দুষ্টু মিষ্টি অভিমানি রাগী বান্ধবী যেমন হয়
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৫ মে ১৯৯৮
গল্প/কবিতা: ১টি

সমন্বিত স্কোর

০.৯৫

বিচারক স্কোরঃ ০.৩৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ০.৬ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - স্বাধীনতা দিবস (মার্চ ২০১৯)

বান্ধবী
স্বাধীনতা দিবস

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ০.৯৫

জোভান আহমেদ রকি

comment ৩  favorite ০  import_contacts ৯৯
ক্রিং…......ক্রিং..............................।।
পৃথিবীতে যত রকমের বিরক্তিকর শব্দ আছে তার মধ্যে এটা অন্যতম,জানি না তবে এটা আমার নিজস্ব অভিব্যপ্তি।
অনেক মানুষের ঘুম ভাঙ্গানোর দায়িত্বভার থাকে এই শব্দটার উপর
এরি বা কি দোষ বলেন,সে তো আমাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ীই চলে।
বেচারা এলার্ম মনে মনে হইত বলছে [যার জন্য করি চুরি সেই বলে চোর ।
যাই হোক ঘুম ভেঙে ফোনটা হাতে নিলাম, অবশ্য ঘুম থেকে উঠে ফোনটা হাতে নেওয়া আমার মত ব্যাচেলরদের প্রথম কাজ,
যাই হোক ফোনের ফ্লাইট মোড অন করে দেখি মিস কল এলার্ট,সাথে টূং টুং করে দুইটা এস এম এস ,প্রথম মেসেজ কই তুইরে , ২য় জোভান নামের মন্সটার নামক রুপ ধরা কুত্তাটা এখনো ঘুমাচ্ছে,
তখনি মনে পরল এইরে আজকে তো ৯.৩০ টার দিকে মিস পেত্নির সাথে দেখা করার কথা ,
কেটে ,
আর বোঝার অপেক্ষা রইল না যে অনেক ক্ষেইপ্যা আছে মিস পেত্নি,
আর লেট না করে অতিদ্রুত একটু ফ্রেশ হয়ে তাড়াহুড়ো করে বেড়িয়ে পরলাম,
অপপ্স ঘড়ীটা নিতে ভুলে গিয়েছি,ধ্যাত্তরি্‌ এটা আমার রোগ,কোন না কোন জিনিস নিতে ভুলে যাওয়া,আর এইজন্যযে কত্ত জায়গায় কত রকমের প্যরাই পরেছি ,তার অন্ত নেই,একবার তো পরিক্ষার সময় নিজের রেজিষ্ট্রেশন কার্ডটাই নিয়ে যায়নি,
একটাও রিকশা নেই,তাড়াহুড়োর সময় কোন কিছুই সহজে পাওয়া যায়না,এটাই প্রকৃতির নিয়ম ।
অবশেষে ,উপান্তর না দেখে দিলাম ম্যারাথন দোড়,
দোড়াচ্ছি আর ফোন দিচ্ছি,কিন্তু না বার বার ফোন্টা কেটে দিচ্ছে,
বিপদ টিপদ হইলনা তো আবার,
ধুর কি ভাবছি,বিপদ হলে ফোনটা কেটে দিবে কেন,হয় অফ রাখবে না হয় ধরবে না,
এইতো মিস পেত্নি রে দেখতে পেয়েছি,একটা গাছের নিচে দাড়িয়ে আছে আপন মনে,
ভাবছি গিয়েই তো ওর ঝারি খাওয়ার লাগবে ,\

তখন ফন্দি আকলাম,এমন কিছু একটা বিষয় এইদিক থেকেই ঠিক করে যায় যেন ও ভুলে যাই যে ও আমার উপর রাগ করে আছে । ,

ওর কাছে গিয়েই অনেক সিরিয়াসভাবে বললাম অই তোর নাকি ১মাস পরে বিয়ে ঠিক হয়েছে ,ওর মুখের ভাবটা পুরা দেখার মত,কেমন জানি ,মনে মনে ভাবছি যাক কাজে দিচ্ছে বুদ্ধিটা ,কেননা আমার মতে মেয়েরা একটু গাধি টাইপের হয়, তাইতো এই ছোট ট্রিকগুলা অনায়াসে কাজে দেয়,।


কিন্তু পরক্ষনেই আমার এই সব ভাবনা প্রশান্ত মহা সাগরের সাথে ডুবিয়ে দিয়ে,ও বলল ,কয়টা বাজে? আমি ভদ্র আসামির মত বললাম ঘড়ি পড়তে ভুলে গিয়েছি। ঠাস করে গালে একটা বাজ পরল,
{কোন এক গল্পে পড়েছিলাম যে মেয়ের হাতের থাপ্পর নাকি অমৃত,
ওই বজ্জাত লেখকরে এখন বড্ড মনে পড়ছে, পাইলে বলতাম,হে কবি আপনি কি কখনো খেয়েছিলেন এই অমৃতখানা,যত্তসব আবুল লেখক} আমি চুপ,সেও চুপ।
তারপর কথার বিস্ফোরণ,
তোর জন্য আমি এখানে ৩৬মিনিট ধরে একা একটা মেয়ে দাড়িয়ে আছি,
তোর কোন বিবেকবোধ আছে,
আসামির মত বললাম সরি,
তোর সরির ক্ষ্যাতাপুরি,একটা থাপ্পর খাইলি না,এটা কিছুই না ,
এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমার পা ব্যাথা হয়ে গিয়েছে তাই তুই এখন এখানে বসে আমার পা টিপে দিবি[আমিতো পুরাই হতবাক]
মেয়েটা রাগি তা জানি,কিন্তু আজ দেখছি ভয়ংকর রাগী ,
কি হইল ?না কিছুনা,
আচ্ছা সরি বললামতো,
রাগী কণ্ঠে আরেকটা দি, দিব?মন্সটার কোথাকার,
নরম গলায় বলল নাস্তা হইসে,?
না হইনি...।
বলল,ওয়ালেট্টা দেখি,পকেটে হাত দিয়ে দেখি ও আমার আল্লাহ ম্যানিবাগটাও নিইনায়,
এখন যদি বলি ম্যানিবাগ আনতে ভুলে গিয়েছি,তাহলে আমি সিওর আরেকটি থাপ্পর আমার জন্য অবধারিত,
ও বলল কিরে দে,আমি বললাম না দিবনা,
কারণ আমি কিছু খাব না এখন,
তারপর পেত্নি বলল হুম বুঝছি>ওকে চল আমিই খাওয়াবো
মনে মনে ভাবছি,(পেত্নি থাপ্পরটা যে মারলি)
ওকে বাবা সরি,
ওকে চল ক্ষুধা লাগছে,
১১৩ টাকা বিল,তাও আবার টিপস সহকারে,
অবশ্য বেশি টীপস দেইনায়,মহিলা মানুষতো সরি মেয়েতো ......।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement