মুখ ফুটে একটি এসএমএস আসলো এসএমএসটি হলো (আই লাভ ইউ) কথাটি আমাকে প্রকাশ করলো, আমি তার এস এম এস দেখে সেই খুশি অনেক আনন্দ মনে হচ্ছে আমি আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছি, আমিও আরিফা কে (আই লাভ ইউ টু) বললাম।এবং নাম্বার আমাকে দিলো এবং ফোনে কথা বলা শুরু করলাম, এভাবে আমাদের ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগিয়ে যায় সম্পর্ক।
যখন আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী চলে যায়, তখন আমি রেলস্টেশনে তাকে দেখার জন্য আমি গিয়েছিলাম একপলক দেখার জন্য, এবং আমি দেখে আসলাম তার সঙ্গে ছিলেন তার আম্মু,ছোট ভাই,আরিফা ছিল। আমি এককোনে দাঁড়িয়ে থেকে তাকে দেখছি সেও আমাকে দেখছে, যখন ট্রেনটি চলে যাচ্ছে মনে হচ্ছে আমিও চলে যায় তাদের সঙ্গে কিন্তু টা হলো না সে চলে গেল, আমিও আরিফা কে বললাম তুমি আজকে গেলে আমি কালকে তোমার ওখানে যাবো তোমাকে দেখার জন্য এমন কথা বললাম আরিফা কে।
কিন্তু কিছুদিন পর আমরা দেখা করলাম (রাজশাহী টিচার টেনিং সেন্টার) এক প্রোগ্রামে, সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত আমরা পাশাপাশি বসে গল্প করি, এবং লং সময় কাটালাম এবং আরিফার সঙ্গে ছিল এক ছোট বোন যার নাম (জ্যোতি) আমার ছোট বোনের সম্পর্ক হয়, সেইদিন আমাকে একটি কার্ড গিফট করেছিলো আরিফা, কার্ডটি আমি অনেক যত্ন করে বুকে করে নিয়ে বাসায় এসে খুলে দেখি কার্ডটি লেখা ছিল (আই লাভ ইউ জানু), আমি ফোনে তাকে (আই লাভ ইউ টু) বলে দিলাম। এবং আমি তাকে অনেক ধন্যবাদ দিলাম, এভাবে আমাকে আজকের দিনটি দিবার জন্য এবং সুন্দর একটি কার্ড গিফট করার জন্য,কিন্তু সে আমাকে খুব রাগাতে ভালোবাসে আমাকে প্রকাশ করেছিলো আরিফা, আরিফা আমাকে খুব ভালোবাসে আমিও আরিফা কে খুব ভালোবাসি এবং আরিফ কে ছাড়া থাকতে পারিনা সেইও আমাকে ছাড়া থাকতে পারেনা, এভাবেই চলে আমাদের দিনকাল এবং সম্পর্ক গভীর ভালোবাসা পরিণীতি হয়।

আরিফার পরিবার আমাদের সম্পর্কের কথা জেনে ফেলেছে
___________________________
একদিন হঠাৎ করে আরিফার পরিবার সবকিছু জেনে ফেলেছে আমাদের সম্পর্কের বিষয়ে,
সবকিছু যখন জানলো তখন আরিফার পরিবার একটু ঝামেলা হয়েছিল,কিছুদিন আমাদের কথা বলা বন্ধ ছিল, কারণ ফোন কেড়ে নিয়েছিল তার কাছ থেকে সে জন্য যোগাযোগ করতে পারেনাই। কিন্তু লুকিয়ে একটি ফোন কিনেছিলো আমার জন্য, আমার সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে যোগাযোগ করতো এবং ঠিক মতো আমাদের কথা বলা হতো।
একদিন ওর খালু আমার সাথে দেখা করতে আসে অচেনা ভাবে আমাদের এক পাড়ার বড় ভাই মাধ্যমে আমাকে ডাকে এবং আমার সাথে কথা বলে আমি কি না করি এই সব খোঁজ নিলো, পরে আমাকে আরিফা বলে যে আমার সাথে দেখা করেছিল সেটি ছিল ওর খালু, আমি তখন অবাক হলাম, আমি জিজ্ঞাসা করলাম বাসায় কি বলেছে, আরিফ বলে তোমার সবকিছুই খোঁজ খবর নিয়েছে তোমার বাজে কোনো রিপোর্ট পাইনি, এবং বলেছে তুমি ভালো ছেলে দেখতে সুন্দর অনেক কিছুই, কথা বলেছে যেগুলো শুনে মনে একটু শান্তনা আসলো, কিন্ত পরে আমাদের সম্পর্কটি মেনে নিবেনা কোনো একটা কারণের জন্য, আমি কি করবো ভাবছি এবং অনেক চিন্তা করছি,কি করা যায়, আরিফ বলে চিন্তা করনা আমিতো আছি, দেখো অনিক আমি ঠিক থাকলে সবকিছু ঠিক তাই না বলো, আমি বললাম হুম তুমি ঠিক থাকলে সবকিছু ঠিক আমার আর কিছু লাগবেনা তোমাকে ছাড়া, একদিন আমাকে আরিফা বলে ওর আম্মু নাকি আমাকে ডেকেছে তাদের বাসায় , আমি কথাটি শুনে খুব চিন্তা করছি কি হবে না হবে এইসব নিয়ে, আমি আর আমার এক বন্ধু জর্জ রওনা দিলাম রাজশাহীর উদ্দেশ্যে, রাজশাহী যেয়ে তাদের বাসায় যাবো, কিন্ত তার আগে আমরা সবাই মিলে একবার রাজশাহী কলেজের ভিতরে বসে আড্ডা দিলাম এবং চিন্তা ভাবনা করছি, বাসায় যাবো কি হবে না হবে এই সবকিছু চিন্তা করছি বসে বসে, আরিফ কে দেখি সে কান্না চোখে কোন রোকুমে চোখের পানি ধরেছিলো, আমি তার সামনে যেয়ে বলি আরে পাগলী তুমি কাঁদছো কেন, আমিতো তোমার সাথে আছি এবং তোমার বাসায় যাবো , সে চিন্তা করে বাসায় গেলে কি হবে এবং পরিবার কি বলবে এমনটা ভাবছে আরিফা, আমি আমার বন্ধু আর আরিফ,তার বাসার দিকে রওনা দিলাম দাশপুকুরের দিকে ওখানে আরিফাদের বাসা, গেলাম তার নানীর বাসায় উঠলাম ঠিক তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে, বাসায় গেলাম উঠলাম এক রুমে বসলাম আমি আর আমার বন্ধু, তার নানী আসলো আমাদের কথা বললঃ এবং পরে আরিফার আম্মু আসলো এবং আমাদের কে অন্য রুমে ডাকলো আমরা গেলাম, এবং বসলাম ওর আম্মু বলে আমার বন্ধু কে যে তুমি অনিক নাকি,আমার বন্ধু হেসে বলে না আমি অনিক না, অনিক আমার পাশের টা, আমি তখন সালাম দিলাম এবং বললাম আমি অনিক, ওর আম্মু আমাকে বলে তোমাদের সম্পর্কটা আমরা আগে জানতাম না, যখন জেনেছি তখন তোমাকে ডেকে পাঠিয়েছি, এবং বলে তোমাদের সম্পর্ক কতদিনের আমি বলি ৬ মাসের সম্পর্ক আমাদের, আরিফ আম্মু তখন আরিফাকে ডাকদিলো এবং তার কাছে যে ফোনটি ছিল তার আম্মু কেড়ে নিয়েছিল এবং আমার কথা বলেছিল আমি ফোনটি দিয়েলাম, তাই তখন আরিফাকে ডেকে ফোনটি তখন আমার হাতে দিয়ে দিলো তার আম্মু তার পরে বলছে বাবা বুঝতেই পারছো ফোন দিবার মানে কি, আমিতো মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে আছি আমি ফোনটি হাতে নিয়ে রাখলাম, যখন আমাকে বলে আমাদের সম্পর্ক মেনে নিবেনা,কারণ তাদের বংশের একটাই মাত্র মেয়ে সেইটা আরিফ যার কারণে কেউ মেনে নিতে চাইছেনা, সবার স্বপ্ন বড় ঘরে বিয়ে দিবে, আমিও অনেক কিছুই বললাম এবং তারা বলে সরকারি চাকুরী ওয়ালা ছেলে পেলে বিয়ে দিয়ে দিবে, ঠিক তখনি আমি বলছি দেখুন আমিও কিন্ত কম নয় আমিও কিন্ত সময় মতো সরকারি চাকুরী করবো কিন্তু একটু সময় লাগবে এটাই, আমারও অনেক কিছুই আছে এবং আমি আমার সবকিছু খুলে বললাম ওর আম্মু তখন নিশ্চুপ হয়ে আমার কথা শুনছে , একটা কথার উত্তর দিচ্ছে না তার পরে আমার জীবনের কথা শুনলাম সবকিছু শুনিয়ে তবুও মানতে চাইনা, কিন্ত যখন সবকিছু খুলে বললাম এবং আমাদের পরিবার কে পরিচয় দিলাম তোখন তার নানী আমাদের চিনেছে, তবুও আমাদের সম্পর্ক মেনে নিবেনা। কত কি করে শেষ পর্যন্ত আমি আরিফার আম্মু কে মিষ্টি মুখ করিয়ে এসেছি। সবকিছু কথা বলে আমি বাসা থেকে বের হলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম, বাস উঠলাম মন ভারী করে শুধু কান্না করতে বাকি ছিল, আমার বন্ধু আমাকে শান্তনা দিচ্ছে এবং আমাকে বুঝাচ্ছে, আমি বাসায় আসলাম তার সাথে রাতে কথা বললাম, এবং আমি একটাই কথা বললাম যে দেখো তুমি আমি ঠিক থাকলে সবকিছু ঠিক, আরিফ আমাকে বলে হুম তুমি আমি ঠিক থাকলে সবকিছু ঠিক তাহলে তুমি এতো চিন্তা করছো কেন, আমি বললাম যেসব কথা বলেছে চিন্তা হবেই,
এভাবে আমাদের সম্পর্ক চলে যাচ্ছে বাসায় জেনেছে সবকিছুই ভালোই হয়েছে আল্লাহ যাহ করেন ভালোর জন্যই করেন।

আমাদের দিনকাল খুব ভালো যাই নিয়মিত কথা হয় এবং সারাদিন কথা বলতেই থাকি, কিন্ত সে আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে আমিও তাকে অনেক বেশি ভালোবাসি, আরিফা সাথে পরে আবার দেখা করার জন্য আমি রাজশাহী গেলাম, দেখা করলাম থিম ওমর প্লেজারে বসে আড্ডা দিলাম, তার পরে আবার দেখা করি রাজশাহী কলেজে আবার দেখা করি সেই রাজশাহী কলেজে, এভাবে আমাদের দিনকাল কাটে, ডিসেম্বর মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসেছিলো পরিবার নিয়ে এবং যেদিন এসেছে সেইদিন দেখা হয়নি তার পরের দিনে আমাদের দেখা হয়, এবং দেখা করি পুরাতন বাজারে নদীর তীরে, আরিফার সঙ্গে ছিল তার মামী এবং মামীর ছোট ছেলে, মামী আমাকে খুব সাপোর্ট করে এবং আমাকে খুব পছন্দ করে, পরের দিনে মামীর বাসায় যাবে আরিফ ঠিক তখন আমাকে বলে তুমি যাবে নাকি, আমি বললাম হুম আমিও যাবো তোমাদের সঙ্গে যদি তোমাদের সমস্যা না হয়, তখন বলে সমস্যা নাই মামীও তোমাকে ডেকেছে, আমিও তখন রেডি হয়ে বের হলাম রওনা দিলাম তাদের সঙ্গে, এবং মামীর বাসায় উঠলাম দুই ঘন্টার মতো মামীর বাসায় ছিলাম এবং সবার সাথে কথা বললাম এবং খুব ভালো লাগলো দিনটি আমি খুব মিস করি,
কিন্ত সরি এখানে আমার জন্মদিনটির কথা বলতে ভুলে গেছি আমার জন্মদিন ছিল ১৭ ডিসেম্বর সেই আমার জন্য জন্মদিন পার্টি করেছিল সেই এসেছিলো বেগুনি রঙের শাড়ি পরে এক ঝাঁক গোলাপ নিয়ে, এবং আমিও পড়েছিলাম বেগুনি রঙের পাঞ্জাবি পরে এসেছিলাম তার সামনে,

