হঠাৎ করেই সময়টা বলা শুরু করলো
ও যেন বড় না হয়!
ও যেন বড় না হয়!
কিন্তু পৃথিবীর সমূহ কণা কি থেমে থাকে?
আমার মনটাও চাইলেও এই তীব্রতার বিরুদ্ধে যেতে পারে না।
কখনো কখনো একা একাই সেই বিন্দুর কথা ভাবে,
একটা বিন্দু,
যেখান থেকে আমার পিতৃত্বের বৈশ্বিক আত্মার স্ফুরণ,
সেই আত্মাও সময়ের কাছে নত হয়ে থাকে,
এই নত! হওয়াটা হয়তো শিশুর জন্য নৈতিকতার প্রথম সোপান,
সোপান গুলো বড় হতে চায়,
শিখতে চায় রোদের আলোর মতো,
চাঁদের বলয়ের মতো সংগ্রাম করতে চায় কিন্তু পারে না,
তখন ভেঙে ভেঙে আসা শব্দের উচ্চারণ গুলো,
আমার শৈশবের প্রতিলিপির মতো,
প্রাচীন শিল্পের চেতনা বহন করে মহাজাগতিক আলো হয়ে,
এই আলোর জীবন্ত রূপই যেন আমার বেঁচে থাকা।
যখনই পূর্ণ শব্দের বাক্য আসে,
তখনই মস্তিষ্ক বোঝে যে এটা আমার ডিএনএ'র বৈচিত্রতা,
কতটা সম্মোহন থাকলে!
এই গড়ে ওঠা বাক্য গুলো আমাকে অনুসরণ করতে চায়,
অথচ বাস্তবতায় আমার জগতে, জগতের নিয়মের কতটা!
নিষ্পাপ শিশুর বিচরণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হওয়ার অমোঘ চারণভূমি হতে পারে?
শরীরে আমার দুটো ডানা জন্মেছে,
আমার ভাষায় এই ডানা গুলো কথাও বলে,
প্রিয় গল্পের ভাষায় শৈল্পিক মাধুর্য্যতা চায়!
কিন্তু আমার আনহু ও আরাফ, আমার জীবনভর,
সেই শিল্পী হওয়ার অ, আ, ক, খ গুলোকে আত্মার আলোয়
জন্মের বিবরণ করে নিতে পারবে তো!
পৃথিবী এখন জীবনের উপাদানের চেয়েও বস্তুগত উপাদানেই
জেগে ওঠার তাড়নায় ভ্রষ্ট,
আমি কি পারবো,
মহাজাগতিক মানুষ হওয়ার এই যাত্রার স্পষ্ট অনুকম্পন হতে?
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
হঠাৎ করেই সময়টা বলা শুরু করলো
ও যেন বড় না হয়!
২৮ ডিসেম্বর - ২০১৮
গল্প/কবিতা:
৯ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