এখানে একটা কবিতা দিচ্ছি
__________________________
কবিতা- আমার জন্মদিন উদযাপন
কবি- মোঃ অনিক দেওয়ান

পড়েছিলে তুমি বেগুনী রঙের শাড়ী
দিয়েছিলে কপালে ছোট্ট টিপ,
দুহাতে দিয়েছিলে রেশমী চূড়ি
কানে দিয়েছিলে দুল।

আমি এসেছিলাম তোমার সামনে
তোমার রঙের পাঞ্জাবী পড়ে,
দিয়েছিলে সুন্দর একটি দিন
একই রঙের পোশাক পড়ে।

পার্কের সামনে অফেক্ষায়
ছিলাম আমি তোমারি জন্য,
অপেক্ষার প্রহর শেষ করে
আসবে কখন তুমি।

পার্কে ভিতরে ছিলাম আমি
এসেছিলে তুমি শাড়ী পড়ে,
হাতে একঝাঁক গোলাপ নিয়ে
দিলে আমায় হাতে হাত রেখে।

সুন্দর একটি দিন দিলে আমায়
দিলে তুমি সেরাদিন উপহার,
কেক কেটে উদযাপন করলে
জন্মদিনটি আমার।

কত হাসি মজা কত ফ্যান
করলাম সবাই মিলে,
কত সুন্দর দিনটি কাটালাম
সকলেই মিলে।

একই রঙের পোশাক পড়ে
এসেছিলাম তুমি আমি দুজনে,
স্মৃতি বন্দী থাকবে চিরকালের
বেগুনী রঙের শাড়ী পাঞ্জাবী পড়ে।

আমার জন্মদিনে
সেরা উপহার ছিলে তুমি,
ছিলে আমার ভালোবাসা মানুষ
স্মৃতি বন্দী থাকবে জন্মদিনটির তারিখ।

জন্মদিনটি তে, আমরা অনেক মজা করেছিলাম অনেক আনন্দ করেছিলাম এবং কি খুব বেশি মিস করি জন্মদিনটির দিন, এবং আরিফার সাথে সেইদিন অনেক সময়ে কাটিয়েছিলাম, খুব বেশি মিস করি আমার জন্মদিনের সময়েটি কে, পরে তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসেছিলো যেটি আমি ওপরে বলেছি, যায় হোক আমাদের সম্পর্ক এভাবেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের চিন্তা ভাবনা আমরা বিয়ে করবো, যদিও তার পরিবার না মানে সেই আমার কাছে থাকবে, এবং আমরা শেষ পর্যন্ত বিয়ে করবো সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমাদের এখনো নিয়মিত কথা বলা হয় এবং আশা করি আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। এবং যারা মন থেকে ভালো ভালোবাসে সে কিন্তু ভালোবাসা মানুষটি কে তার জীবন সঙ্গী হিসেবে পাবে ঠিক তেমনি আমিও আমার আরিফা কে জীবন সঙ্গী হিসেবে জীবনে পাবো।